১৯৭১ সালে জনাব রাফি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন। মার্চ মাসে এক মহান নেতার ভাষণ তাকে খুব বেশি আন্দোলিত করে। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর মতো আরও অনেকে স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনেন।
গেরিলা যুদ্ধ একটি বিশেষ রণকৌশল।
গেরিলা যুদ্ধের মাধ্যমে বৃহৎ ও শক্তিশালী শত্রুবাহিনীর ওপর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনী অতর্কিত আক্রমণ করে। এর উদ্দেশ্য হলো বৃহত্তর বাহিনীকে হয়রানি, নাজেহাল এবং সম্ভব হলে নির্মূল করা। শক্তির পার্থক্যের কারণে গেরিলা যোদ্ধারা যথাসম্ভব সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে চলে। সাধারণত কোনো বিদেশি হানাদার বাহিনী বা স্বৈরাচারী সরকারি শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিকামী জনগণ বা আদর্শিক প্রতিপক্ষ এ কৌশলে লড়াই করে। পেশাদার সেনাদের বদলে সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে গেরিলা বাহিনী গঠিত হয়।
পূর্বের অধ্যায়গুলোতে আমরা সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে জেনেছি । এ অধ্যায়ে আমরা ইতিহাস থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে দেশের নাগরিকদের ভূমিকা সম্পর্কে জানব ।
এ অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে আমরা-
♦ ভাষা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ এবং অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ জানতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ দেশপ্রেমের গুরুত্ব ব্যাখ্যা ও উপলব্ধি করতে পারব ।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?