নিচের অনুচ্ছেদটি পড় এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও :
ভাষা লেখা ও পড়ার জন্য কিছু চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এই চিহ্ন ব্যবহারের ফলে বাংলা ভাষা পড়তে ও লিখতে সুবিধা হয়। এই চিহ্নগুলোকে যতি বা ছেদচিহ্ন বলে। এই যতিচিহ্নগুলোর বিভিন্ন বিরতি কাল রয়েছে।
যতিচিহ্ন বারোটি।
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
১. দিনের বেলা সোনার থালার মতো সূর্য তার কিরণ ছড়ায় চারপাশে। এমনি সময়ে সচরাচর আকাশ নীল। কখনো সাদা বা কালো মেঘে ঢেকে যায়। ভোরে বা সন্ধ্যায় আকাশের কোনো কোনো অংশে নামে রঙের বন্যা। কখনো-বা সারা আকাশ ভেসে যায় লাল আলোয়। রাতের আকাশ সচরাচর কালো হয়, কিন্তু সেই কালো চাঁদোয়ার গায়ে জ্বলতে থাকে রুপালি চাঁদ আর অসংখ্য ঝকঝকে তারা ও গ্রহ।
ক. দিনের বেলা আকাশের রং কেমন থাকে?
খ. রাতের বেলা আকাশে চাঁদ ও তারা দেখা যায় কেন?
গ. দিন ও রাতে আকাশে রঙের যে পার্থক্য দেখা যায় তা লেখ।
ঘ. তোমার দেখা আকাশের সঙ্গে অনুচ্ছেদের আকাশের মিল কোথায়?
ঙ. খালি চোখে দেখা আকাশ আর অনুচ্ছেদে বর্ণিত আকাশ কি একই? ব্যাখ্যা কর।
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
২. কলকাতার এক নোংরা বস্তিতে মাদার তেরেসা প্রথম স্কুল খুললেন। বেঞ্চ-টেবিল কিছু নেই, মাটিতে দাগ কেটে শিশুদের শেখাতে লাগলেন বর্ণমালা। অসুস্থদের সেবার জন্য খুললেন চিকিৎসাকেন্দ্র। ধীরে-ধীরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অনেক মানুষ। মাদার তেরেসার কাজের পরিধি ক্রমাগত বেড়ে চলল। তাঁর সঙ্গে যোগ দিলেন আরও অনেকে। তাঁদের নিয়ে তিনি গড়লেন মানবসেবার সংঘ 'মিশনারিজ অভ চ্যারিটি'।
ক. মাদার তেরেসার গঠিত সংঘটির নাম কী?
খ. মাদার তেরেসাকে কেন মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল?
গ. মাদার তেরেসা কীভাবে মানবসেবায় এগিয়ে আসলেন? সংক্ষেপে বুঝিয়ে দাও।
ঘ. 'মানবসেবার জন্য অর্থের দরকার নাই, দরকার সদিচ্ছা'- উক্তিটি বুঝিয়ে দাও।
ঙ. মাদার তেরেসার এই কাজ কী নামে অভিহিত করা যায়?
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
৩. রাজার দল এখন আর নেই। গুপ্ত-খড়গ, পাল-সেন, পাঠান-মুঘল, কোম্পানি-রানি এদের কাল শেষ হয়েছে। আজকের দুই কবিও হয়তো দুই প্রান্তে বসে কবিতা লিখছেন। একজন লিখছেন সমৃদ্ধির কথা, বিলাসের কথা, আনন্দের কথা; আরেকজন ছবি আঁকছেন নিদারুণ অভাবের, জ্বালাময় দারিদ্র্যের, অপরিসীম বেদনার।
ক. কীসের দল এখন আর নেই?
খ. কাদের দিন শেষ হয়েছে? কেন?
গ. দুই কবির মিল কোন দিক থেকে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. 'দুই কবির মধ্যে মিল থাকা সত্ত্বেও বিস্তর ব্যবধান।'- বুঝিয়ে দাও।
ঙ. দ্বিতীয় কবির ভাবনা একটি উদহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দাও।
Related Question
View Allসচরাচর দিনের বেলা খোলা আকাশের রং নীল দেখা যায়।
রাতের বেলা আকাশের কালো রঙের উপর রূপালি রং ভালো ফোটে; তাই রুপালি চাঁদ আর ঝকঝকে অসংখ্য তারা দেখা যায়।
দিন ও রাতে আকাশে রঙে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। দিনের বেলা সাধারণত আকাশ নীল দেখায়। বর্ষাকালে আকাশ ধূসর মেঘে ছেয়ে থাকে। আবার শরৎকালে সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়। ভোরে ও সন্ধ্যায় সোনালি রঙের বন্যা। অন্যদিকে রাতের আকাশ কালো দেখা যায়। কালো আকাশে ওঠে রুপালি চাঁদ আর অসংখ্য রূপালি তারা।
আমার দেখা আকাশের সঙ্গে অনুচ্ছেদের আকাশের মিল বেশি, অনেক।
ঘুম থেকে উঠেই আমি দেখি সোনালি রোদ ছড়িয়ে আছে পুব আকাশে। আকাশ নীল। মাঝে মাঝে সাদা মেঘের ভেলা। বিকেলেই হঠাৎ দেখি আকাশজুড়ে পাংশু আর কালো মেঘ ছড়ানো। আবার সন্ধ্যার পর দেখি কালো আকাশজুড়ে রুপালি চাঁদ আর অসংখ্য জ্বলজ্বলে রুপোর মতো তারার মেলা।
হ্যাঁ, খালি চোখে দেখা আকাশ আর অনুচ্ছেদে বর্ণিত আকাশ একই। অনুচ্ছেদের দিনের বেলার এবং রাতের বেলার আকাশের রূপ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলার সূর্যের কিরণ ও আকাশের নীল রং খালি চোখে দেখা যায়। আবার রাতের কালো আকাশের রূপালি চাঁদ ও ঝকঝকে গ্রহ, তারা সবই খালি চোখে দেখা যায়।
মাদার তেরেসার গঠিত সংঘটির নাম 'মিশনারিজ অব চ্যারিটি'।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!