| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | আবু মুসা জাবির ইবনে হাইয়ান আল-আজদি (Abu Musa Jabir Ibn Hayyan al-Azdi) |
| জন্ম | আনুমানিক ৭২১ খ্রিষ্টাব্দ – তুস (ইরান) |
| মৃত্যু | আনুমানিক ৮১৫ খ্রিষ্টাব্দ – কুফা (ইরাক) |
| খ্যাতি | “প্রায়োগিক রসায়নের জনক” / “আলকেমির পিতা” |
জাবির ইবনে হাইয়ান ছিলেন একজন আরব মুসলিম বিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও দার্শনিক।
তিনি ইমাম জাফর সাদিক (রা.)–এর শিষ্য ছিলেন এবং চিকিৎসা ও রসায়নে গভীর জ্ঞান অর্জন করেছিলেন।
জীবনের বড় অংশ কাটিয়েছেন কুফায়, যেখানে তিনি পরীক্ষাগার স্থাপন করে গবেষণা চালাতেন।
তাঁর রচনাগুলো ল্যাটিন ভাষায় অনুবাদ হয়ে ইউরোপে পৌঁছে যায় এবং ইউরোপীয় রসায়ন ও বিজ্ঞানের উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখে।
| ক্ষেত্র | অবদান |
|---|---|
| প্রায়োগিক রসায়ন | প্রথমবারের মতো পরীক্ষাগারে ভিত্তিক গবেষণার প্রচলন করেন, এজন্য তাঁকে বলা হয় “প্রায়োগিক রসায়নের জনক”। |
| রাসায়নিক প্রক্রিয়া | পাতন (distillation), স্ফটিকীকরণ (crystallization), বাষ্পীভবন (evaporation), গলন (fusion), পরিশোধন (purification) প্রভৃতি প্রক্রিয়ার উন্নয়ন ঘটান। |
| অ্যাসিড প্রস্তুত | সালফিউরিক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড ও হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের প্রস্তুতির পথ আবিষ্কার করেন। |
| অ্যালকোহল প্রস্তুত | পাতনের মাধ্যমে অ্যালকোহল প্রস্তুত করেন। |
| রাসায়নিক যন্ত্রপাতি | আলেম্বিক (Alembic) নামক পাতনযন্ত্রের উদ্ভাবন করেন, যা আধুনিক পরীক্ষাগারের পূর্বসূরী। |
| ধাতুবিদ্যা | ধাতু পরিশোধন ও মিশ্রধাতু তৈরিতে বিশেষ অবদান রাখেন। |
| ঔষধবিজ্ঞান | ওষুধ প্রস্তুত ও রাসায়নিক পদার্থ চিকিৎসায় ব্যবহারের পথ দেখান। |
তাঁর নামে প্রায় ৩,০০০ গ্রন্থ প্রচলিত, যদিও এর অনেকগুলো পরবর্তীকালে সংযোজিত।
উল্লেখযোগ্য রচনা:
“Kitab al-Kimya” (কিতাব আল-কিমিয়া) → পরে ল্যাটিনে Book of Chemistry নামে অনূদিত।
“Kitab al-Sab’een” (সত্তর গ্রন্থ) → রসায়ন বিষয়ক বিখ্যাত সংকলন।
ইউরোপীয় বিজ্ঞানীরা তাঁকে "Geber" নামে চিনতেন।
তাঁর অবদান ছাড়া আধুনিক রসায়নের পরীক্ষাগার পদ্ধতি কল্পনাই করা যেত না।
এজন্য তাঁকে বলা হয়—
“প্রায়োগিক রসায়নের জনক” (Father of Experimental Chemistry)
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?