ষষ্ঠ শ্রেণি স্বরবর্ণ গাইড ও নোট (২.৪.১)

Class 6 Guide & Notes
480

বাংলা স্বরবর্ণ ১১টি। এগুলো হলো:
অ আ ই ঈ
উ উ ঋ
এ ঐ ও ঔ

এগুলোর কয়েকটি ধ্বনি নয়। আমরা আগেই বলেছি যে, বাংলায় কোনো দীর্ঘস্বর নেই। সে-হিসেবে ঈ, ঊ ধ্বনি নয়। একই কথা খাটে ঋ, ঐ, ঔ-এর বেলায়। ঋ বললে দুটি ধ্বনির উচ্চারণ আসে র্ + ই (রি); অনুরূপভাবে ঐ-তে আসে ও ই এবং ঔ-তে আসে ও উ। এগুলোকে বলা যায় দ্বৈতবর্ণ (degraph)। ঋ-তে একটি ব্যঞ্জন ও একটি স্বর এবং ঐ, ঔ-তে দুটি করে স্বর আছে। এসব বর্ণ ধ্বনির প্রতিনিধিত্ব না-করার কারণ কী? উত্তর খুব সহজ। ভাষা যেমন মানুষ একদিনে অর্জন করতে পারেনি, ভাষাকে লিখিত আকারে ধরে রাখার কৌশল আয়ত্ত করতেও মানুষের অনেক সময় লেগেছে। লেখার প্রয়োজনে একটি ধ্বনি বোঝানোর জন্য একাধিক বর্ণ উদ্ভাবন ও ব্যবহার করতে হয়েছে। তারপর দীর্ঘকাল ব্যবহারের মাধ্যমে লিখনব্যবস্থার সংস্কার করতে হয়েছে। বিশ্বে কোনো ভাষাতে ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে এক-এক বা সুষম সম্পর্ক নেই। আমরা যা বলি, লিখিত ভাষায় তা সেভাবে লেখা হয় না। আমাদের ভাষার অনেক শব্দ ও ভাষিক উপাদান সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। এগুলোর পরিচয় যেমন ভিন্ন, তেমনি লেখার ব্যবস্থাও পৃথক। লেখার এ-বিধি এখনো পরিবর্তন করা যায়নি। তা সম্ভবও নয়। ইংরেজি, লাতিন গ্রিক, জার্মান ইত্যাদি ভাষার শব্দ ও ভাষিক উপাদান রয়েছে। ইংরেজিভাষীরা লিখনপদ্ধতি শেখার সময় সেগুলো মূল ভাষার বানানসহই শেখে এবং সেভাবে লেখে। আমাদেরও এগুলো জানতে হবে, শিখতে হবে সংস্কৃত শব্দগুলো এবং সেসব শব্দ লেখার নিয়মনীতি। (বাংলা বানান অংশে এ-সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে)

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Read more

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...