সংক্ষিপ্ত- প্রশ্নোত্তর সমাধান
করণিক ভুল ৪ প্রকার। যথা- (১) বাদ পড়ার ভুল, (২) লেখার ভুল, (৩) বেদাখিলার ভুল, (৪) পরিপূরক ভুল।
ব্যবসায়ের লাভ ক্ষতি ও আর্থিক অবস্থা নির্ণয়ের পূর্বে লিপিবদ্ধকৃত হিসাবের নির্ভুলতা যাচাই করা একান্ত প্রয়োজন। গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই না করেই যদি আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা হয়, তবে প্রস্তুতকৃত বিবরণী সঠিক তথ্য না-ও প্রকাশ করতে পারে। হিসাব সংরক্ষণে যে সকল ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তা সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করে খতিয়ানের উদ্বৃত্ত দ্বারা রেওয়ামিল প্রস্তুত করা হয়। খতিয়ানের ডেবিট উদ্বৃত্তসমূহের যোগফল ক্রেডিট উদ্বৃত্তসমূহের যোগফলের সমান হলে ধরে নেয়া হয় হিসাব গাণিতিকভাবে নির্ভুল হয়েছে। রেওয়ামিল প্রস্তুতের ফলে সহজেই ভুল উদ্ঘাটিত হয় এবং ভুল সংশোধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-
- হিসাবের উদ্বৃত্ত দিয়ে যথাযথ ছকে রেওয়ামিল প্রস্তুত করে হিসাবের গাণিতিক নির্ভুলতা পরীক্ষা করতে পারব।
- হিসাব লিখনের ভুলগুলোর মধ্যে কোন ভুলগুলো রেওয়ামিলের গরমিল ঘটাবে এবং কোন ভুলগুলো গরমিল ঘটাবে না, তা শনাক্ত করতে পারব।
- অনিশ্চিত হিসাবের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- অনিশ্চিত হিসাব খুলে সাময়িকভাবে রেওয়ামিলের উভয় দিকে মেলাতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!