কীর্তিপাশার জমিদার দেবী রায় চৌধুরী খুবই রুচিবান ও সৌখিন মানুষ ছিলেন। তিনি জমিদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি - জাঁকজমকপূর্ণ দরবার হল নির্মাণ করেছিলেন। পাশাপাশি তার নির্মিত কাচারি বাড়ি, নায়েব মহল আজও স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে। একই - সময়ে নির্মিত নাট মন্দিরটি এখনও ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হয়। তার স্ত্রী - কৃষ্ণকুমারী দেবী অনিন্দ্য সুন্দরী ও বিদূষী রমণী ছিলেন। জমিদার - দেবী রায় চৌধুরীর স্ত্রীর প্রতি ছিল অপরিসীম ভালোবাসা। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় পড়ে কৃষ্ণকুমারী অকালে মৃত্যুবরণ করলে জমিদার খুবই মুষড়ে পড়েছিলেন। তিনি স্ত্রীর স্মৃতি রক্ষার্থে বহু অর্থ ব্যয়ে যে সৌধটি নির্মাণ করেন, আজও তা বিদ্যমান রয়েছে।
সম্রাট শাহজাহানের চার পুত্রই বিভিন্নভাবে ক্ষমতা পরিচালনা করার যোগ্য হলেও সম্রাট সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য লাভ করে স্বহস্তে রাজ্যভার গ্রহণ না করে আদূরে দুলাল দারাকে সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মনস্থির করেন। অন্যদিকে, সম্রাটের চার পুত্রই উত্তরাধিকার সূত্রে ক্ষমতা গ্রহণের আশা করে। কিন্তু তাদের কাউকে সাম্রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব না দেওয়ার কারণে তারা নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এজন্য দারার প্রতি সম্রাটের অন্য স্নেহ ও পক্ষপাতিত্বকে উত্তরাধিকার যুদ্ধের প্রধান কারণ বলা হয়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?