X' নামক একজন শাসক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। অত্যন্ত সুচতুরও ছিলেন। নিজ স্বার্থসিদ্ধির জন্য গণতান্ত্রিক নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে পূর্ববর্তী শাসকদের আদর্শিক নীতি বর্জন করে নিজস্ব নিয়মে রাজ্য পরিচালনা করেন। এমনকি তিনি রাজক্ষমতাকে আকড়ে ধরার জন্য তার অযোগ্য ও অকর্মণ্য পুত্র 'Y' কে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। 'Y' এর দুঃশাসন ও অধার্মিক কার্যকলাপের জন্য রাজ্যে চরম সংকট দেখা দেয়। যার পরিণতিতে সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়ে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

মুসলিম রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরিকদের কাছ থেকে আদায়কৃত নিরাপত্তা করই হলো জিজিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ইরাকের বন্দিদের মুক্তিদানের জন্য খলিফা সুলায়মানকে আশীর্বাদের চাবি বলা হয়।
উমাইয়া শাসনামলে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কুফা ও বসরায় ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা)-এর অনুসারীদের বিদ্রোহ দমন করে ইরাকের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন। এ সময় তিনি ইরাকের হাজার হাজার মানুষকে বন্দি করে কারাগারে নিক্ষেপ করেন। খলিফা সুলায়মান ক্ষমতায় আরোহণের পর হাজ্জাজের বন্দিকৃত কয়েদিদের মুক্ত করে দেন। এ কারণে তাকে আশীর্বাদের চাবি বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'X' নামক খলিফার কর্মকাণ্ড উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া কে নির্দেশ করে।

আমির মুয়াবিয়া ছিলেন পরিবর্তনশীল যুগের খলিফা। তিনি ইসলামের প্রাথমিক খিলাফতের প্রচলিত পদ্ধতিতে কতগুলো মৌলিক পরিবর্তন সাধন করেন। পূর্ববর্তী খুলাফায়ে রাশেদিনের কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক নীতিগুলোর পরিবর্তন করে তিনি রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করেন। এছাড়া তিনি পূর্বের উত্তরাধিকারী প্রথা তুলে দিয়ে উমাইয়া রাজবংশকে সুসংহত করার জন্য অযোগ্য ও অকর্মণ্য পুত্র ইয়াজিদকে ক্ষমতায় বসান। উদ্দীপকে বর্ণিত 'X' এর ক্ষেত্রেও অনুরূপ বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়। উদ্দীপকে দেখা যায় যে, 'X' নামক একজন খলিফা পূর্ববর্তী শাসকদের আদর্শিক নীতি বিসর্জন দিয়ে নিজস্ব নিয়মে রাজ্য পরিচালনা করেন। এমনকি রাজ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য তিনি অকর্মণ্য ও অযোগ্য পুত্র 'Y' কে উত্তরাধিকার মনোনীত করেন। হযরত মুয়াবিয়া (রা) ও পূর্ববর্তী খলিফা হযরত আবু বকর (রা), হযরত ওমর (রা), হযরত ওসমান (রা) ও হযরত আলী (রা) দের আদর্শ হতে বিচ্যুত হয়ে নিজস্ব নিয়মে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বদলে রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করেন। তিনি মজলিস-উস-শুরা বাতিল করেন। এমনকি খলিফা নির্বাচনের প্রথা বাতিল করে মনোনয়ন প্রথা চালু করে। যার ভিত্তিতে ৬৭৬ খ্রিষ্টাব্দে স্বীয় অযোগ্য পুত্র ইয়াজিদকে উত্তরাধিকার মনোনীত করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'X' এর সাথে আমির মুয়াবিয়া-এর সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

Y' তথা ইয়াজিদকে উত্তরাধিকার নির্বাচনের ফলে কারবালার বিয়োগান্ত ঘটনার সৃষ্টি হয় যা পরবর্তীতে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব সংঘাত সৃষ্টিতে প্রভাব ফেলে।

বিয়োগান্তক কারবালার হত্যাকাণ্ডের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। এ হত্যাকাণ্ডের ফলে মুসলিম ঐক্য ও সংহতি চিরতরে বিনষ্ট হয়। এ অনৈক্য পরবর্তীতে বহু ভ্রাতৃঘাতী সংঘর্ষের জন্ম দেয়। এই কারবালার হত্যকাণ্ডের ফলেই উমাইয়া-হাশেমিদের বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। এ ঘটনার ফলেই শিয়া সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয় এবং শিয়া-সুন্নি বিরোধের সূত্রপাত হয়। উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় যে, 'X' নামক একজন শাসক তার অযোগ্য ও অকর্মণ্য পুত্র 'Y' কে উত্তরাধিকার মনোনীতি করেন। ফলে কারবালার হত্যাকাণ্ডের মতো বিষাদময় ঘটনা ঘটে। আর এ নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড পরবর্তীতে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব ও সংঘাতের জন্ম দেয়। কারবালার এ হত্যাকাণ্ড ইসলামি জগতের সর্বত্র ত্রাসের শিহরণ জাগিয়ে তোলে। এ ঘটনার ফলে হাশেমি ও উমাইয়া বিরোধ তুঙ্গে ওঠে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে শিয়ারা উমাইয়া বিরোধী মতবাদ গঠন করে। কারবালার হত্যাকান্ডের ফলে শিয়া-সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে মতানৈক্য সৃষ্টি হয়। এ হত্যাকাণ্ড ইসলামি অপ্রতিরোধ্য ঐক্যে ফাটল ধরায়। জাতীয় জীবনেও এটি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং ভ্রাতৃঘাতী দ্বন্দ্ব দানা বাধতে থাকে। এ ঘটনার ফলেই ইয়াজিদ ও মদিনাবাসীর মধ্যে হারবার যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে ইয়াজিদ মদিনাবাসীকে পরাজিত করেন। এছাড়া তিনি মক্কা শহর অবরোধ করে কাবাঘর ও অন্যান্য স্থাপনার বিশেষ ক্ষতিসাধন করেন।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে, 'Y' কে উত্তরাধিকার নির্বাচনের ফলে কারবালার হত্যাকাণ্ড ঘটে। এর ফলে পরবর্তীতে বিভিন্ন দ্বন্দ্ব সংঘাতের সৃষ্টি হয় এবং মুসলিম ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট হয়। এর ফলে ইসলামের ঐক্য ও সংহতি চিরতরে ধ্বংস হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
32
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কুব্বাতুস-সাখরা' হলো উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের ৬৯১ খ্রিষ্টাব্দে জেরুজালেমে নির্মিত অষ্টাকোণাকৃতির একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যেটি 'Dome of the Rock' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
123
উত্তরঃ

খলিফা আবদুল মালিক রাষ্ট্রকে জাতীয়করণ এবং রাষ্ট্রে সুষ্ঠু শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য আরবিকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দান করেন অর্থাৎ আরবি ভাষা জাতীয়করণ করেন।
উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের রাজত্বকাল উমাইয়া বংশের সবচেয়ে গৌরবময় যুগ। তার শাসননীতি মূলত আরব জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশের জন্য বিখ্যাত ছিল। তিনি শাসনক্ষমতায় বসে দেখলেন যে আরব মুসলিমরা রাজ্যশাসন করলেও মূলত অনারব জনগোষ্ঠীই উমাইয়া খিলাফতের প্রশাসন ব্যবস্থাকে পরিচালিত করছে। ফলে আরব মুসলিম শাসননীতি কার্যকর হচ্ছে না। এ কারণেই খলিফা আবদুল মালিক আরবি ভাষাকে জাতীয়করণ করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
104
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আবদুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের অনুরূপ।

মুদ্রা হলো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। কিন্তু আবদুল মালিকের পূর্বে আরবদের কোনো নিজস্ব মুদ্রা ছিল না। ফলে সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতো। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে খলিফা আবদুল মালিক সর্বপ্রথম মুদ্রা ব্যবস্থার সংস্কার সাধন করেন। এই সংস্কারেরই প্রতিফলন ঘটেছে রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কারের ক্ষেত্রে। রাজা আলমগীর তার সাম্রাজ্যে কেন্দ্রীয় টাকশাল স্থাপন করে নির্দিষ্ট মানের মুদ্রা চালু করেন। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে উপকৃত হয়। উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের সংস্কারের ক্ষেত্রেও এমনটি দৃষ্টিগোচর হয়। তার সময়ে সাম্রাজ্যে তিন ধরনের মুদ্রা প্রচলিত ছিল। যেমন-বাইজান্টাইনে Dinarious, পারস্যে Darkmah এবং দক্ষিণ ইয়েমেনে Athene নামক মুদ্রা চালু ছিল। এতে সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল ছিল না। মুদ্রা বিনিময়ের সমস্যার ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে অসুবিধা দেখা দিত। এছাড়া মুদ্রার ছাপ ও মূল্য নির্ণয় একেবারে অনির্ধারিত থাকায় বাজারে অনায়াসে জাল মুদ্রা প্রচলিত হতো। এসব কারণে খলিফা আবদুল মালিক সর্বপ্রথম খাঁটি আরবি মুদ্রা প্রচলনের জন্য ৬৯৫ খ্রিষ্টাব্দে দামেস্কে জাতীয় টাকশাল গঠন করেন। তিনি দিনার, দিরহাম ও ফালুস নামের স্বর্ণ, রৌপ্য ও তাম্র মুদ্রার প্রচলন করেন। মুদ্রাগুলোকে জাতীয়করণ ও আরবীয়করণের জন্য মুদ্রায় ব্রুসের পরিবর্তে আরবি বর্ণমালা লেখা হয়। সুতরাং বোঝা যায়, রাজা আলমগীরের মুদ্রা সংস্কার খলিফা আবদুল মালিকের মুদ্রা সংস্কারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
101
উত্তরঃ

স্থাপত্য শিল্পের উন্নয়নে উদ্দীপকের রাজার তুলনায় আবদুল মালিকের কৃতিত্ব ছিল অনেক বেশি- উক্তিটি যথার্থ।

ইসলামের ইতিহাসে রাজেন্দ্র নামে পরিচিত আবদুল মালিক উমাইয়া বংশের শ্রেষ্ঠ শাসকদের মধ্যে অন্যতম। তিনি নিজ দক্ষতা ও যোগ্যতা বলে উমাইয়া সাম্রাজ্যকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করেন। এ বলিষ্ঠ চরিত্রের মন ছিল শিল্পানুরাগী। তার মার্জিত রুচিবোধের সামান্য * প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উদ্দীপকের রাজার মধ্যে। উদ্দীপকের রাজা আলমগীর সাম্রাজ্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য সুরম্য প্রাসাদ, নান্দনিক স্মৃতিফলক প্রভৃতি নির্মাণ করেন। স্থাপত্য শিল্পে তার এ অবদান সকলের দৃষ্টি কাড়লেও এগুলো আবদুল মালিকের অবদানের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। আবদুল মালিক শিল্প, স্থাপত্য ও সংস্কৃতির একজন উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। নির্মাতা হিসেবে তার কৃতিত্ব অপরিসীম। দজলা নদীর পশ্চিম তীরে সামরিক শহর 'ওয়াসিত' ও আল আকসা মসজিদ তার স্থাপত্য কীর্তির উজ্জ্বল নিদর্শন। তবে স্থাপত্য শিল্পে তার সবচেয়ে বড় কীর্তি হচ্ছে 'কুব্বাতুস সাখরা' বা Dome of the Rock নামক একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ। প্রতিদ্বন্দ্বী খলিফা ইবনে জুবায়েরের শাসনাধীন মক্কার কাবাগৃহের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবদুল মালিক ৬৯১ খ্রিষ্টাব্দে জেরুজালেমে একটি স্থাপত্য কীর্তি নির্মাণ করেন। এটি ছিল মহানবি (স)-এর মিরাজের স্মৃতি বিজড়িত পবিত্র পাথরের ওপর নির্মিত অষ্টাকোণাকৃতির স্থাপত্য শিল্প। এছাড়া তিনি দামেস্কে মহাফেজখানা বা সরকারি দলিল-দস্তাবেজখানা স্থাপন করেন।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে, উদ্দীপকের রাজা স্থাপত্য শিল্পে যে উন্নয়ন করেছেন তার চেয়ে খলিফা আবদুল মালিকের অবদান অনেক বেশি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
65
উত্তরঃ

উমাইয়া খলিফা আবদুল মালিকের চারজন পুত্র পরবর্তীতে খলিফা হওয়ায় তাকে রাজেন্দ্র বা Father of kings বলা হয়।
আবদুল মালিকের চার পুত্র আল ওয়ালিদ (৭০৫-৭১৫ খ্রি.), সুলাইমান (৭১৫-৭১৭ খ্রি.), দ্বিতীয় ইয়াজিদ (৭২০-৭২৪ খ্রি.) এবং হিশাম (৭২৪-৭৪৩ খ্রি.) পরবর্তীকালে খলিফা হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। তারা সুযোগ্য নেতৃত্ব দ্বারা উমাইয়া বংশকে সমৃদ্ধির স্বর্ণশিখরে পৌঁছে দেন। ঐতিহাসিক পি. কে. হিট্টি বলেন, "আবদুল মালিক এবং তার উত্তরাধিকারী চার পুত্রের শাসনকালে দামেস্কের এ রাজবংশ শৌর্যবীর্য ও গৌরবের চরম শিখরে আরোহণ করে।" এ কারণে আবদুল মালিককে 'রাজেন্দ্র' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
121
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews