এইচএসসি পাস করে মৌনিতা ও আশু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাক্রমে বিজ্ঞান বিভাগ এবং মানবিক বিভাগের দুটি বিষয়ে ভর্তি হয়েছে। একদিন ক্লাসের ফাঁকে তারা তাদের পাঠ্যবিষয় নিয়ে আলাপ করছিল। মৌনিতা বলল, আমাদের পড়ার চাপ খুব বেশি, তোমাদের তো কোনো চাপ নেই শুধু মুখস্ত করলেই হয়। জবাবে আশু বলল, সৃজনশীল পদ্ধতিতে মুখস্ত করার কোনো দাম নেই, আর আমরাও এমন বিষয় পড়ি যা পদ্ধতিগত দিক থেকে বিজ্ঞানের মর্যাদা পেয়েছে। যে সমাজে আমরা বেড়ে উঠছি তার গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে জানতে হলে পদার্থবিজ্ঞান না পড়লেও চলবে কিন্তু এ বিষয়টা অবশ্যই পড়তে হবে।
গণমাধ্যম আধুনিককালে ব্যক্তির সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবন নিয়ন্ত্রণের এক শক্তিশালী মাধ্যম।
গণমাধ্যম বলতে বোঝানো হয় সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইত্যাদিকে। এসব মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ, বিজ্ঞাপন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান শিশুদেরকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। এর ফলে শিশু-কিশোররা নিজেদেরকে সমাজ-সংস্কৃতির সাথে খাপ খাইয়ে চলতে শেখে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি পায়, বিজ্ঞানমনস্কতা ও মানসিক স্বাস্থ্য বিকশিত হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?