শব্দগুলোর অর্থ লেখো
(৬)
প্রান্তর
(শব্দার্থ লেখ)
প্রান্তর - জনবসতি নেই এমন বিস্তীর্ণ ভূমি
“সার্থকজনম আমার জন্মেছি এইদেশে।” কবির এ কথার অর্থ - আমাদের সৌভাগ্য ও সার্থকতা যেআমরা এদেশে জন্মেছি। আমরা বাঙালি। বাংলাদেশেরপ্রায় সকল লোক বাংলায় কথা বলে। তবে আমাদেরদেশে যেমন রয়েছে প্রকৃতির বৈচিত্র্য, তেমনি রয়েছে মানুষ ও ভাষার বৈচিত্র্য।বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিসত্তার লোকজন। এদের কেউ চাকমা, কেউ মারমা, কেউ মুরং, কেউতঞ্চঙ্গা ইত্যাদি। এছাড়া রাজশাহী আর জামালপুরে রয়েছে সাঁওতাল ও রাজবংশীদের বসবাস।তাদের রয়েছে নিজ নিজ ভাষা।একই দেশ অচ কতবৈচিত্র্য। এটাই বাংলাদেশের গৌরব।সবাই সবার বন্ধু, আপনজন।এদেশে রয়েছে নানা ধর্মের লোক।হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান। সবাই মিলেমিশে আছে যুগ যুগধরে। এরকম খুব কমদেশেই আছে। আবার আমাদের বাংলাদেশের বাইরেও অনেক বাঙালি আছে।
বাংলাদেশের এই যে মানুষ, তাদের পেশাও কত বিচিত্র। কেউ জেলে, কেউ কুমার, কেউ কৃষক, কেউ আবার কাজ করে অফিস-আদালতে। সবাই আমরা পরস্পরের বন্ধু। একজন তার কাজ দিয়ে আরেকজনকে সাহায্য করছে। গড়ে তুলছে এইদেশ।
ভাবোতো কৃষকের কথা। তারা কাজ না করলে আমাদের খাদ্য জোগাত কে? সবাইকে তাই আমাদের শ্রদ্ধা করতে হবে, ভালোবাসতে হবে। সবাই আমাদের আপনজন।
আমাদের আছে নানা ধরনের উৎসব।মুসলমানদের রয়েছে দুটি ঈদ, ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ- উল-আযহা। হিন্দুদের দুর্গা পূজা সহ আছে নানা উৎসব আর পার্বণ। বৌদ্ধদের আছে বুদ্ধ পূর্ণিমা।খ্রিষ্টানদের আছে ইস্টার সানডে আর বড় দিন। এছাড়াও রয়েছে নানা উৎসব। পহেলা বৈশাখ- নববর্ষের উৎসব। রয়েছে রাখাইনদের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু উৎসব। ধর্ম যার যার উৎসব যেন সবার ।
এইদেশ এই মানুষ
পার্বত্যজেলার ঘরবাড়ি
পোশাক-পরিচ্ছদও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের, ভিন্ন ভিন্ন ধাচের। মিল আমাদের একটাজায়গায়- সকলেই আমরা বাংলাদেশের অধিবাসী।
বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জনজীবন তাই ভারি বৈচিত্র্যময়। এই দেশকে তাইঘু রে ঘুরে দেখা দরকার।কোথায় পাহাড়, কোথায় নদী, কোথায় বা এর সমুদ্রের বেলাভূমি। এজন্য দেশের নানা প্রাপ্ত যেমনঘুরে দেখা দরকার তেমনি দরকার আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের বাড়ি বেড়াতে যাওয়া, পরস্পর মেলামেশা করা। কাছাকাছি আসা, মানুষকে ভালোবাসা ।
দেশমানে এর মানুষ, নদী, আকাশ, প্রান্তর, পাহাড়, সমুদ্র— এইসব। দেশ হলো জননীরমতো। জননী যেমন স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসা দিয়ে আমাদের আগলে রাখেন। দেশও তেমনই তার আলো, বাতাসও সম্পদ দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। এদেশকে আমরা ভালোবাসব।
Related Question
View Allবাংলাদেশে বাঙালি ছাড়া বেশ কয়েকটি জাতিসত্তার মানুষ বাস করে। এদের মধ্যে রয়েছে- চাকমা, মারমা, মুরং, সাঁওতাল, তঞ্চঙ্গাসহ অন্যান্য জাতিসত্তার মানুষ।
বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের উৎসবগুলোর নাম হলো-
মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আযহা।
হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব : দুর্গাপূজা।
বৌদ্ধদের ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা ও প্রবারণা পূর্ণিমা।
খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে ও বড় দিন।
বাংলাদেশের জনজীবনে রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। এখানে বাঙালি ছাড়াও বাস করে অন্যান্য জাতিসত্তার মানুষ। তারা নিজ নিজ ভাষায় কথা বলে। এদেশে রয়েছে নানা পেশার মানুষ। কেউ জেলে, কেউ কুমার, কেউ কৃষক, কেউ আবার কাজ করে অফিস-আদালতে। এদেশে হিন্দু, ইসলাম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ নানা ধর্মের মানুষ বাস করে। প্রত্যেকের ধর্মীয় উৎসবে রয়েছে ভিন্নতা।
মা যেমন স্নেহ-মমতা দিয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন, দেশও তেমনি আলো, বাতাস, সম্পদ দিয়ে আমাদের আগলে রাখে। এ কারণে দেশকে মায়ের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
জেলেদের পেশা হলো মাছ ধরে তা বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা।
জেলেরা যদি কাজ না করে তাহলে আমাদের শরীরের আমিষের চাহিদা মিটবে না। এছাড়া মাছ ও ভাত বাঙালির প্রধান খাদ্য। তারা মাছ না ধরলে আমরা আমাদের প্রধান খাদ্য থেকে বঞ্চিত হব।
বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সব মানুষ মিলেমিশে বাস করে। প্রতিটি ধর্মের মানুষের রয়েছে আলাদা উৎসব। যুগ যুগ ধরে সকল ধর্মের মানুষ এদেশে একত্রে বসবাস করে আসছে। এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের উৎসবে আনন্দের সাথে অংশগ্রহণ করে। উৎসব পালনে আমরা একে অপরকে সহযোগিতা করি, প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে এ কথাই বোঝানো হয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!