Academy
Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের যে শাখায় পদার্থের গঠন, পদার্থের ধর্ম এবং পদার্থের পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে রসায়ন বলে।

1 year ago

রসায়ন

⚗️ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি | এসএসসি (মাধ্যমিক) | NCTB অনুমোদিত ২০২৫

আপনি কি খুঁজছেন “রসায়ন নবম-দশম শ্রেণির বইয়ের PDF” বা Class 9-10 Chemistry বইয়ের সহজ ব্যাখ্যা ও প্রশ্ন উত্তর?
তাহলে SATT Academy-তে আপনাকে স্বাগত!

এখানে আপনি পাবেন NCTB অনুমোদিত বইয়ের অধ্যায়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর, সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার, এবং বইয়ের PDF ডাউনলোড সুবিধা — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে!


✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও নির্ভুল উত্তর
  • সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা ও উদাহরণসহ
  • লাইভ টেস্ট – নিজেকে যাচাই করার জন্য
  • বুকমার্ক ও PDF/ছবি ডাউনলোড সুবিধা
  • ভিডিওসহ শিক্ষামূলক উপকরণ
  • কমিউনিটি-সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড
(লিংকে ক্লিক করে পুরো বইটি অনলাইনে পড়তে বা ডাউনলোড করতে পারবেন)


👨‍👩‍👧‍👦 এর উপকারিতা:

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: ঘরে বসে পড়াশোনা ও প্রশ্ন-উত্তর অনুশীলন সহজ
  • শিক্ষকদের জন্য: ক্লাসে শিক্ষাদানে উপযোগী প্রস্তুতকৃত কনটেন্ট
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের শিক্ষার গাইড হিসেবে ব্যবহারযোগ্য
  • টিউটর ও প্রাইভেট শিক্ষকদের জন্য: অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন ও রিভিশন উপকরণ সহজলভ্য

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • প্রয়োজনীয় অধ্যায় নির্বাচন করুন
  • প্রশ্ন, উত্তর ও সহজ ব্যাখ্যা পড়ুন
  • প্রয়োজন হলে বুকমার্ক করুন বা PDF/ছবি ডাউনলোড করুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিয়ে নিজেকে যাচাই করুন
  • নিজের মতামত ও ব্যাখ্যা যোগ করে শেখান ও শিখুন

✨ কেন SATT Academy থেকে পড়বেন?

  • ১০০% ফ্রি ও ব্যবহারবান্ধব
  • NCTB অনুমোদিত বইয়ের সঠিক ও সাজানো কনটেন্ট
  • লাইভ টেস্ট, ভিডিও, ইমেজ ও ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
  • কমিউনিটি-সম্পাদিত ও যাচাইকৃত কনটেন্ট
  • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন, যেকোনো সময় পড়তে পারবেন

🔍 সার্চ-সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • রসায়ন নবম দশম শ্রেণি
  • এসএসসি রসায়ন বই PDF
  • NCTB রসায়ন নবম দশম
  • রসায়ন প্রশ্ন উত্তর নবম দশম শ্রেণি
  • SSC Chemistry live test
  • SATT Academy রসায়ন নবম দশম

🚀 আজই শুরু করুন!

SATT Academy–এর মাধ্যমে সহজে রসায়ন শিখুন, ভিডিও দেখুন, লাইভ টেস্ট দিন এবং PDF ডাউনলোড করে রিভিশন করুন।
রসায়নে দক্ষতা অর্জন করুন!

⚗️ SATT Academy – আধুনিক ও সহজ শিক্ষার সঙ্গী।

Content added By

Related Question

View More

1 গবেষণা কী? (জ্ঞানমূলক)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে কোনো কিছু জানার চেষ্টাই হলো গবেষণা।

কাঁচা অবস্থায় আমে বিভিন্ন ধরনের জৈব এসিড থাকে। যেমন- অ্যাসকরবিক এসিড, সাইট্রিক, ম্যালিক, অক্সালিক এসিড। তাই কাঁচা আম খেতে টক লাগে। কিন্তু আম যখন পাকে তখন আমে বিদ্যমান এই এসিডগুলো রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে (মিষ্টি) পরিণত হয়। ফলে পাকা আম হয় মিষ্টি।

উদ্দীপকের ৭ নং চিত্রে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি ঔষধ সেবন করছে।
প্রতিটি ঔষধই কোনো না কোনো রাসায়নিক যৌগ দিয়ে তৈরি করা হয়। যখন আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি, তখন বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগ তথা ওষুধ সেবন করি। যেমন: জ্বর হলে আমরা প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাই। প্যারাসিটামল একটি রাসায়নিক যৌগ, এর রাসায়নিক নাম acetaminophen বা, 4-হাইড্রোক্সি অ্যাসিট্যানিলাইড। এটি আমাদের পাকস্থলিতে গিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে, ফলে জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
আবার, প্রচণ্ড মাথাব্যথা করলে আমরা আইবুপ্রফেন খাই।
এ রাসায়নিক যৌগটি খাওয়ার ফলে আমাদের দেহে গিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন করে, ফলে মাথা ব্যথা উপশম হয়।
তাছাড়া আমরা কৃমিনাশক হিসেবে যে ওষুধ খাই, তাও রাসায়নিক যৌগ। এছাড়াও টাইফয়েড, কলেরা, যক্ষ্মা, কাশি, হাঁপানি, ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়াসহ যত প্রকার অসুখ আছে, তার প্রত্যেকটির প্রতিষেধক হিসেবে আমরা যে ওষুধ সেবন করি, তা কোনো না কোনো রাসায়নিক যৌগ দিয়ে তৈরি করা হয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকের ১ম চিত্রটি অর্থাৎ ওষুধ সেবন, রসায়নের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।

উদ্দীপকের ৭ নং চিত্রে ওষুধ সেবন ও B নং চিত্রে সবজিক্ষেতে কীটনাশক ছিটানোর ছবি দেখানো হয়েছে। এই দুইটি ছবি পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই, সবজিক্ষেতে অতিরিক্ত কীটনাশক ছিটানো পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সবজিক্ষেতে পোকামাকড় মারার জন্য যে সমস্ত কীটনাশক ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে গ্যামাক্সিন (C6H6Cl6), ডিডিটি (D.D.T.), অ্যালড্রিন, ক্লোরডেন, ম্যালাথায়ন, প্যারাথায়ন অন্যতম। এগুলো যখন সবজি ক্ষেতে বিদ্যমান পোকা মাকড়, কীটপতঙ্গ। মারার জন্য ব্যবহার করা হয়, তখন পোকামাকড় দমনের পাশাপাশি উপকারী পোকামাকড় এবং পরিবেশেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়।
কারণ ঐ সমস্ত কীটনাশক যখন জমিতে ছিটানো হয়, তখন সেগুলো বাতাসে মিশে বাতাসকে দূষিত করে। এই দূষিত বাতাস মানুষ প্রশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করে। আবার ঐ সমস্ত কীটনাশক মিশ্রিত সবজি খেলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা যেমন- মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, চোখ-জ্বালাপোড়া করা, পেটের পীড়া, বদহজম ইত্যাদি দেখা দেয়।
ঐ সমস্ত কীটনাশক মাটিতে মিশে মাটিকেও দূষিত করে। ফলে জমির। উর্বরতা নষ্ট হয়, জমিতে ভাল ফসল হয় না। আবার বৃষ্টি হলে ঐ সমস্ত কীটনাশক পুকুরে, নদী-নালা ও জলাশয়ের পানির সাথে মিশে, পানিকে দূষিত করে। ফলে নদী, পুকুর ও জলাশয়ের মাছ মরে যায় এবং পুকুর, নদীতে বিদ্যমান বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শেওলাও মরে যায়।
তাই উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলতে পারি, সবজিক্ষেতে অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

পাকস্থলীতে অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড জমা হলে পেটে তখন এসিডিটির সৃষ্টি হয়। এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি লাভের জন্য তখন এন্টাসিড খাওয়া হয়। কারণ এন্টাসিডে থাকে ক্ষারীয় অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যা পাকস্থলীর এসিডকে প্রশমিত করে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।

চিত্র-3 এর সাংকেতিক চিহ্নবিশিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ হলো তেজস্ক্রিয় পদার্থ। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি হলো তেজস্ক্রিয় রশ্মি। ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি হলো তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এসব পদার্থ হতে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি মানবজাতির জন্য ক্ষতিকর কারণ এই ক্ষতিকারক রশ্মি ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে এমনকি একজনকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে। তেজস্ক্রিয় রশ্মির তীব্রতা যা-ই হোক না কেন এটি সকল মাত্রায় ক্ষতিকর। তীব্র তেজস্ক্রিয় রশ্মির প্রভাবে সাথে সাথে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়। কিন্তু সামান্য তীব্রতার তেজস্ক্রিয় রশ্মির প্রভাবও যথেষ্ট কেননা দীর্ঘ সময় ধরে এর প্রভাবে থাকলে এই রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব বা তেজস্ক্রিয় পদার্থগুলো আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলে ঢুকে মানবদেহের DNA ও কোষকলাকে আক্রমণ করে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ঘটায় এবং একজন মানুষকে ধীরে ধীরে ক্যান্সার বা মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...