রচনামূলক প্রশ্ন ও সমাধান
মানসম্মত বীজ তিন ধাপে উৎপাদন করা হয়। এগুলো হলো-
১: মৌল বীজ, ২. ভিত্তি বীজ, ৩. প্রত্যায়িত বীজ
নিচে বিভিন্ন প্রকার বীজের বর্ণনা দেওয়া হলো-
১.মৌল বীজ: সকল বংশগত গুণাগুণ রক্ষা করে যে বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে মৌল বীজ বলে। উদ্ভিদ প্রজনন বিজ্ঞানিরা পরীক্ষা করার পর যখন কোনো ফসলের জাতকে খুব ভালো মনে করেন তখন সে বীজকে মৌল বীজ বলে। মৌল বীজ সাধারণত পরিমাণে কম উৎপাদন করা হয়। এ বীজ বিক্রিযোগ্য নয়।
২. ভিত্তি বীজ: মৌল বীজের সকল বংশগত গুণাগুণ রক্ষা করে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেশি পরিমাণ উৎপাদিত বীজকে ভিত্তি বীজ বলে। ভিত্তি বীজও কৃষকের নিকট বিক্রি করা হয় না।
৩. প্রত্যায়িত বীজ ভিত্তি বীজ হতে বীজ অনুমোদন সংস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বীজ উৎপাদনের নিয়ম কানুন মেনে যে বীজ উৎপাদন করা হয় এবং মাঠে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয় তাকে প্রত্যয়িত বীজ বলে। এই বীজ কৃষকদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন সংস্থা অনুমোদন প্রদান করে। প্রত্যয়িত বীজ কৃষকদের নিকট বিক্রি করা হয়।
আমরা প্রযুক্তির যুগে বাস করছি। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। কৃষিকাজ একটি বৈজ্ঞানিক কাজ। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রযুক্তির উদ্ভাবন হয়েছে। কৃষকেরা এখন এই প্রযুক্তিগুলো ফসলের মাঠে যেমন ব্যবহার করছেন তেমনি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বংশবৃদ্ধিতেও ব্যবহার করছেন। আবার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালনে প্রযুক্তি যেমন ব্যবহার করছেন, তেমনি মাছ চাষেও ব্যবহার করছেন। বিজ্ঞানের গবেষণা যত এগুচ্ছে প্রযুক্তির উদ্ভাবনও ততই বাড়ছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা -
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?