'Y' দেশে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান ব‍্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'Y' দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। 

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে। এসব বিষয়ে ব্যক্তি নিজেই সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অথচ উদ্দীপকের 'X' দেশে উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ব্যক্তিস্বাধীনতা নেই। আবার 'Y' দেশে ভোক্তা কোন দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে এ বিষয়ে সে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যা 'X' দেশের অর্থব্যবস্থার বিপরীত। এছাড়াও 'Y' দেশে উদ্যোগ গ্রহণের স্বাধীনতা, অবাধ প্রতিযোগিতা, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন প্রততি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। যা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত। অতএব নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, 'y' দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান।

113

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে ব্যবস্থা বা কাঠামোর আওতায় উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানা নির্ধারিত হয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া উৎপাদিত সম্পদের বণ্টন ও ভোগ প্রক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলি এবং অর্থনীতি বিষয়ক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।

2.6k
উত্তরঃ

পার্থের 'ক' দেশের অর্থব্যবস্থাটি হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা। 

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। তাই রাষ্ট্রই শ্রমিকের মজুরি প্রদান করে এবং উৎপাদনের অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করে। এর ফলে ধনতন্ত্রের মতো পুঁজিপতি কর্তৃক শ্রমিককে বঞ্চিত করার সুযোগ থাকে না। উদ্দীপকে পার্থ 'ক' রাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন সেদেশে ব্যক্তিগত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যায় না। পার্থের বাবা উক্ত 'ক' দেশে যে কারখানায় কাজ করতেন তার প্রাপ্য মজুরির একটি অংশ প্রয়োজন অনুসারে তাকে দেওয়া হতো। অতএব, পার্থের 'ক' দেশের অর্থব্যবস্থার ধরনটি হচ্ছে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা। এখানে শ্রমিকের মজুরি প্রদানের মূলনীতি হলো 'প্রত্যেকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবে এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে।' এ ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না। কারণ রাষ্ট্র প্রত্যেকের সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়। সকলের আয় এক নয়। কিন্তু কেউ উৎপাদনে তার অবদান অনুসারে প্রাপ্য আয় থেকে বঞ্চিত হয় না।

659
উত্তরঃ

পার্থ 'ক' দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন যেখানে ব্যক্তিগত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যায় না, যা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য এবং 'খ' দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বিদ্যমানু।

সাম্প্রতিককালে পার্থ 'খ' নামক দেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন এবং সেখানে তিনি এক লাখ ডলার খরচ করে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। তারপর তিনি তার আয় দিয়ে আরও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। অতএব, 'খ' নামক দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

নিচে এ দুটি অর্থব্যবস্থার পার্থক্য তুলে ধরা হলো-

ভিত্তি

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা

১. উৎপাদনের উপাদানসমূহের মালিকানাধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ যেমন-ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। এক্ষেত্রে সম্পদের কোনোরকম ব্যক্তিমালিকানা থাকে না।
২. উদ্যোগ গ্রহণধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যেকোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের সকল উদ্যোগ সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
৩. ভোক্তার স্বাধীনতাধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোগকারী কোন দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে তার সিদ্ধান্ত নিজেই গ্রহণ করে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোগকারীর নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই।
৪. শ্রমিক শোষণএ অর্থব্যবস্থায় শ্রমিকেরা প্রাপ্যের চেয়ে অনেক কম মজুরি পায়। তাই এখানে শ্রমিক শোষণ রয়েছেএখানে মুনাফার মধ্যে পুরোটাই রাষ্ট্র বা সরকারের মালিকানায়। তাই শ্রমিক শোষণের প্রশ্নই ওঠে না।
৫. নির্দেশনাধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের যেকোনো ক্ষেত্রে ব্যক্তি নির্দেশনা কার্যকর হয়। অর্থাৎ উদ্যোক্তা নিজেই নানা বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করে থাকে।সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি নির্দেশের কোনো ব্যবস্থাই নেই। এখানে উৎপাদনের যেকোনো বিষয়ে সায়কারিভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'ক' ও 'খ' দেশের অর্থব্যবস্থা অর্থাৎ সমাজতান্ত্রিক ও ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান।

523
উত্তরঃ

উৎপাদন কাজে ব্যবহারযোগ্য মানুষের শারীরিক ও মানসিক কর্মক্ষমতাকে শ্রম বলে।

1.4k
উত্তরঃ

জাতীয় সম্পদের প্রধানত ২টি উৎস। এর মধ্যে প্রথমটি হলো প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ। কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভিতরের ভূমি, ভূমির উপরিস্থিত এবং অভ্যন্তরস্থ যা কিছু আছে সবই প্রকৃতির দান। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বনের গাছপালা, ফলমূল, প্রাণী ও পাখিকুল, নদনদী ও প্রাকৃতিক জলাশয়ের মৎস্য সম্পদ, অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরস্থ পানি ও সকল প্রকারের খনিজ পদার্থ সবই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ।

619
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews