সহিফা কাকে বলে? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ছোট আসমানি কিতাবকে সহিফা বলে।

Md Durjoy islam
7 months ago
147

পরিচয়
ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ার জন্য সর্বপ্রথম মৌলিক কতিপয় বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। যেমন- আল্লাহ তায়ালা, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত ইত্যাদির উপর বিশ্বাস স্থাপন করা । ইসলামের এরূপ মৌলিক বিষয়গুলোর উপর বিশ্বাসকে আকাইদ বলা হয় । আকাইদ শব্দটি বহুবচন । একবচনে ‘আকিদাহ’ যার অর্থ বিশ্বাস। আকাইদের বিষয়গুলোর প্রতি বিশ্বাস করতে হবে। এর কোনো একটিকে অবিশ্বাস করলে কেউ মুসলিম হতে পারে না । অতএব, আকাইদ হলো ইসলামের প্রধান ভিত্তি ।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

■ ইমানের পরিচয় ও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।

■ ইমানের প্রধান সাতটি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।

■ ইসলামের মৌলিক বিষয়ের প্রতি অটল বিশ্বাস (ইমান) স্থাপন ও অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ হব।

■ নিফাকের (কপটতা) পরিচয় ও এর কুফল ব্যাখ্যা করতে পারব এবং নিফাক পরিহার করার উপায় বর্ণনা করতে পারব।

■ কপটতামূলক আচরণ পরিহার করে চলতে আগ্রহী হব।

■ আল্লাহ তায়ালার কতিপয় গুণবাচক নামের অর্থ ব্যাখ্যা করতে পারব।

■ মহান আল্লাহর গুণবাচক নামে বিধৃত গুণ নিজ আচরণে প্রতিফলন ঘটাবো। 

■ রিসালাতের অর্থ, নবি-রাসুলের সংখ্যা, নবি-রাসুলের পার্থক্য ও তাৎপর্য বর্ণনা করতে পারব।

■ নবুয়ত ও রিসালাতের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে পারব।

■ খতমে নবুয়তের পরিচয়, তাৎপর্য ও প্রমাণ ব্যাখ্যা করতে পারব।

■ আখিরাত ও কিয়ামত সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।

■ শাফাআতের পরিচয় ও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব।

■ জান্নাতের পরিচয় ও তা লাভের উপায় বর্ণনা করতে পারব । জাহান্নামের পরিচয় ও স্বরূপ এবং জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার উপায় বর্ণনা করতে পারব।

■ নৈতিক চরিত্র গঠনে ইমানের ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফেরেশতাদের প্রতি বিশ্বাস বলতে বোঝায় আল্লাহর বিশেষ সৃষ্টি। তাঁরা নুরের তৈরি। তাঁরা সদাসর্বদা আল্লাহর যিকির ও তাসবিহ পাঠে রত, আল্লাহ যা তাদের হুকুম করেন, তাঁরা তাই বিনা বাক্য ব্যয়ে সম্পাদন করেন। ফেরেশতাগণ নারী ও পুরুষ কোনোটাই নন। তাঁদের দেখা যায় না। আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁরা যেকোনো আকৃতি ধারণ করতে পারেন। তাদের আহার নিদ্রার প্রয়োজন হয় না। তাঁরা অগণিত। ফেরেশতাগণের মধ্যে ৪ জন হলেন প্রসিদ্ধ।

Md Durjoy islam
7 months ago
159
উত্তরঃ

জায়েদের কর্মকান্ডকে ইমান হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

ইমানের জন্য ৭টি মৌলিক বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করতে হয় এবং মুখে তার স্বীকৃতি দিতে হয়। পাশাপাশি বিশ্বাস ও স্বীকৃতি অনুসারে আমল করার চেষ্টা করতে হয়। ইমানের মৌলিক বিষয়গুলোকে কেউ যদি শুধু অন্তরে বিশ্বাস করে কিন্তু মুখে স্বীকার না করে, তবে সে প্রকৃত ইমানদার হতে পারবে না। আবার মুখে স্বীকৃতি দিয়ে অন্তরে বিশ্বাস না করলেও ইমানদার হতে পারবে না। বস্তুত আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি ও তদনুযায়ী আমলের সমষ্টিই হলো প্রকৃত ইমান। জায়েদ আল্লাহ, রাসুল, ফেরেশতা, আখিরাত, তাকদির, পুনরুত্থান ইত্যাদি বিষয়কে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে এবং মুখে স্বীকার করে। সে তার বিশ্বাস অনুসারে আমল করতে যথাসম্ভব চেষ্টা করে। সুতরাং জায়েদের কর্মকাণ্ডে প্রকৃত ইমানদারের পরিচয় ফুটে উঠেছে। তাই তার কর্মকাণ্ডকে ইমান হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

Md Durjoy islam
7 months ago
106
উত্তরঃ

নয়নের কর্মকান্ডের পরিণতি নিশ্চয়ই খারাপ" বক্তব্যটি যথার্থ।

উদ্দীপকে উল্লিখিত নয়নের কর্মকান্ডে মুনাফিকি প্রকাশ পেয়েছে। মুনাফিকদের পরিণতি সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিশ্চয় মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্নস্তরে" (সূরা আন-নিসা: ১৪৫) পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, যখন মুনাফিকরা ইমানদারদের সাথে মিলিত হয় তখন বলে, আমরা ইমান এনেছি। যখন তারা গোপনে তাদের শয়তানদের সাথে মিলিত হয় তখন বলে, আমরা তো তোমাদের সাথেই আছি, আমরা তাদের সাথে শুধু ঠাট্টা-তামাশা করে থাকি। (সূরা আল-বাকারা: ১৪) কুরআনে বর্ণিত এ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সাথে নয়নের কর্মকান্ডের পুরো মিল রয়েছে। আর এজন্যই সে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে। এছাড়া পৃথিবীতে নিফাকি জঘন্য পাপ হিসেবে গণদ হয়। এটা মানুষের চরিত্র ধ্বংস করে ফেলে। নিফাকের ফলে মানুষ অন্যায় ও অশ্লীল কাজে অভ্যস্ত হয়ে যায়। ফলে মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিনষ্ট হয়। এটি মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দেহের সৃষ্টি করে। ফলে সমাজে মারামারি ও অশান্তির সৃষ্টি হয়।

উদ্দীপকের নয়ন জায়েদের সাথে ইমানদার সুলভ আচরণ করে কিন্তু তার অন্য ধর্মাবলম্বী বন্ধুদের সাথে থাকাকালীন তাদেরকে বলে, আমি তোদের ধর্মকেই বিশ্বাস করি। জায়েদের সাথে সালাত আদায় করি ওকে খুশি করার জন্য।
সুতরাং নয়নের কর্মকান্ডে নিফাকি প্রকাশ পেয়েছে। আর নিফাকির শাস্তি হলো জাহান্নাম। নিফাকির কারণে মুনাফিকরা জাহান্নামের সর্ব নিম্নস্তরে থাকবে। তাই উদ্দীপকে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
7 months ago
76
উত্তরঃ

তাকদির অর্থ ভাগ্য। তাকদির আল্লাহ তায়ালা থেকে নির্ধারিত। ভালোমন্দ যা কিছু হয় সবই আল্লাহ তায়ালার হুকুমে হয়। এ বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করাকে তাকদিরে বিশ্বাস বলা হয়।

Md Durjoy islam
7 months ago
85
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews