একটি ই-মেইল পাঠানোর জন্য নিচের প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করতে হয়।
১. ইন্টারনেট ব্রাউজার চালু করে যে ওয়েবসাইটে ই-মেইল ঠিকানায় রয়েছে সেটিতে প্রবেশ করতে হবে।
২. মাউস Click করে মেইল ঠিকানায় যেতে হবে।
৩. নিজের মেইল ঠিকানা টাইপ করে এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্যক্তির নিজ ই-মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করতে হবে।
8. "Compose" লেখা জায়গায় মাউস Click করে একটু অপেক্ষা করলে একটি সাদা পাতা দেখা যাবে যেখানে চিঠিটি কী-বোর্ড ব্যবহারে টাইপ করে লিখতে হবে।
৫. লেখা শেষে উপরের দিকের ই-মেইল ঠিকানা লেখার জায়গায় প্রাপকের ঠিকানাটি লিখতে হবে।
৬. এবার Send লেখায় মাউস Click করলেই ই-মেইলটি প্রাপকের e-mail ঠিকানায় পৌছে যাবে।
Related Question
View Allওয়ারলেস ইন্টারনেট সার্ভিস হলো এমন একটি সেবা যার মাধ্যমে কোনো তারের সংযোগ ছাড়াই ইন্টারনেটে যুক্ত হওয়া যায়। এটি সাধারণত Wi-Fi, 4G, 5G বা অন্যান্য বেতার প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে। এই সেবাটি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং অন্যান্য ডিভাইসগুলোকে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
ইন্টারনেট বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। খবর পড়া, যোগাযোগ করা, পথনির্দেশনা পাওয়া, অফিসের কাজ করা, অনলাইন ক্লাস করা, বিনোদনসহ প্রায় সব কাজেই ইন্টারনেটের ভূমিকা অপরিসীম। আজকাল অনেকে ইন্টারনেট ছাড়া দৈনন্দিন জীবন কল্পনাও করতে পারে না।
আগে মানুষ খবরের কাগজ পড়ত, কিন্তু এখন প্রায় সব সংবাদপত্র অনলাইনে পাওয়া যায়। ফলে একজন পাঠক চাইলেই একাধিক সংবাদপত্র পড়তে পারে। এমনকি রেডিও ও টেলিভিশনের খবরও ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজলভ্য হয়ে গেছে, যা খবরের কাগজের প্রচলিত ধারণাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে।
GPS বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম হলো একটি স্যাটেলাইট পথ নির্দেশক ব্যবস্থা যা পৃথিবীর যেকোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত স্মার্টফোন, গাড়ির ন্যাভিগেশন সিস্টেম এবং অন্যান্য ডিভাইসগুলোতে ব্যবহৃত হয়। GPS এর সাহায্যে আমরা নিজেদের অবস্থান জানতে পারি, দিক নির্ধারণ করতে পারি এবং একটি স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার জন্য পথ নির্ধারণে সহায়তা পেতে পারি।
বর্তমান কালে অফিস বা কর্মক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ভূমিকা অপরিসীম। ইন্টারনেট অফিসে যোগাযোগ, ডকুমেন্ট শেয়ারিং, ইমেইল আদান-প্রদান, ভিডিও কনফারেন্স, অনলাইন রিসার্চ, সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে কাজ সহজ করে। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা দূরত্বের বাধা দূর করে এবং কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
আগে আমরা টেলিফোনে শুধু কথা বলতাম, ইন্টারনেটের ব্যান্ডউইথ (bandwidth) বেড়ে যাওয়ায় আজকাল শুধু কথায় আমাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয় না। আমরা যার সাথে কথা বলছি তাকে দেখতেও পাই ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে। একসময় কেউ যখন বিদেশ যেত, হাতে লেখা চিঠি ছিল যোগাযোগের একমাত্র উপায়। এখন ভিডিয়ো কলে সামনাসামনি দেখে কথা বলা খুব প্রচলিত বিষয় হয়ে গেছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!