উদ্দীপকের 'Z' লি.-এর বিক্রয় বাড়ানোর জন্য সমন্বয়ের উত্তম তত্ত্বাবধান কৌশল গ্রহণ করা যেতে পারে।
উত্তম তত্ত্বাবধান বলতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃক স্বশরীরে উপস্থিত থেকে বাস্তবায়নকার্য দেখাশুনা বা সংশ্লিষ্টদের সাথে সরাসরি কথা বলে কাজের অগ্রগতি সম্বন্ধে খোঁজ-খবর গ্রহণ, প্রয়োজনে উপদেশ- পরামর্শ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনাদানকে বোঝায়। প্রতিষ্ঠানের নিচের দিকের ব্যবস্থাপকগণ স্বশরীরে কাজ তত্ত্বাবধান করতে পারলেও উপরস্থ কর্তাদের অধস্তনদের নিয়ে সভা অনুষ্ঠান বা অন্যভাবে কথাবার্তা বলে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে হয়। ঊর্ধ্বতন নির্বাহীর ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধান অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমন্বয়ে ভালো ফল দেয়। উত্তম তত্ত্বাবধায়নের মাধ্যমে কার্যক্ষেত্রে সমস্যা সহজে চিহ্নিত করা যায় এবং তদনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে উত্তম সমন্বয় ব্যবস্থা কার্যকর করা সম্ভব হয়।
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটিতে সাংগঠনিক চিত্র মোতাবেক বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিক্রয় বিভাগের প্রত্যেক AGM-এর অধীনে ২০ জন করে মার্কেটিং অফিসার আছে। কিন্তু ইদানীং তদারকির অভাবে বিক্রয় হ্রাস পাচ্ছে এবং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিক্রয় বিভাগ কাজ করতে পারছে না।
তাই উদ্দীপকের 'Z' লি.-এর বিক্রয় বাড়ানোর জন্য সমন্বয়ের উত্তম তত্ত্বাবধান কৌশল গ্রহণ করা যেতে পারে।
Related Question
View Allসংগঠন কাঠামোর উর্ধ্বতন এবং অধস্তনদের মধ্যে যে যোগাযোগ সংঘটিত হয় তাকে উল্লম্ব যোগাযোগ বলে।
লিখিতভাবে সংঘটিত যোগাযোগকে লিখিত যোগাযোগ বলে। এরূপ যোগাযোগ ভুল বুঝাবুঝির অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
যোগাযোগের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে লিখিত যোগাযোগ সর্বাধিক সঠিক ও নির্ভুল যোগাযোগ পদ্ধতি। এরূপ যোগাযোগ সংবাদের ভুল ব্যাখ্যা, পক্ষসমূহের মধ্যে সন্দেহ ও ভুল বুঝাবুঝির সম্ভাবনা দূর করে। তাই ভুল বুঝাবুঝির অবসানে লিখিত যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ।
উদ্দীপকে লিটনের যোগাযোগ আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
যে যোগাযোগ সংগঠন কর্তৃক প্রণীত নিয়ম-নীতি, রীতি-পদ্ধতি ইত্যাদি অনুসরণ করে সংঘটিত হয় তাকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বলে।
উদ্দীপকে লিটন একটা প্রাইভেট ফার্মের কর্মচারী। তিনি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-নীতি মেনে সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে উর্ধ্বতনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যেহেতু লিটন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ঊর্ধ্বতনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তাই বলা যায়, লিটনের যোগাযোগটি আনুষ্ঠানিকতার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
যান্ত্রিক যোগাযোগ উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানকে গতিশীল করেছেন'- উক্তিটি যথার্থ।
মৌখিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য, সংবাদ, ধারণা, মতামত ইত্যাদি দুই বা ততোধিক পক্ষের মাঝে বিনিময়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের যান্ত্রিক ও ইলেক্ট্রনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটেছে। বর্তমান যুগ হচ্ছে তথা প্রযুক্তির যুগ। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগেনি। যোগাযোগ ক্ষেত্রও এর বাইরে নয়। যোগাযোগের ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এখন সর্বাগ্রে। দূরালাপনি, বেতার, টেলিভিশন, ভিডিও কনফারেন্স, অডিও কনফারেন্স, ইন্টারনেট প্রভৃতি যোগাযোগ মাধ্যম যে তথ্য প্রযুক্তির ফলে সংঘটিত হয় তাকে যান্ত্রিক যোগাযোগ বলা হয়।
যোগাযোগের ক্ষেত্রে যান্ত্রিক যোগাযোগ একটি বড় আশীর্বাদ। এর মাধ্যমে যোগাযোগ প্রক্রিয়া সহজ হয়, ব্যয় হ্রাস পায় এবং যোগাযোগের গতি বাড়ে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফলাবর্তন নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রাপ্তির হাতিয়ার। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলাসহ ভিডিও দেখা যায় ফলে অনেক দূর হতেও কাজের তদারকি করা যায়। আজকাল সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের ফলে উর্ধ্বতনরা বিদেশ থেকেও স্নকল কাজ পর্যবেক্ষণ করাসহ যাবতীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। শুধু তাই নয় ঘরে বসেও অফিস পরিচালনা করা যায় এ যান্ত্রিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
উদ্দীপকে লিটন একটা প্রাইভেট ফার্মের কর্মচারী। প্রতিষ্ঠানটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের এজেন্টদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ করে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিদেশি ব্যবসায়ীদের সাথে ইন্টারনেটে যোগাযোগ করে। ফলে যেকোনো ধরনের তথ্য অতি দ্রুত পাওয়া যায়। এ ধরনের যান্ত্রিক যোগাযোগের ফলে উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানিটি দ্রুত তাদের যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে। তথ্য প্রাপ্তি ও প্রদানে যান্ত্রিক যোগাযোগের ভূমিকা অতি দ্রুততম ও গতিশীল। এর ফলে দ্রুত প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়িক সাফল্য লাভ করছে। তাই বলা যায়, 'যান্ত্রিক যোগাযোগ উদ্দীপকের - প্রতিষ্ঠানকে গতিশীল করেছে'- উক্তিটি যথার্থ।
এক কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেটের মধ্য দিয়ে অন্য কম্পিউটারে যোগাযোগ করাকে ই-মেইল বলে।
ভিডিও কনফারেন্সিং হলো এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে টেলিভিশন বা মনিটরের পর্দায় কনফারেন্স বা মিটিংয়ে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিগণ পরস্পরে মুখোমুখি হয় ও কথোপকথনে অংশগ্রহণ করে।
টেলিকনফারেন্সিংয়ের একটি প্রক্রিয়া হলো ভিডিও কনফারেন্সিং। এজন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট আবশ্যক। এ ব্যবস্থায় মনিটরের পর্দায় গ্রাহক ও প্রেরক পরস্পরকে দেখতে ও কথা বলতে পারেন। দেশে এবং বিদেশেও এ প্রক্রিয়ায় একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এ জাতীয় যোগাযোগ তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!