পূর্ণ নাম: Galileo Galilei
জন্ম: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৫৬৪ খ্রিষ্টাব্দ – পিসা, ইতালি
মৃত্যু: ৮ জানুয়ারি, ১৬৪২ খ্রিষ্টাব্দ – আর্কেত্রি, ইতালি
পেশা: পদার্থবিদ, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, দার্শনিক
খ্যাতি: তাঁকে বলা হয় “আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান” ও “আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক”।
শৈশবে তিনি চিকিৎসাশাস্ত্র পড়া শুরু করেছিলেন, তবে পরে গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে সেই দিকেই মনোনিবেশ করেন।
পতনশীল বস্তু নিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন,
👉 সব বস্তু শূন্যে একই গতিতে পতিত হয়, ওজনের পার্থক্যে নয়।
ঢালু তক্তায় বল প্রয়োগ করে ত্বরণ (acceleration) ধারণা ব্যাখ্যা করেন।
আধুনিক গতি-বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন, যা পরে নিউটন সম্প্রসারিত করেন।
তিনি দূরবীন উন্নত করে প্রথম আকাশ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করেন।
তাঁর আবিষ্কারগুলো—
চাঁদের পাহাড় ও গর্ত
বৃহস্পতির চারটি উপগ্রহ (Io, Europa, Ganymede, Callisto → আজ “Galilean Moons” নামে পরিচিত)
শুক্র গ্রহের কলা (phases of Venus)
সূর্যের কালো দাগ (Sunspots)
👉 এগুলো প্রমাণ করেছিল যে পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্র নয়, বরং সূর্যকেন্দ্রিক (heliocentric) তত্ত্ব সঠিক।
গ্যালিলিও প্রথম বিজ্ঞানীদের একজন যিনি পরীক্ষা (experiment) এর মাধ্যমে তত্ত্ব যাচাই করেছিলেন।
এজন্য তাঁকে বলা হয় “Scientific Method-এর অন্যতম পথিকৃৎ”।
তিনি কপর্নিকাসের সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ সমর্থন করায় ক্যাথলিক চার্চ তাঁকে বিরোধিতা করে।
১৬৩৩ সালে ইনকুইজিশন আদালতে বিচার হয়ে তাঁকে আজীবন গৃহবন্দি করা হয়।
তবুও গৃহবন্দি অবস্থায় তিনি Two New Sciences বই লেখেন, যেখানে আধুনিক যান্ত্রিকবিজ্ঞানের ভিত্তি তৈরি হয়।
Sidereus Nuncius (The Starry Messenger) – ১৬১০
Dialogue Concerning the Two Chief World Systems – ১৬৩২
Two New Sciences – ১৬৩৮
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক হিসেবে স্বীকৃত।
গ্যালিলিওর কাজের ওপর ভিত্তি করেই নিউটন গতি ও মহাকর্ষের সূত্র প্রবর্তন করেন।
তাঁর পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আজও আধুনিক বিজ্ঞানের মেরুদণ্ড।
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | গ্যালিলিও গ্যালিলি (Galileo Galilei) |
| জন্ম | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৫৬৪ খ্রি. – পিসা, ইতালি |
| মৃত্যু | ৮ জানুয়ারি, ১৬৪২ খ্রি. – আর্কেত্রি, ইতালি |
| পেশা | পদার্থবিদ, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, দার্শনিক |
| খ্যাতি | আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক |
| ক্ষেত্র | আবিষ্কার / অবদান |
|---|---|
| গতি ও যান্ত্রিকবিদ্যা | - সব বস্তু শূন্যে সমান ত্বরণে পতিত হয়- ঢালু তক্তার পরীক্ষা- ত্বরণ (acceleration) ধারণা |
| দূরবীন (Telescope) | - দূরবীন উন্নত করেন- প্রথমবার আকাশ পর্যবেক্ষণ |
| জ্যোতির্বিজ্ঞান | - চাঁদের পাহাড় ও গর্ত- বৃহস্পতির চার উপগ্রহ (Io, Europa, Ganymede, Callisto)- শুক্র গ্রহের কলা- সূর্যের কালো দাগ |
| বিজ্ঞান পদ্ধতি | পরীক্ষার মাধ্যমে তত্ত্ব যাচাই (Scientific Method-এর ব্যবহার) |
| গ্রন্থ | - Sidereus Nuncius (১৬১০)- Dialogue Concerning the Two Chief World Systems (১৬৩২)- Two New Sciences (১৬৩৮) |
| বিতর্ক | সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ সমর্থন করায় চার্চের বিরোধিতা, ১৬৩৩ সালে গৃহবন্দি হন |
| উত্তরাধিকার | - আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক- নিউটনের গবেষণার ভিত্তি স্থাপন করেন |
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?