2025 সালের এসএসসি বাংলা ১ম পত্র সিলেট বোর্ড CQ (সৃজনশীল) প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
বোর্ড পরীক্ষায় সৃজনশীল বা CQ (সৃজনশীল) অংশে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার মূল শর্ত হলো উত্তরের মান এবং সঠিক উপস্থাপন। আপনি যদি 2025 সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেট বোর্ড (Sylhet Board) বোর্ডের বাংলা ১ম পত্র বিষয়ের স্ট্যান্ডার্ড এবং নির্ভুল সমাধান খুঁজে থাকেন, তবে স্যাট একাডেমি আপনাকে দিচ্ছে বোর্ড স্ট্যান্ডার্ড উত্তরের এক বিশাল ভাণ্ডার।
ফুলপুর ইউ.পি চেয়ারম্যান জনাব পাকির আলি তাঁর ইউনিয়নের আপামর জনসাধারণের সাথে নিঃসংকোচে মিশে যান। বিশেষ করে খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষগুলোর প্রতি তিনি খুবই আন্তরিক। তিনি তাঁদের দুর্দিনে যেমন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তেমনি বিশেষ কোনো উপলক্ষ্যে তাঁদের আনন্দেরও অংশীদার হন। তাঁরাও তাঁর কথায় নিজেদের জীবন দিতে প্রস্তুত থাকেন। পাকির আলি বলেন, এরাই আমার শক্তি।
নদীভাঙনে বাড়ি ভেঙে গেলে শহরে সপরিবারে চলে আসেন জল্লি মিয়া। একটি বেসরকারি অফিসে পিয়নের কাজ নেন। কাজের পাশাপাশি কর্মকর্তাদের যে-কোনো ব্যক্তিগত কাজ সানন্দে করে দেন। তাই সবাই তাঁর কাজে ভীষণ খুশি। অবসরে জলিল মিয়া তাঁর গ্রামের কথা ভাবেন। সেই সবুজ গাছে ঢাকা, পাখির কলকাকলিতে মুখর, নদীতীরের সেই শ্যামল গ্রামে ফিরে যেতে তাঁর প্রবল ইচ্ছা করে।
বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ শেষ করে শফিক গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। গ্রামের তরুণ-যুবকদের সাথে নিয়ে গড়ে তোলেন একটি গণপাঠাগার। তরুণ প্রজন্মকে পাঠ্য-বইয়ের পাশাপাশি পাঠাগারে বসে বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। কিন্তু কিছু অভিভাবক ক্লাসের পড়ার বাইরে অন্য বই পড়াকে সময়ের অপচয় বলে মনে করেন। তাঁরা শফিক স্যারের উদ্যোগের বিরোধিতা করতে এলে শফিক স্যার তাঁদের উদ্দেশ্যে বলেন-রোগীর চিকিৎসার জন্য যেমন হাসপাতাল প্রয়োজন, তেমনি মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হলে নিয়মিত বই পড়া প্রয়োজন।
ধনাঢ্য ব্যবসায়ী আমজাদ সাহেব নিজের নিরাপত্তার জন্য একজন দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরা করেন। একদিন ছিনতাইকারীর কবলে পড়লে তাঁর দেহরক্ষী আমজাদ সাহেবকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন। দেহরক্ষীর কর্তব্যপরায়ণতায় খুশি হয়ে আমজাদ সাহেব তাঁর উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বেতনও বাড়িয়ে দেন।
(i)
"নাই কিরে সুখ? নাই কিরে সুখ?
এ ধরা কি শুধু বিষাদময়?
যাতনে জ্বলিয়া কাঁদিয়া মরিতে
কেবলি কি নর জনম-লয়?
(ii)
"কার্যক্ষেত্র ওই প্রশস্ত পড়িয়া,
সমর-অঙ্গন সংসার এই,
যাও বীরবেশে কর গিয়ে রণ
যে জিনিবে সুখ লভিবে সে-ই।"
"বাংলা আমার আমি বাংলার
বাংলা আমার জন্মভূমি
গঙ্গা ও যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা,
বহিছে যাহার চরণ চুমি।
_______________
হৃদয় আমার বাংলার লাগি,
যে দেশেই থাকি সদা থাকে জাগি,
স্বর্গ হতেও শ্রেষ্ঠ সে আমার
বাংলা আমার অমিয় ধারা।"
(i)
"এই পবিত্র বাংলাদেশ
বাঙালির আমাদের।
দিয়া প্রহারেণ ধনঞ্জয়
তাড়াব আমরা, করি না ভয়
যত পরদেশি দস্যু ডাকাত
রামাদের গামাদের।"
(ii)
"মাগো, ভাবনা কেন
আমরা তোমার শান্তিপ্রিয় শান্ত ছেলে
তবু শত্রু এলে অস্ত্র হাতে ধরতে জানি
তোমার ভয় নেই, মা
আমরা প্রতিবাদ করতে জানি।"
একটি সন্ত্রাসী দল এলাকার বড় বড় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রাস্তার হকারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিলে দোকানে হামলা ও লুটপাট করে। অভিযোগ পেয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আরাফাত দীর্ঘদিন সন্ত্রাসীদের গতিবিধি লক্ষ রেখে চাঁদা আদায়ের সময় হাতে-নাতে পুরো সন্ত্রাসী দলকে গ্রেফতার করেন।
কোভিড-১৯ এর সময় অল্প দিনের ব্যবধানে একে একে বাবা-মা ও একমাত্র বোনকে হারিয়ে একেবারে একা হয়ে পড়ে কিশোর তামিম। প্রথমে ভেঙে পড়লেও পরে ধীরে ধীরে শোক কাটিয়ে ওঠে সে। দেখাশোনা করার কোনো লোক না থাকায় তামিমের এক দূরসম্পর্কের খালা তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। খালাতো ভাই-বোনেরা তাকে মুহূর্তেই আপন করে নেয়। খালার কাছে থেকেই তামিম পড়াশোনা চালিয়ে যায়।
টানা ভারী বর্ষণে বাঁধ ভেঙে বন্যায় ক্ষেতের ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিচলিত হয়ে পড়েন করিমগঞ্জের কৃষকরা। বন্যার হাত থেকে বাঁচার জন্য মাতব্বর রহিম সরদার নামকরা পীর মনোয়ার হাজীকে নিয়ে আসেন। কিন্তু করিমগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মতিন চৌধুরী বন্যা প্রতিরোধে পীরের উপর নির্ভর না করে এলাকার যুবকদের সংগঠিত করেন। বয়স্করা যখন বন্যা ঠেকাতে পীরের দ্বারস্থ হন, তখন মতিন চৌধুরীর নেতৃত্বে যুবকরা প্রাণপণে বাঁধ মেরামত করে বন্যা ঠেকানোর চেষ্টা করতে থাকেন।
ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে জামান সাহেব একটি শিল্প কারখানা স্থাপন করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সময়মতো উৎপাদনে যেতে না পারায় তিনি যথাসময়ে ব্যাংক-ঋণ শোধ করতে পারেননি। ফলে আইন অনুযায়ী ব্যাংক তাঁর কারখানা বাজেয়াপ্ত করার নোটিশ জারি করে। জামান সাহেবের ছোট ভাই সালাম ঘটনা জানতে পেরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। সালামের আর্থিক সাহায্য নিয়ে জামান সাহেব তার কারখানা রক্ষা করতে সক্ষম হন।
আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার ও ভালো রেজাল্টের পথে স্যাট একাডেমি আপনার সার্বক্ষণিক সঙ্গী। ৬০ লক্ষ শিক্ষার্থীর এই পরিবারে যুক্ত হয়ে আজই আপনার প্রস্তুতিকে করুন আধুনিক এবং স্মার্ট।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?