Mathew Arnold (1822-1868)

- English - English Literature | NCTB BOOK
1.5k
Portrait, c. 1883

Mathew Arnold(1822-1868)

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :

  1. Mathew Arnold ছিলেন Victorian যুগের অন্যতম একজন শ্রেষ্ঠ Poet (কবি) Critic (সমালোচক)।
  2. তিনি Classical Literature পড়াশুনা করে চমৎকারিত্ব দেখান এবং Newdigate Prize লাভ করেন।
  3. তিনি the inspector of School হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।
  4. এছাড়াও তিনি Oxford University-তে ৫ বছরের জন্য A Professor of Poetry হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন যা পরবর্তীতে আরো ৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।
  5. তার ভাই কানার্কের মৃত্যুতে লিখিত Elegy``Heine`s Grave"
  6. Charlotte Bronte এর মৃত্যুতে রচিত তার Elegy হলো “Howarth's Churchyard”
  7. ক্লাফের মৃত্যুতে রচিত তার Elegy হলো “Thyrsis”
  8. Arnold তার বাবার মৃত্যুতে লিখেছিলেন "Rugby Chapel" শোককবিতা (Elgy).
  9. "The Scholar Gipsy", "Dover Beach", "Thyrsis" এগুলো হলো তার বিখ্যাত কবিতা।
  10. তার সাহিত্য সমালোচনামূলক বিখ্যাত গ্রন্থ হলো The study of poetry.
  11. The Study of Poetry বইয়ের কয়েকটি বিখ্যাত লাইন হলো- (a) Poetry is at bottom a criticism of life. (b) Even science will appear incomplete without poetry.

Mathew's Major Poems :

  1. The Forsaken Merman
  2. The Scholar Gipsy
  3. Dover Beach
  4. Rugby Chapel Thyris
  5. His literary criticism: The Study of Poetry

Thyrsis কবিতার সারসংক্ষেপ :

কবি ম্যাথু আর্নল্ড তাঁর "Thyrsis" কবিতাটি তাঁর অকাল প্রয়াত বন্ধু ও সহপাঠী আর্থার ক্লোগ এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচনা করেছেন। আর্থার ক্লোগ ছিলেন তাঁর অক্সফোর্ডের সহপাঠী। সে সময়ে অক্সফোর্ডের আশপাশের এলাকাগুলোতে ছিল গ্রাম্য পরিবেশ। প্রকৃতির অফুরন্ত সম্ভার ছড়ানো ছিল চারপাশে। পাশে টেমস নদী-বনাঞ্চল, ছোট ছোট গ্রাম আর একটি পাহাড়। এসব জায়গাগুলোতে কবি তাঁর এই বন্ধুকে নিয়ে নিয়মিত বেড়াতে যেতেন। উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘুরে বেড়াতে গিয়ে লক্ষ্য করেন তাঁর চির পরিচিত সেই প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো আর নেই। নগরায়ণের চাপে সেগুলো যেন কোথায় হারিয়ে গেছে, কিন্তু তাঁর বন্ধুর স্মৃতি যেন আজও ঘিরে রেখেছে এই স্থানগুলো। কবি এই জায়গায় পরিভ্রমণ করতে করতে স্মরণ করেছেন তাঁর প্রয়াত বন্ধুর কথা। কবি মনে করেন তাঁর বন্ধু যেন আজও এই অবাধ প্রকৃতির মাঝে বেঁচে আছে, কবি আজও তাই পাহাড়ে, উপত্যকায়, টেমস নদীতীরে, এলম বৃক্ষের তলায় বন্ধুকে খুঁজে ফেরেন। বন্ধুর প্রতি তাঁর এই অগাধ ভালোবাসার চিত্রটিই যেন অসাধারণ মহিমায় প্রকাশ পেয়েছে 'থাইরসিস' কবিতায়।

Dover Beach কবিতার সারসংক্ষেপ :

কবি ম্যাথু আর্নল্ড তাঁর 'Dover Beach' কবিতায় সমুদ্রের শান্ত নির্মল পরিবেশকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। তবে 'ডোভার বিচ' কবিতায় কবি সমুদ্রের শান্ত নির্মল, চন্দ্রলোকিত সমুদ্রতটের প্রাকৃতিক অসাধারণ সৌন্দর্যের মাঝে নিজেকে পুরোপুরি মেশাতে পারেননি। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে কঠিন বাস্তবের আঘাত। বাস্তব জগতের সাথে তাঁর চিন্তা চেতনার জগতের বিরুদ্ধতা। সমুদ্র তটে বটে বসে জ্যোৎস্নালোকিত সমুদ্রের সৌন্দর্য অবলোকন করতে গিয়ে তাঁর মাঝে বার বার কঠিন জীবন যাত্রা, এবং বাস্তবের রূঢ় দিকগুলো হানা দিয়েছে। তিনি বুঝতে পেরেছেন, কোথাও নির্মল আনন্দ আর শান্তি নেই, কোথাও তিনি শুনতে পান না অভয় বাণী, দেখতে পান না আশার আলো। পুরো পৃথিবীটা যেন ছেয়ে গেছে গভীর অন্ধকারে, আর এই অন্ধকারেই হানাহানি চলছে মানুষের, যে কারণে আমরা তাঁর এ কবিতায় সমুদ্রের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যের মাঝেও হতাশার সুর লক্ষ্য করি।

The Scholar Gypsy কবিতার সারসংক্ষেপ :

বিখ্যাত কবি ও সাহিত্য সমালোচক ম্যাথু আর্নল্ড তাঁর "The Scholar Gypsy" কবিতায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত এক শিকক্ষার্থীর হঠাৎ করেই যাযাবর জিপসীদের দলে গিয়ে ভিড়ে যাওয়ার দিকটি তুলে ধরেছেন। আধুনিক জীবনযাত্রা ও শিক্ষা জগৎ ত্যাগ করে এই শিক্ষার্থী শেষে জিপসীদের সাথে মাঠে ঘুরেছে, মেষ পালক হিসেবে দেখা দিয়েছে, খেয়ানৌকার দড়ির স্তূপে তাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেছে কেউ কেউ। মোট কথা সে আধুনিক জীবন যাত্রা হতে সরে গিয়ে মুক্ত স্বাধীন জীবন যাপন করতে চেয়েছে প্রকৃতি কোলে। তার মাঝে প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসাও ছিল একেবারেই ক্ষীণ। এই যাযাবর জিপসী সর্বদা নিজেকে প্রকৃতির সাথে মেশাতে চেয়েছে, জ্ঞান আহরণ করতে চেয়েছে প্রকৃতি হতে। জিপসীদের কাছ থেকে সে গুরুমন্ত্র শিখছে এমন কথাও প্রচার হয়েছে সভ্য সমাজে। কবি ম্যাথু আর্নল্ড আসলে এখানে মানবের ভেতরের যে অন্তহীন অনন্ত তৃষ্ণ যা তাকে গৃহের বন্ধনে আবদ্ধ রাখতে পারে যে, সে নিজেকে মেলাতে চায় প্রকৃতির মাঝে। কবি এই শিক্ষার মধ্য দিয়ে মানবের অন্তস্থলে পালিত এক মুক্ত স্বাধীন চিন্তা চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।

আধুনিকতার জ্ঞান তাকে মুক্তি না দিয়ে জড়িয়েছে বিশৃঙ্খলায়। যেখানে কবি তার জ্ঞান আহরণের সার্থকতা পান না। যার ফলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় চেতনার প্রকৃতির সুখ খোঁজার প্রয়াস চালিয়ে জিপসী বৃত্তি গ্রহণ করেছেন।

আর্নন্ডের কাব্যের প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য :

'ডোভার বীচ' কবিতায় ডোভার সমুদ্রতীরের শান্ত সৌন্দর্য্যের পাথরের আঁখি ডুবিয়ে কবি তার সৌন্দর্যকে সম্ভোগ করতে পারেননি। কারণ বাস্তব অবস্থার সঙ্গে তাঁর বিরোধ। তিনি সমুদ্রতীরের সৌন্দর্যকে উপেক্ষা করে উপলব্ধি করলেন জগতে কোথাও একটু ভালবাসা নেই, আলো নেই, শান্তি নেই, কষ্টের উপশমের ব্যবস্থা নেই। মনে হলো, জগৎ একটা অন্ধকারের রাজত্ব যেখানে প্রতিনিয়ত চলছে দুর্বোধ্য লড়াই ও সংগ্রাম। অনন্ধকারের মধ্যে চলছে অজ্ঞতার হানাহানি।

And we are here as on a darking plain

Swept with confused alarms of struggle and flight,

Where ignorant armies clash by night.

এসব সত্ত্বেও কোন আশার সুর নেই। তাঁর কাব্যে বা আশার কোন বলিষ্ঠ রূপরেখাও তিনি অংকন করতে পারেননি। সে জগৎ থেকে তিনি নিজেকে বড় বেশি গুটিয়ে নিয়েছেন। নিজেকে নিজেই একটি দ্বীপের মতো সৃষ্টি করেছেন। আর মনে করেছেন, যে সব মানুষই দ্বীপের মতো নিঃসঙ্গ, একাকী, "We mortal millions live alone."

আর্নল্ডের রচিত অনেকগুলি কবিতা শোকগাথা। এইসব কবিতায় আধুনিক সভ্যতার জীবনযন্ত্রণার দলিত চিত্তের ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে দুঃখ, বিষাদ ও বেদনায়। কবির মনে হয়েছে, জীবনটা কেনা-বেচার জন্যে বিশ্বের বাজার নয়, "It is not the world's market bought and sold." এই স্কুল কেনা-বেচা, চাওয়া-পাওয়ার জীবন থেকে কবি পালিয়ে যেতে চেয়েছেন প্রকৃতির রাজত্বে যেখানে পাহাড়গুলি এখনো সবুজ, শ্যামল বৃক্ষলতায় সজ্জিত হয়ে থাকে, যেখানে প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা এখনো ছুটে যায় একটু নিশ্চিন্ত ভ্রমণের জন্য, নৈরাশ্য থেকে মুক্তি পাবার জন্য একমাত্র উপায় প্রকৃতির সান্নিধ্য, "Our trees yet crown the hill, our scholar travels yet the loved hill side. "প্রকৃতির প্রতি কবির আস্থা নেহাতই সাময়িক। বলিষ্ঠ আস্থা যদি থাকত তাহলে তাঁর প্রকৃতি প্রেমের স্রোতধারাটি ধীরে ধীরে নৈরাশ্যের মরণপথে হারা হয়ে যেত না। যতই তিনি বিশ্বের রাখাল হয়ে প্রকৃতির নিবিড় সান্নিধ্য লাভের বাসনার কথা বলুন না কেন তবু বৈরাগ্যকে তিনি চাপা দিতে পেরেছেন কি? তবু তাঁকে বলতে শোনা যায়, হে কুণ্ঠিতপথচারী, অন্ধকারাচচ্ছন্ন ইংল্যান্ড এসেছে এবং তার তীরভূমিতে রজ্জবদ্ধ পেটিকাগুলি খুলছে। তবু আরনন্ডের কবিতা ভালো লাগে। কারণ নৈরাশ্যের ঘনীভূত নির্যাস ছড়িয়ে আছে যেমন তেমনি নৈরাশ্যের বুক থেকে উঠে আসা তারুণ্যের আবেগ ও দীর্ঘশ্বাস, ব্যথা ও বেদনার সঘন প্রকাশ ঘটেছে সর্বত্র। কবিতা যদি হয় ভাবের কথা তাহলে ভাব একটা আছে বৈকি।

Content updated By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...