চালের পুষ্টিমূল্য- চাল বাংলাদেশের প্রধান শস্যজাতীয় খাদ্য। আমাদের দেশে প্রধানত সিদ্ধ ও আতপ এই দুই ধরনের চাল ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ঢেঁকিছাঁটা চাল ও কলে ছাঁটা চাল। যেকোনো চালে প্রায় সমপরিমাণ খাদ্য শক্তি থাকে। চাল কার্বোহাইড্রেটের প্রধান উৎস।

| প্রধান পুষ্টি উপাদান | অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পুষ্টি উপাদান |
| কার্বোহাইড্রেট | প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন ও নায়াসিন |
ঢেঁকিছাঁটা সিদ্ধ চালে প্রোটিন কিছুটা বেশি থাকে। ভাত রান্নার সময় মাড় ফেলে দিলে অনেক মূল্যবান পুষ্টি উপাদান চলে যায়। তাই মাড় না ফেলে বসাভাত রান্না করা উচিত। চাল ছাড়াও ধান দিয়ে চিড়া, মুড়ি, খই হয়। এসব খাবারের পুষ্টিমূল্য প্রায় চালের মতো।
| কাজ- ১ কীভাবে ভাত রান্না করলে পুষ্টিমূল্য বজায় থাকবে? |
গমের পুষ্টিমূল্য- চালের পর আমাদের বাংলাদেশের দ্বিতীয় শস্যজাতীয় খাদ্য হলো গম। গম থেকে আমরা আটা, ময়দা ও সুজি পাই। ময়দার চাইতে আটা ও সুজির পুষ্টিমূল্য বেশি। গম ভাঙানোর সময় গমের বাইরের আবরণ ভূসি হয়ে বেরিয়ে যায়।
গম থেকে চালের প্রায় কাছাকাছি পরিমাণ খাদ্যশক্তি পাওয়া যায় এবং চালের চাইতে বেশি পরিমাণে প্রোটিন থাকে। গম দিয়ে তৈরি সকল খাদ্য থেকে প্রায় সমপরিমাণ খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়। ভুসি ও ময়দার চাইতে আটাতে প্রোটিন কিছুটা বেশি থাকে।

একনজরে গমের পুষ্টিমূল্য
| প্রধান পুষ্টি উপাদান | অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পুষ্টি উপাদান |
| কার্বোহাইড্রেট | প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নায়াসিন, ভিটামিন ই |
আজকাল বাজারে দুই ধরনের আটা পাওয়া যায়- সাদা আটা ও লাল আটা। সাদা আটায় গমের উপরের
আবরণ থাকে না। আর লাল আটায় গমের উপরের আবরণ থাকে। স্বাস্থ্যের জন্য লাল আটা উপকারী।
| কাজ- ২ গমের তৈরি বিভিন্ন খাদ্যের নাম লেখো এবং খাদ্যের পুষ্টিমূল্য বর্ণনা করো। |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
গৃহিনী শিমু সব সময় মাড় ফেলে ভাত রান্না করে। তার মা বললেন এভাবে বেশি দিন রান্না করলে শরীরে পুষ্টি চাহিদার ঘাটতি দেখা দিবে। তাই তিনি অন্য পদ্ধতিতে ভাত রান্না করতে বললেন।