Academy

প্রাকৃতিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা, যেখানে ভূ-আলোড়ন ও তার ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ নিয়ে আলোচনা করে। অনুরূপভাবে অন্য একটি শাখায় সমুদ্র তলদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ ভূমিরূপ ও সমুদ্রস্রোত নিয়ে আলোচনা করে।

প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

Created: 4 months ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago
Ans :

প্রাকৃতিক ভূগোলের মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিষয়বস্তুর বর্ণনা।

সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রকৃতি পুনঃপুন পরিবর্তিত হচ্ছে। পৃথিবীর পরিবেশ যেসব জড় উপাদান ও সজীব উপাদান দ্বারা গঠিত তার অবস্থান, বৈশিষ্ট্য প্রভৃতি প্রাকৃতিক ভূগোলের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। অর্থাৎ প্রাকৃতিক পরিবেশের বিশেষ করে বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপ ও এর পরিবর্তন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, জলবায়ু ও জীবমণ্ডলের গতি-প্রকৃতি পর্যালোচনা করাই হলো প্রাকৃতিক ভূগোল।

4 months ago

প্রাকৃতিক ভূগোল

**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View More

1 ভূমিরূপবিদ্যা কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 4 months ago | Updated: 4 months ago
Updated: 4 months ago

যে বিষয় পাঠে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, ভূত্বক ও তার উপাদানসমূহ সম্পর্কে জানা যায়, তাকে ভূমিরূপবিদ্যা বলে।

উদ্দীপকে প্রথমে উল্লিখিত প্রাকৃতিক ভূগোলের শাখাটি হলো ভূমিরূপবিদ্যা। নিচে ভূমিরূপবিদ্যা শাখাটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো।

ভূমিরূপবিদ্যায় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন শ্রেণির ভূত্বক কীভাবে নানারকম পদ্ধতিতে গঠিত হয়েছে তা আলোচনা করা হয়। পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, জলাশয় কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, পৃথিবীর ভূমিকম্প, ভূ-আলোড়ন ও আগ্নেয়গিরি সৃষ্টির কারণ, পরিমাপ, অবস্থান ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও মহাদেশীয় সঞ্চালন, প্লেট টেকটোনিক, মৃক্তিকার সৃষ্টি, শিলার গঠন, বিন্যাস ও পর্বতের গঠন, অবস্থান এবং প্রকারভেদ সম্বন্দ্বে গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রকৃতপক্ষে সময় ও অঞ্চলের স্কেল বা পরিসরের ভিন্নতা ভূমিরূপের বিশ্লেষণের লক্ষ্য, সামর্থ্য ও সমস্যা বর্ণনা করে।পরিশেষে বলা যায় ভূমিরূপবিদ্যা ভূত্বক ভূঅভ্যন্তরীণ শক্তি ও সম্পদের সঠিক ব্যবহারে মানুষকে নির্দেশনা দেয়।

উদ্দীপকে প্রাকৃতিক ভূগোলের শাখাদ্বয় হলো ভূমিরূপবিদ্যা ও সমুদ্র বিদ্যা। ভূমিরূপবিদ্যায় পৃথিবীর সৃষ্টি, পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, ভূআলোড়ন, পাহাড়, পর্বত, বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ, নদ-নদীর উৎপত্তি, ক্রমবিকাশ, বায়ুর কার্য, হিমবাহের কার্য প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করে। এ শাখা থেকে আরও জানা যায়, পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত নানাপ্রকার মতবাদ, সৃষ্টির প্রথম অবস্থায় পৃথিবীর আকার ও আয়তন কেমন ছিল তার বিবরণ, ভূমিকম্প ও ভূআলোড়নের ফলে পৃথিবীর বিভিন্নস্থানে যে নানাপ্রকার ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জ্ঞান লাভ করা যায়। অন্যদিকে সমুদ্রবিদ্যা শাখায় যাবতীয় সমুদ্র বিষয়ক উপাদান বর্ণনা করা হয়। এ শাখা সমুদ্রের উৎপত্তি, 'আকার, আয়তন, পৃথিবীর সাগর, মহাসাগর, উপসাগর, সাগরতলের ভূপ্রকৃতি, সমুদ্রস্রোতের কারণ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র তরঙ্গ ও এর কার্য, সমুদ্রে বসবাসকারী প্রাণি ও উদ্ভিন্ডদের বিন্যাস, জোয়ারভাটা, জোয়ারভাটার প্রভাব, স্থলভাগের উপর সমুদ্রের প্রভাব প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।

ভূগোলশাস্ত্রের যে শাখায় পৃথিবীর জন্ম, পৃথিবীর বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপ এবং এর পরিবর্তন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জীবমণ্ডল প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।

জোয়ারভাটা প্রাকৃতিক ভূগোলের সমুদ্রবিদ্যা শাখায় আলোচিত হয়।
প্রাকৃতিক ভূগোলের যে শাখায় সাগর, মহাসাগর, উপসাগর, সমুদ্রস্রোত, জোয়ারভাটা, শৈলশিরা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাই সমুদ্রবিদ্যা। জোয়ারভাটা সমুদ্র বিদ্যা শাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কারণ জোয়ারভাটা একটি বিশেষ সামুদ্রিক আচরণ এবং এর উৎপত্তি, কারণ, সময় সবকিছু সমুদ্রের সাথে সম্পর্কিত।

সাদমান সাহেব ক্লাসে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিল তা হলো বৃষ্টিপাত সংঘটনের কারণ; যা জলবায়ুবিদ্যা শাখার অন্তর্গত।
প্রাকৃতিক ভূগোলের যে শাখায় আবহাওয়া, বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, বৃষ্টিপাতের কারণ, ধরন প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাই জলবায়ুবিদ্যা। এ শাখাটি প্রাকৃতিক ভূগোলের একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান। সাধারণত কোনো স্থানের বা অঞ্চলের দীর্ঘকালের (৩০-৪০) বছরের আবহাওয়ায় গড়কেই জলবায়ু বলে। বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন আকার আয়তনের সঞ্চালন, কারণ ও প্রভাব সম্পর্কে জানার জন্য জলবায়ুবিদ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো স্থানের অতীতে জলবায়ু কেমন ছিল তার সম্পর্কে ধারণা নিয়ে ভবিষ্যতে ঐ এলাকার জলবায়ু কেমন হবে তা জানা যায়। কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাতের ধরন, কারণ, শ্রেণিবিভাগ, তাপমাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে হলে জলবায়ুবিদ্যা পাঠের কোনো বিকল্প নেই। যেকোনো বৃহৎ প্রকল্প বা কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে ঐ এলাকায় আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়ার জন্য জলবায়ুবিদ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, প্রাকৃতিক ভূগোলের জলবায়ুবিদ্যা শাখাটির গুরুত্ব অপরীসীম।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...