”রাজা যায় রাজা আসে”- কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা--

আবুল হুসেন

নির্মলেন্দু গুণ

আবুল হাসান

শামসুর রাহমান

Description (বিবরণ) : কবি ও সাংবাদিক আবুল হাসানের আসল নাম আবুল হোসেন মিয়া । মাত্র এক দশক কাব্য -সাধনা করে আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছেন। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনা - কাব্যগ্রন্থ : ওরা কয়েকজন। গল্প সংকলন: আবুল হাসান গল্পসংগ্রহ।


Related Question

কোনটি নির্মলেন্দু গুণের কাব্যগ্রন্থ?

বাংলার মাটি বাংলার জল

তবক দেওয়া পান

চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া

রৌদ্রে প্রতিধ্বনি

Description (বিবরণ) : বাংলাদেশের কবিদের কবি নির্মলেন্দু গুণের ১৯৭০ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ৩৬ টি। 'বাংলার মাটি বাংলার জল' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৮ সালে প্রকাশিত। এছাড়াও তার কয়েকটি উল্লেকযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো - প্রেমাংশুর রক্ত চাই , না প্রেমিক না বিপ্লবী, কবিতা অমীমাংসিত রমণী, তার আগে চাই সমাজতন্ত্র, দূর হ দুঃশাসন, চাষাভুষার কাব্য, আচল পদাবলী, ইসক্রা ইত্যাদি।

”বিধ্বস্ত নীলিমা”র কবি--

শামসুর রাহমান

হাসান হাফিজুর রহমান

শহীদ কাদরী

সৈয়দ শামসুল হক

Description (বিবরণ) : বাংলাদেশের কবিগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠস্থান লাভের অধিকারী আধুনিক কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তার ৬৫ টি কাব্যগ্রন্থ। এ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে।

কোনটি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ নয়?

ধূসর পান্ডুলিপি

ঝরা পালক

মহাপৃথিবী

বেলা শেষের গান

Description (বিবরণ) : রুপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের রচনায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য, প্রকৃতি , বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। রবীন্দ্র প্রভাব থেকে মুক্ত পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো - ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, বেলা অবেলা কালবেলা, রুপসী বাংলা ।

”চাঁদের অমাবস্যা” উপন্যাসটির রচয়িতা--

আবুল মনসুর আহমদ

আবু জাফর শামসুদ্দীন

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

শওকত ওসমান

Description (বিবরণ) : প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিষয়বস্তু নির্বাচনে এবং অভিনব আঙ্গিক প্রয়োগে বিশিষ্টতা দেখিয়েছেন বলে স্বল্পসংখ্যক গ্রন্থ রচনা করে ও বিশেষ খ্যাতির অধিকারী হয়েছিলেন। তার রচিত উপন্যাসসমূহ হলো লালসালু, চাঁদের অমাবস্যা , কাঁদো নদী কাঁদো । দার্শনিক চেতনাসমৃদ্ধ উপন্যাস হিসেবে এগুলো বিবেচ্য। ভাষার কারুকার্যে, দৃষ্টির তীক্ষ্ণতায়, আঙ্গিকের সুষ্ঠু। রুপায়ণে ও পটভূমির বৈচিত্র্যে লেখকের কৃতিত্ব বিদ্যমান। নাটক ও ছোটগল্প রচনায় তার সমান দক্ষতা ছিল।

”লোকে বলে”-- উক্তিটির তাৎপর্য কোনটি?

একজন লোক বলে

দুইজন লোক বলে

সাধারণ মানুষ বলে

নির্দিষ্ট কেউ বলে

Description (বিবরণ) : 'লোক' শব্দটি বিশেষ অর্থে মনুষ্য,জন, ব্যক্তি, জনসাধারণ প্রভৃতি অর্থপ্রকাশ করে।' লোকে বলে' কথাটির অর্থ হলো সাধারণ মানুষ বলে। এরুপ অর্থ প্রকাশক শব্দ লোকনিন্দা, লোকসমাজ , লোকপ্রসিদ্ধ, লোক ব্যবহার, লোকলজ্জা, লোকশিক্ষা, লোকশিল্প, লোকসাহিত্য প্রভৃতি ।

শুদ্ধ বাক্য কোনটি

দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়

দীনতা প্রশংসনীয় নয়

দীনতা নিন্দনীয়

দীনতা অপ্রশংসনীয়

Description (বিবরণ) : 'দীন' শব্দটি বিশেষণ। যার অর্থ দরিদ্র, গরিব, অভাবগ্রস্ত, নিঃসম্বল ,করুণ ,কাতর, হীন,নীচ, অনুদার, ভীরু, অভাব প্রভৃতি । 'দৈন্য' শব্দটি বিশেষ্য। যার অর্থ দীনতা, দারিদ্র্য,দুরবস্থা, অভাব, অপ্রাচুর্য, হীনতা, কৃপণতা, সংকীর্ণতা ,কাতরতা প্রভৃতি। 'দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়' বাক্যটি প্রত্যয়ঘটিত অশুদ্ধ দোষে দুষ্ট। কাজেই 'দীনতা প্রশংসনীয় নয়' বাক্যটি প্রত্যয়ঘটিত শুদ্ধ বাক্য।