"তাৎক্ষণিক" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

তৎ + ক্ষণিক

তাৎ + ক্ষণিক

ততক্ষণ + ইক

তৎক্ষণ + ইক

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: "তাৎক্ষণিক" শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

ব্যাখ্যা: সন্ধি : পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। অর্থাৎ, এখানে দুটি ধ্বনির মিলন হবে, এবং সেই দুটি ধ্বনি পাশাপাশি অবস্থিত হবে। যেমন, ‘নর + অধম = নরাধম’। এখানে ‘নর’র শেষ ধ্বনি ‘অ’ (ন+অ+র+ অ), এবং ‘অধম’র প্রথম ধ্বনি ‘অ’। এখানে ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হয়েছে। অর্থাৎ পাশাপাশি অবস্থিত দুইট ধ্বনি ‘অ’ ও ‘অ’ মিলিত হয়ে ‘আ’ হলো।


Related Question

বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ কয় প্রকার?

৫ প্রকার

৪ প্রকার

৩ প্রকার

২ প্রকার

Description (বিবরণ) : বাংলা ভাষায় শব্দের শ্রেণীবিভাগ ৩ প্রকার। যথা : গঠনমূলক , অর্থমূলক এবং উৎপত্তিমূলক শ্রেণীবিভাগ। উৎপত্তিমূলক হলো ৫ প্রকার, গঠনমূলক হলো ২ প্রকার এবং অর্থমূলক হলো ৩ প্রকার।

আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা - এ তিনটি কিসের গুণ?

শব্দের

বাক্যের

অর্থের

পদের

Description (বিবরণ) : আকাঙ্ক্ষা , আসত্তি, যোগ্যতা এ তিনটি সার্থক বাক্যের গুণ। আকাঙক্ষা। : বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্যপদ শোনার যে ইচ্ছা তাই আকাঙক্ষা । যেমন - রহিম খুব ভাল ছেলে। আসত্তি : বাক্যের অর্থ সঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদ বিন্যাসই আসত্তি। আসত্তিহীন বাক্য: খুব ছেলে রহিম ভাল (অর্থপূর্ণ নয়) । যোগ্যতা: বাক্যস্থিত পদসমূহের অর্থগত এবং ভাবগত মিল বন্ধনের নাম যোগ্যতা। যোগ্যতাহীন বাক্য: বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে (বাক্যটি ভাব প্রকাশের যোগ্যতা হারিয়েছে)। যোগ্যতাপূর্ণ বাক্য : বর্ষার বৃষ্টিতে প্লাবনের সৃষ্টি হয়।

কোন ক্ষেত্রে বিভক্তির প্রয়োজন হয়?

প্রকৃতি

সন্ধি

সমাস

কারক

Description (বিবরণ) : কারকে বিভক্তির প্রয়োজন হয়। বাক্যস্থিত একটি শব্দের সাথে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সাথে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদের বিভক্তি বলে। কারক শব্দটির অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে।

"নক্সী কাঁথার মাঠ" এর রচয়িতা কে?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

জসীমউদ্‌দীন

শামসুর রহমান

বঙ্কিমচন্দ্র

Description (বিবরণ) : 'নক্সী কাঁথার মাঠ' -এর রচয়িতা জসীমউদ্দীন। রুপাই ও সাজু এ কাহিনীকাব্যের প্রধান চরিত্র। ই.এম. মিলফোর্ড 'নক্সী কাঁথার মাঠ' Field of teh Embroidery Quilt ' নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম কত সালে পরলোক গমন করেন?

১৯৭৪

১৯৭৬

১৯৭৮

১৯৮১

Description (বিবরণ) : বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট (১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র) পরলোকগমন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। ২৪ মে ১৮৯৯ (১১ জৈষ্ঠ্য ১৩০৬) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

"Farewell to Arms" উপন্যাসের রচয়িতা কে?

জর্জ বার্নাড শ'

ডি এইচ লরেন্স

উইলিয়াম শেক্সপিয়র

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

Description (বিবরণ) : A Farewell to Arms is a novel by Ernest Hemingway set during the Italian campaign of World War I. First published in 1929, it is a first-person account of an American, Frederic Henry, serving as a lieutenant ("tenente") in the ambulance corps of the Italian Army.

'চর্যাপদ' কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য ?

সনাতন হিন্দু

সহজিয়া বৌদ্ধ

জৈন

হরিজ

Description (বিবরণ) : চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতর রচনা এটি।খ্রিষ্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলো রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীত শাখাটির সূত্রপাতও হয়েছিলো এই চর্যাপদ থেকেই। সে বিবেচনায় এটি একটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলোতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ এখনও চিত্তাকর্ষক।[ক] ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যাপদের প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ।

'ছবি ' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রহন্থের অন্তর্ভুক্ত ?

সোনার তরী

পূরবী

বলাকা

পুনশ্চ

Description (বিবরণ) : বলাকা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ। গ্রন্থটি কবি উৎসর্গ করেছিলেন উইলিয়াম পিয়রসনকে। ১৯১৫-১৬ সালে কবির কাব্যগ্রন্থ নামক কাব্যসংকলনেও এটি অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি রবীন্দ্রনাথের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। এই কাব্যগ্রন্থে দেখা যায় পূর্ববর্তী গীতাঞ্জলি-পর্বের ঈশ্বরানুভূতি ও অতীন্দ্রিয় চেতনা থেকে মুক্ত হয়ে কবি একটি স্বতন্ত্র জগৎ সৃষ্টি করেছেন। "যৌবনের জয়গান, চলমান বিশ্বের অনিঃশেষ যাত্রা, ভাষার বর্ণাঢ্য উজ্জ্বলতা ও ছন্দের অপ্রতিহত প্রবাহ বলাকার বৈশিষ্ট্য।" এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলি হল "সবুজের অভিযান", "শঙ্খ", "ছবি", "শা-জাহান", "বলাকা" ইত্যাদি।

' রায়গুনাকর' উপাধি কে লাভ করেন ?

ঈশ্বরগুপ্ত

বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়

ভারতচদ্র রায়

আলাওল

Description (বিবরণ) : রায়গুণাকর ভারতচন্দ্র রায় (১৭১২ – ১৭৬০) অষ্টাদশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি ও মঙ্গলকাব্যের সর্বশেষ শক্তিমান কবি। হাওড়া জেলার পোড়ো-বসন্তপুরে জন্ম হলেও পরবর্তী জীবনে তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগর রাজপরিবারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় অন্নদামঙ্গল কাব্যের স্বীকৃতিতে তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন।

'বীরবল' ছদ্মনামটি কার ?

প্রমথ চৌধুরী

সিরাজু ইসলাম চৌধুরী

মোতাহার হোসেন চৌধুরী

মুনীর চৌধুরী

Description (বিবরণ) : প্রমথ চৌধুরী কিছুদিন কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেন । কিছুকাল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কলেজে পড়ান । তিনি ঠাকুর এস্টেটের ম্যানেজার ছিলেন। এছাড়াও তিনি মাসিক সবুজপত্র ও বিশ্বভারতী সম্পাদনা করেন।রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের(১৮৪২-১৯২৩) কন্যা ইন্দিরা দেবীর (১৮৭৩-১৯৬০) সহিত তাহার বিবাহ হয়। তিনি ছিলেন রবীন্দ্রনাথের ভাইঝি জামাই। লেখক আশুতোষ চৌধুরী(১৮৮৮-১৯৪৪) সম্পর্কে প্রমথ চৌধুরীর অগ্রজ। রবীন্দ্রনাথের ভগিনী প্রতিভা দেবীর সহিত আশুতোষ চৌধুরী বিবাহ হয়। তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তার সম্পাদিত সবুজ পত্র বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষারীতি প্রবর্তনে আগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তার প্রবর্তিত গদ্যরীতিতে “সবুজ পত্র” নামে বিখ্যাত সাহিত্যপত্র ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তারই নেতৃত্বে বাংলা সাহিত্যে নতুন গদ্যধারা সূচিত হয়। তিনি বাংলা সাহিত্যে ইতালিয় সনেট এর প্রবর্তক।