'X' রাষ্ট্রের আয়তন খুব বড় হওয়ায় সর্বত্র সুশাসন ও উন্নয়ন করা সম্ভব হয়নি। তাই দেশটিতে কয়েকটি আঞ্চলিক সরকার গঠন করে তাদের মধ্যে কিছু ক্ষমতা বণ্টন করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে 'Y' রাষ্ট্রে মি. জনসন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে আইন প্রণয়নে ভূমিকা পালন করেন। আবার তাঁর দেশের নির্বাহী বিভাগ সকল কাজের জন্য মি. জনসনের মতো প্রতিনিধিদের কাছে জবাবদিহি করেন।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যে রাষ্ট্র জনগণের দৈনন্দিন ন্যূনতম চাহিদা পূরণের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করে, তাকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

চলমান বিশ্বে প্রচলিত শাসনব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় শাসনব্যবস্থা হচ্ছে গণতন্ত্র।
গণতন্ত্র এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণ তাদের ইচ্ছামতো শাসক নির্বাচন করতে পারে। আবার নির্বাচিত সরকার জনগণের পক্ষে কাজ না করলে জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাতে পারে। গণতন্ত্রে জনগণই রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসক। এ ব্যবস্থায় নাগরিকদের অধিকার ও আইনের শাসনের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অন্য কোনো শাসনব্যবস্থায় জনগণকে এতটা প্রাধান্য দেওয়া হয় না। এসব কারণে চলমান বিশ্বে গণতন্ত্রই সর্বোত্তম শাসনব্যবস্থা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'X' রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থার চিত্র ফুটে উঠেছে।
যে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় একাধিক অঞ্চল বা প্রদেশ মিলিত হয়ে একটি রাষ্ট্র গঠন করে, তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলে। এ ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনকার্যের সুবিধার জন্য সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশ বা অঞ্চলের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে পাশাপাশি অবস্থিত কতগুলো ক্ষুদ্র অঞ্চল বা প্রদেশ একত্রিত হয়ে একটি বড় রাষ্ট্র গঠন করে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্র।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'X' রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, রাষ্ট্রটি আয়তনে খুব বড়। তাই রাষ্ট্রটির উন্নয়ন এবং সর্বত্র সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কয়েকটি আঞ্চলিক সরকার গঠন করে তাদের মধ্যে কিছু ক্ষমতা বণ্টন করে দেওয়া হয়। 'X' রাষ্ট্রের এসব বৈশিষ্ট্যের সাথে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, 'X' রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থার রূপ প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'Y' রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা অর্থাৎ সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা মূলত একই ধরনের- উক্তিটি যথার্থ।
যে সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং শাসন বিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইন বিভাগের উপর নির্ভরশীল তাকে সংসদীয় বা মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বলে। সংসদীয় সরকারে আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকেন। এছাড়া এ ব্যবস্থায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ অর্থাৎ আইনসভার সদস্যগণ আইন প্রণয়নে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উদ্দীপকের 'Y' রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও এ বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ 'Y' রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
বাংলাদেশেও মন্ত্রিপরিষদ শাসিত বা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। কেননা বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ আইন প্রণয়ন করে থাকেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যগণ তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট জবাবদিহি করেন। অর্থাৎ বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায়ও আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। এছাড়া এখানে আইন ও শাসন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান যা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটি সুস্পষ্ট যে, উদ্দীপকের 'Y' রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে মিল রয়েছে। তাই এ দুটি রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা মূলত একই ধরনের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
111

‘সরকার' অতি পরিচিত একটি শব্দ। বিশ্বের সব দেশেই কোনো না কোনো সরকার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকার কাকে বলে সে সম্পর্কে আমরা চতুর্থ অধ্যায়ে জেনেছি। মূলত সরকারের দ্বারা একটি দেশের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সকল দেশে সরকার থাকলেও তা একরকম নয় । এ অধ্যায়ে আমরা আমাদের দেশের সরকার-পদ্ধতি সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-

♦ বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ উল্লেখ করতে পারব

♦ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব

♦ বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো বর্ণনা করতে পারব বাংলাদেশের আইনসভার গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব

♦ বাংলাদেশের বিচার বিভাগের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
বিভাগের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করে বিভাগীয় প্রশাসন। তবে বিভাগের সব কাজ সম্পন্ন করা হয় বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে। তিনি কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.5k
উত্তরঃ

'A' চিহ্নিত স্থানটি সরকারের আইন বিভাগকে নির্দেশ করছে।
সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় জাতীয় সংসদ যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের সব ক্ষমতা জাতীয় সংসদের। সংসদ যেকোনো আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও 'মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকে। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না। সংসদ প্রতি বছর জাতীয় বাজেট পাস করে। সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়। সুতরাং বলা যায়, আইন বিভাগের কর্মকাণ্ডের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B' চিহ্নিত বিভাগটি হলো নির্বাহী বিভাগ এবং 'A' চিহ্নিত বিভাগটি হলো আইন বিভাগ। বাংলাদেশে আইন বিভাগ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়টির সাথে আমি একমত।
সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের যেসব কাজ করতে হয় সেগুলো হলো- আইনসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ এবং বিচারসংক্রান্ত কাজ। এই তিন প্রকার কাজ সম্পাদন করার জন্য আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। তবে আইন বিভাগের কাজের পরিধি ব্যাপক। এটি শুধু আইন প্রণয়নই করে না, নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণও করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙেযায়। মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, অনাস্থা প্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, সংসদীয় বিভিন্ন কমিটি ও সংসদে সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট, আইন বিভাগের সাথে নির্বাহী বিভাগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। আইন বিভাগ তথা জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড বলা হয়।
রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রশাসনের। রাষ্ট্রের ভিতরে শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সুষ্ঠু প্রশাসনের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রশাসন রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
5.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews