ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে দুটি বিষয় বিশেষভাবে খেয়াল করতে হয়। এগুলো হলো ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণস্থান ও উচ্চারণরীতি। যে বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তা-ই উচ্চারণস্থান। উচ্চারণরীতি বলতে কীভাবে ধ্বনিটি উচ্চারণ করা হয় তাকে বোঝায়। অর্থাৎ ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখের মধ্যে বিভিন্ন প্রত্যঙ্গে কীভাবে বাধা পায় সে-সম্পর্কিত ধারণা স্পষ্ট না হলে ধ্বনির প্রকৃত উচ্চারণ সম্ভব নয়। উচ্চারণরীতি আমাদের সে-ধারণা দান করে।
Content added By
Read more