2024 সালের এসএসসি বাংলা ১ম পত্র ময়মনসিংহ বোর্ড CQ (সৃজনশীল) প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
বোর্ড পরীক্ষায় সৃজনশীল বা CQ (সৃজনশীল) অংশে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার মূল শর্ত হলো উত্তরের মান এবং সঠিক উপস্থাপন। আপনি যদি 2024 সালের এসএসসি পরীক্ষার ময়মনসিংহ বোর্ড (Mymensingh Board) বোর্ডের বাংলা ১ম পত্র বিষয়ের স্ট্যান্ডার্ড এবং নির্ভুল সমাধান খুঁজে থাকেন, তবে স্যাট একাডেমি আপনাকে দিচ্ছে বোর্ড স্ট্যান্ডার্ড উত্তরের এক বিশাল ভাণ্ডার।
বিধবা আম্বিয়া বেগম অবসরের সমস্ত টাকা ব্যয় করে দুই পুত্র ও এক কন্যাকে লেখাপড়া শিখিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলেরা পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকে। তাদের সুখের কথা চিন্তা করে তিনি খুব আনন্দ পান, যদিও তাঁর দেখাশোনার মত কেউ নেই। পুত্রদের সংবাদ দিলেও চাকরি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় আসতে পারে না। এক সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন আম্বিয়া বেগম। অবস্থা খারাপ হলে প্রতিবেশী দিনমজুর জবেদ আলির ছেলে আশিক তাকে দেখতে আসে। সবকথা শুনে আশিক তাঁর অনেক প্রশংসা করে। সে বলে "আপনার মতো মা ঘরে ঘরে দরকার।"
পেশা তার দর্জিগিরি কিন্তু নেশা তার বইপড়া। বাল্যকালে পিতা মারা যাওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির পর আর পড়তে পারেনি কাশেম মিয়া। তবে বইপড়ার নেশা থেকেই বাড়ির পাশে প্রায় দুই হাজার বই নিয়ে গড়ে তুলেছে 'স্বপ্ন গড়ি লাইব্রেরি'। গ্রামের ছোট- বড় সবাই সেখানে জ্ঞানচর্চা করে। শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বইও পড়ে। কিন্তু ব্যবসায়ী মামুন মোল্যা তার সন্তানকে ঐ লাইব্রেরিতে যেতে নিষেধ করে বলেন, "তোমার এতো জ্ঞান অর্জনের দরকার নেই, বাসায় প্রাইভেট শিক্ষক রেখেছি। তাঁর কাছে পড়ে (এ+) অর্জন করো।"
লিজা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তাদের বাড়িতে তার সমবয়সী লতিফা নামে একটি কাজের মেয়ে থাকে। অভাবের তাড়নায় সে এ বাড়িতে কাজে এসেছে। লিজা তার সাথে খেলাধুলা ও গল্প করতে চায়। কিন্তু লিজার মা ওদের দুজনের একসাথে দেখলেই বকা দেয়। লিজা ওর মায়ের অনুপস্থিতিতে লতিফার সাথে কখনো কখনো পুতুল খেলে, টিভি দেখে। কিন্তু লতিফা লিজার সাথে মিশতে ভয় পায় কারণ লিজার মা যদি দেখে ফেলে।
তপুর বয়স ছয় বছর। সে রাত হলেও ঘুমাতে চায় না। তপুর মা সুরাইয়া বেগম চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শাশুড়িকে বলেন, "মা আপনি তপুকে একটু ঘুম পাড়ান, আমি জি-বাংলার সিরিয়ালটা দেখে আসি।" তপুর দাদি বলেন, "আস দাদুভাই, তোমাকে ডালিম কুমারের গল্প বলি।" কিন্তু তপু বলে, "না, আমি ডরিমন কার্টুন দেখবো।" দাদি ভাবেন আমাদের অতীত জীবনের গল্পগুলো যদি বাঁচিয়ে রাখা যেত তাহলে কতইনা ভালো হতো। তিনি আফসোস করে বলেন, "কী যুগ আইলোরে, জি-বাংলা আর ডরিমন সব খাইলো রে!"
লুনা লেখাপড়া করার জন্য আমেরিকায় যায়। সাত বছর পর দেশে ফিরে তার দেশের মানুষ আর মানুষের ভাষা তেমন একটা ভালো লাগে না। লুনা বলে বাংলা দিয়ে পৃথিবীর কোথাও কিছু করা যায় না। কথায় কথায় ইংরেজি বলে আর বাংলা ভাষার প্রতি অবজ্ঞার ভাব প্রকাশ করে। তার আচরণে স্কুল শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তিনি বলেন, "এ ভাষার জন্যই মানুষ জীবন দিয়েছেন। এ ভাষায় কবি গেয়ে উঠেন "মোদের গরব মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা।"
জমিলা বেগম মুক্তিযুদ্ধে স্বামী, সন্তান হারিয়ে দুঃখের সাগরে আজ ভাসছে। তিনি দেখেছেন, নদীতে, রাস্তা-ঘাটে, বন-জঙ্গলে অসংখ্য লাশ। মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পাড়ি দিয়েছে দূর-দুরান্তের পথ। অথচ একমাত্র সন্তান জীবন দিয়ে তাকে উপহার দিয়েছেন স্বাধীন মানচিত্র। তাই তো জমিলার চোখে আটকে থাকে লাল-সবুজ পতাকা।
বাদশা বাবর কাঁদিয়া ফিরিছে, নিদ নাহি চোখে তাঁর-
পুত্র তাঁহার হুমায়ুন বুঝি বাঁচে না এবার আর!
চারিধারে তার ঘনায়ে আসিছে মরণ-অন্ধকার।
রাজ্যের যত বিজ্ঞ হেকিম কবিরাজ দরবেশ
এসেছে সবাই, দিতেছে বসিয়া ব্যবস্থা সবিশেষ,
সেবাযত্নের বিধিবিধানের ত্রুটি নাহি এক লেশ।
আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার ও ভালো রেজাল্টের পথে স্যাট একাডেমি আপনার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ৬০ লক্ষ শিক্ষার্থীর এই পরিবারে যুক্ত হয়ে আজই আপনার প্রস্তুতিকে করুন আধুনিক এবং স্মার্ট।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?