লেখক-পরিচিতি

একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি - বাংলা - সাহিত্যপাঠ | NCTB BOOK
1.9k
Summary

সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর আসামের করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস বৃহত্তর সিলেট। তিনি শান্তিনিকেতনে শিক্ষা গ্রহণের পর ১৯২৬ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন। আফগানিস্তানের কাবুলে কৃষিবিদ্যা কলেজে অধ্যাপনা করেন এবং বিভিন্ন ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। রবীন্দ্রসাহিত্যের প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল এবং তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে জানার ব্যাপকতা ছিল। তাঁর রচনাগুলোর মধ্যে কৌতুক ও ব্যঙ্গ প্রাধান্য পায়। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো: 'দেশে বিদেশে', 'পঞ্চতন্ত্র', 'চাচাকাহিনি', 'শবনম', 'কত না অশ্রুজল'। তিনি ১৯৭৪ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।


সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল আসামের করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস বৃহত্তর সিলেট জেলায়। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ সিকান্দার আলী। মুজতবা আলীর শিক্ষাজীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে শান্তিনিকেতনে। তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
আফগানিস্তানের কাবুলে কৃষিবিজ্ঞান কলেজে কিছুকাল অধ্যাপনা করেন তিনি । এছাড়াও দেশে-বিদেশে বহুস্থানে তিনি কর্মসূত্রে গমন করেছেন। আরবি, ফারসি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মানসহ বিভিন্ন ভাষায় তাঁর দক্ষতা ছিল। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রসাহিত্যের বিশেষ অনুরাগী। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে তাঁর ছিল বিশেষ পাণ্ডিত্য। সাহিত্যিক রসবোধ সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনার মুখ্য প্রবণতা । তাঁর রচনায় বিচিত্র জীবনপ্রবাহের নানা অনুষঙ্গ কৌতুক ও ব্যঙ্গে রসাবৃত হয়ে উপস্থাপিত হয়। সৈয়দ মুজতবা আলীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে : 'দেশে বিদেশে', ‘পঞ্চতন্ত্র’,
‘চাচাকাহিনি’, ‘শবনম', ‘কত না অশ্রুজল' প্রভৃতি। সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...