কোন কবি “ধর্মমঙ্গল” কাব্যের প্রণেতা?

বংশীদাস চক্রবর্তী

রূপরাম চক্রবর্তী

মুকুন্দরাম চক্রবর্তী

বলরাম চক্রবর্তী

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: কোন কবি “ধর্মমঙ্গল” কাব্যের প্রণেতা?

ব্যাখ্যা:

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণীর ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য হলো মঙ্গলকাব্য। প্রায় বিশজন কবি ধর্মমঙ্গল কাব্য রচনা করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ধর্মমঙ্গল কাব্যের আদিকবি ময়ূরভট্ট। এছাড়াও খেলারাম চক্রবর্তী, মানিকরাম, রুপরাম, চক্রবর্তী, শ্যাম পন্ডিত, সীতারাম দাস, রাজারাম দাস, দ্বিজ প্রভুরাম, ঘনরাম চক্রবর্তী প্রমুখ ধর্মমঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন।


Related Question

”পর্বতের মুষিক প্রসব” প্রবচনটির অর্থ-

বিপুল উদ্যোগে তুচ্ছ অর্জন

বহু প্রত্যাশিত অর্জন

বিরাট আয়োজন

গুরুতর বিষয় খুঁজে পাওয়া

Description (বিবরণ) :

‘পর্বতের মুষিক প্রসব’ প্রবচনটি আলংকারিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যার অর্থ হলো বিরাট সম্ভাবনা সত্ত্বেও অতিসামান্য ফললাভ বা বিপুল উদ্যোগে তুচ্ছ আয়োজন।

বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস-

আলালের ঘরের দুলাল

হুতোম প্যাঁচার নক্সা

চোখের বালি

সংশপ্তক

Description (বিবরণ) :

বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’। এ উপন্যাসের লেখক প্যারীচাদ মিত্র। উপন্যাসটিতে কুশিক্ষা, সঙ্গ, অভিভাবকের প্রশ্রয় ও অমনোযোগিতায় ধনীর সন্তানের জীবনের দুঃখজনক পরিনাম এবং দুঃখ-দুর্দশা ভোগের পর পুনরায় ভালো মানুষ হয়ে ওঠার দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে।

”ফোর্ট উইলিয়াম যুগে” সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন-

মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালংকার

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

রামকিশোর তর্কচূড়ামণি

রামনারায়ণ তর্করত্ন

Description (বিবরণ) :

ফোর্ট উইলিয়াম যুগে সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার। তার রচিত গ্রন্থগুলো হলো বত্রিশ সিংহাসন, হিতোপদেশ, রাজাবলি, প্রবোধচন্দ্রিকা, বেদান্ত চন্দ্রিকা।

”একাত্তরের ডায়েরী” কার রচনা?

সেলিনা হোসেন

সুফিয়া কামাল

জাহানারা ইমাম

আয়েশা ফয়েজ

Description (বিবরণ) :

জননী সাহসিকা বেগম সুফিয়া কামালের রচিত ‘একাত্তরের ডায়েরি’। মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ মাসের স্মৃতি তিনি তাৎক্ষনিকভাবে লিখে রেখেছেন, যা পরবর্তি সময়ে ‘একাত্তরের ডায়েরি’ নামে প্রকাশিত হয়।

”নন্দিত” শব্দের বিপরীত শব্দ হচ্ছে

নিন্দিত

নির্যিত

অনিন্দ্য

বন্দিত

Description (বিবরণ) :

নন্দিত বিশেষণবাচক শব্দ। এর অর্থ আনন্দিত, আহ্লাদিত, তোষিত। অর্থাৎ যাকে আনন্দ দেয়া হয়েছে এমন। অপরদিকে এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে নিন্দিত। এটিও বিশেষণবাচক শব্দ। এর অর্থ নিন্দা করা হয়েছে এমন ।

কোনটি আধুনিক যুগের কাব্য?

মনসা মঙ্গল

অন্নদা মঙ্গল

কালিকা মঙ্গল

সারদা মঙ্গল

Description (বিবরণ) :

শ্রেণীগত দিক দিয়ে মঙ্গলকাব্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- পৌরাণিক ও লৌকিক। সারদা মঙ্গ্লকাব্য হলো লৌকিক মঙ্গলকাব্য। এ মঙ্গলকাব্যটি বিদ্যা ও চারুকলার অধিষ্ঠাত্রী দাবী সারদা বা সরস্বতীর কাহিনী অবলম্বনে রচিত। সারদা মঙ্গলের কবিগণ হলেন দয়ারাম, বীরেস্বর, রাজসিংহ প্রমুখ।

”পথিক, তুমি পথ হারাইয়াছ?” -উদ্ধৃতাংশের পথিক কে?

কাপালিক

নবকুমার

অধিকারী

সেলিম

Description (বিবরণ) :

ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত এ উক্তিটি কপালকুন্ডলা উপন্যাসের। উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র কপালকুন্ডলা নায়ক নবকুমারকে বনে দেখে উক্তিটি করেন। নবকুমারকে বাঘে খেয়েছে। তারা নদীর ধারের নির্জন বনে নবকুমারকে রেখে বাড়ি ফিরেছিল। আর নবকুমার বনে বনে ঘুরতে ঘুরতে সহসা এ প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। প্রশ্ন করেছিল উপন্যাসের নায়িকা কপালকুন্ডলা।

বাংলা সাহিত্যে “কিশোর কবি” নামে পরিচিত কে?

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

আবদুল কাদির

বিষ্ণু দে

সুকান্ত ভট্টাচার্য

Description (বিবরণ) :

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় সাম্যবাদী কবি। অত্যন্ত অল্প বয়সে তার কবি প্রতিভা প্রকাশিত হওয়ায় ও তার মৃত্যু তরুণ বয়সে হওয়ায় তিনি কিশোর কবি নামে পরিচিত।

”আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে” ? -”ভিখারী রাঘব” কে ?

রাবণ

মেঘনাদ

রাম

বিভীষণ

Description (বিবরণ) :

প্রদত্ত উক্তিটি রাজা দশরথের পুত্র রামচন্দ্রের কাহিনি নিয়ে রচিত প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ থেকে উদ্ধৃত। এর রচয়িতা মহাকরি বাল্মীকি। প্রশ্নানুসারে, ভিখারী রাঘব হলেন রঘুবংশীয় অযোধ্যার রাজা দশরথের পুত্র রামচন্দ্র। সীতা তার স্ত্রী।

বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রণয়োপাখ্যান কোনটি?

পদ্মাবতী

চন্দ্রাবতী

ইউসুফ জোলেখা

লাইলী মজনু

Description (বিবরণ) :

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলমান কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর রচিত ‘ইউসুফ জোলেখা' বাংলা সাহিত্যে প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। এ কাব্যের বিষয়বস্তু তৈমুর বাদশাহের কন্যা জোলেখার সাথে ক্রীতদাস ইউসুফের প্রণয়কাহিনী।