ঢাকা, বাংলাদেশ
২৬ এপ্রিল, ২০২৬
প্রিয় [বন্ধুর নাম],
আমার প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিও। আশা করি ভালো আছিস। গত সপ্তাহে আমি বাবা-মায়ের সাথে [পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার/লালবাগ কেল্লা] ঘুরে এলাম। [ঐতিহাসিক স্থানের নাম]-এর চমৎকার স্থাপত্য এবং সমৃদ্ধ ইতিহাস আমাকে মুগ্ধ করেছে, তাই অভিজ্ঞতাটি তোর সাথে শেয়ার করার জন্য লিখছি ।
সেখানকার প্রাচীন নিদর্শনের কারুকাজ দেখে আমি অবাক হয়েছি । [ঐতিহাসিক স্থানের নাম]-এর প্রতিটি কোণে যেন ইতিহাস লুকিয়ে আছে । [কয়েকটি বিশেষ স্থানের বর্ণনা, যেমন- খোদাই করা পাথর, বিশাল প্রাঙ্গণ] আমার খুব ভালো লেগেছে। [স্মৃতিসৌধের নাম] দেখে মনে হয়েছে, যেন শত শত বছর আগের সময়ে ফিরে গেছি ।
এই স্থানটি দেখার পর আমাদের প্রাচীন সভ্যতা সম্পর্কে আমার জানার আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। তোর খুব মিস করেছি। তোর যদি সুযোগ হয়, তবে অবশ্যই স্থানটি দেখে আসিস।
আজ আর নয়। তোর বাবা-মাকে আমার সালাম জানাস।
তোর বন্ধু,
সাদমান/সাদিকা
তারিখ: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
বরাবর,
সম্পাদক,
দৈনিক ইত্তেফাক,
১, রামকৃষ্ণ মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩।
বিষয়: সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিকারের দাবিতে পত্রিকায় প্রকাশের আবেদন।
জনাব,
আপনার বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা নিয়ে নিম্নোক্ত মতামতটি প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনা একটি নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে । বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, অদক্ষ চালক এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের কারণে অকালে ঝরে যাচ্ছে অসংখ্য তাজা প্রাণ । দেশের প্রধান সড়কগুলোতে প্রায়শই দুর্ঘটনার ফলে পরিবারগুলো স্বজন হারাচ্ছে এবং পঙ্গুত্ব বরণ করছে।
এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য কর্তৃপক্ষের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনতে লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, ট্রাফিক আইনের সঠিক প্রয়োগ, অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন । একই সাথে, সড়ক নিরাপদ করতে ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
আমি আশা করি, আমার এই আকুল আবেদনটি আপনার পত্রিকায় প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির পথ সুগম করবেন।
ধন্যবাদান্তে,
আদিব/আদিবা
মিরপুর, ঢাকা।
Related Question
View Allবৈশাখী মেলা
বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।
মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।
এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।
বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা নববর্ষের একটি উৎসব । নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মেলা বসে । এটি বৈশাখের প্রথম দিনে (মাসের) অনুষ্ঠিত হয় । মূলত বৈশাখী মেলার আয়োজন করে স্থানীয় লোকেরা । পহেলা বৈশাখ আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের বিভিন্নজায়গায় ছোট বড় অনেক স্থানে । মেলা শুরু করে স্থানীয় লোকেরা এই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা গুলো শুরু করে । এই মেলাগুলো এক সপ্তাহ কিংবা এক মাস ব্যাপী হয়ে থাকে । বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে । প্রতিবছর রমনার বটমূলে বসে এ মেলার প্রভাতি আসর । এছাড়া গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর, মন্দির প্রাঙ্গণে এ মেলা বসে । মানুষের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যায় । নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নানা ধরনের কুটিরশিল্প, খেলনাসহ হরেক রকম পণ্যের সমাহার ঘটে এ মেলায় । এছাড়াও থাকে যাত্রা, পুতুলনাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন । বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবারও পাওয়া যায় মেলায় । এমেলায় বসে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহি নানা খাবারের পশরা । হরেক রকমের মিষ্টি, বাতাসা, খই, মুড়ি, আচার সহ নানান রকম বাহারী বাঙ্গালী খাবার এ মেলার প্রধান আকর্ষন । এছাড়া রং-বেরঙের বেলুন আর বাঁশের বাঁশির সুর আর কচিকাচাদের কোলাহলে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গন । বৈশাখী মেলায় গিয়ে তালপাতার তৈরি হাতপাখা কেনেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম । লোহা ও কাঠের তৈরি সামগ্রীর মধ্যে দা, বঁটি, কাস্তে, ছুরি, খুন্তি, কোদাল, শাবল, পিঁড়ি, জলচৌকি, চেয়ার, টেবিল, খাট-পালঙ্ক ইত্যাদি পাওয়া যায় । বৈশাখি মেলা আনন্দের পাশাপাশি আমাদের জীবনের অনেক প্রয়োজন মেটায় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!