যেসব তন্তু সরাসরি প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা সম্ভব নয় বরং গবেষণাগারে বিভিন্ন পদার্থ বা রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়, সেগুলোকে কৃত্রিম তন্তু বলে।
কৃত্রিম তন্তু বিভিন্ন পদার্থ বা রাসায়নিক দ্রব্যাদির সংমিশ্রণে গবেষণাগারে উৎপাদিত হয়। আবার, পলিস্টার পরীক্ষাগারে ইথিলিন গ্লাইকল ও টেরিথ্যালিক এসিডের বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। তাই পলিস্টারকে কৃত্রিম তত্ত্ব বলা হয়।
উদ্দীপকের তথ্যমতে X হলো নাইলন। নিচে এর প্রস্তুতপ্রণালি বর্ণনা করা হলো-
নাইলনের আসল নাম পলিঅ্যামাইড। ঘনীভবন পলিমারকরণের মাধ্যমে অ্যামিনো এসিড ও ডাই অ্যামিনের মধ্যকার বিক্রিয়ায় পানির অণুর অপসারণ দ্বারা পলি অ্যামাইড বা নাইলন গঠিত হয়। যেমন-অ্যাডিপিক এসিড এবং হেক্সামিথিলিন ডাই অ্যামিন নামক রাসায়নিক পদার্থের পলিমারকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাইলন তৈরি হয়। এগুলো তত্ত্বময় বলে এ থেকে সুতা তৈরি হয় এবং এ সুতা পোশাক তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবৃহত হয়।
n (হেক্সামিথিলিন ডাই অ্যামিন) + n(অ্যাডিপিক এসিড) A
H₂O
(হেক্সামিথিলিন হেক্সান্যামাইড)n
উদ্দীপকে উল্লিখিত X ও Y হলো যথাক্রমে নাইলন ও রেয়ন। নিচের এদের মধ্যে তুলনা করা হলো-
নাইলন ও রেয়নের মধ্যে সাদৃশ্য থাকলেও অনেক বৈসাদৃশ্য লক্ষণীয়।
নাইলন ও রেয়নের মধ্যে সাদৃশ্য দিকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- এরা উভয়ই কৃত্রিম তন্তু ও এদের একাধিক শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। এছাড়া উভয় তত্ত্বই কাপড় বুননে ব্যবহৃত হয়। আবার নাইলন ও রেয়নের মধ্যে কতকগুলো বৈসাদৃশ্য দেখা যায়। নাইলন নন-সেলুলোজিক তত্ত্ব হলেও রেয়ন সেলুলোজিক তন্তু। নাইলনের কাপড় সহজে ধোয়া গেলেও রেয়নের কাপড় ধৌতকরণ কষ্টসাধ্য। আবার নাইলন থার্মোপ্লাস্টিক ফেব্রিক, কিন্তু রেয়ন অ্যাবজরভেন্ট ফেব্রিক। এছাড়া নাইলন আগুনে পোড়ে না, পক্ষান্তরে রেয়ন সহজে আগুন পোড়ে।
সুতরাং নাইলন ও রেয়নের মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য উভয় বৈশিষ্ট্যই পরিলক্ষিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!