ধর্মব্যবসায়ীদের স্বার্থান্বেষী কর্মকাণ্ড বর্ণনার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বহিপীর' নাটকের সাদৃশ্য রয়েছে।
আমাদের সমাজের মানুষ স্বভাবতই সহজ-সরল ও ধর্মভীরু। তাদের সেই সরলতার সুযোগ নিয়ে স্বার্থান্বেষীরা ধর্মকে পুঁজি করে ব্যবসায় করে। সাধারণ মানুষকে ধর্মের ভয় দেখিয়ে ঠকায়। সাধারণ মানুষকে তারা অশিক্ষা, কুসংস্কারাচ্ছন্নতার কারণে সহজেই ধোঁকা দিতে পারে।
উদ্দীপকে এমন একজন স্বার্থান্বেষী ধর্মব্যবসায়ীর কথা বলা হয়েছে যিনি পীর-মুরিদির ব্যবসায়কে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। জিলহুল আলী নামের স্বঘোষিত এই পীর ব্লগসাইট, ফেসবুক ও অন্যান্য ব্লগে নিজের কর্মকান্ড ছড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে প্রভাবিত করেছেন। 'বহিপীর' নাটকেও ধর্মকে পুঁজি করে স্বার্থ হাসিলের চিত্র দেখা যায়। বহিপীর বয়সে প্রবীণ হলেও ধর্মের প্রভাব খাটিয়ে মুরিদদের অনুগত করে রাখেন। মেয়ের বয়সী কন্যা তাহেরাকে বিয়ে করেন এবং তাকে ফিরে পাওয়ার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করেন। 'বহিপীর' নাটকের এই বিষয়টির সঙ্গে উদ্দীপকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
Related Question
View Allবহিপীর নাটকের কেন্দ্রীয় ও নাম চরিত্র। তার বাড়ি উত্তরের সুনামগঞ্জ। সাধারণের ভাষা তার কাছে অপবিত্র মনে হওয়ায় তিনি বহি বা বইয়ের ভাষায় কথা বলেন। এ কারণেই তার নাম বহিপীর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!