'মা যে জননী কান্দে' কোন ধরনের রচনা?

কাব্য

নাটক

উপন্যাস

প্রবন্ধ

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: 'মা যে জননী কান্দে' কোন ধরনের রচনা?

ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত 'মা যে জননী কান্দে' কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- রাখালী (১৯২৭) , নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯) , বালুচর (১৯৩০) ,ধানক্ষেত (১৯৩১) ,সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩) ,হাসু (১৯৩৮) , মাটির কান্না (১৯৫১) ইত্যাদি। তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে- পদ্মাপাড় (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা - (১৯৫১) ইত্যাদি। তার রচিত একমাত্র উপন্যাস হলো - বোবা কাহিনী (১৯৬৪) এবং প্রবন্ধ ও সম্পাদিত গ্রন্থ হলো জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শিদী গান (১৯৭৭) ।


Related Question

কোনটি ঠিক?

সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)

কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)

বহিপীর(নাটক)

মহাশ্মশান (নাটক)

Description (বিবরণ) : 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৩) হলো জসীমউদ্দীন রচিত কাহিনী কাব্য। 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) ও 'বহিপীর' (১৯৬০) যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস ও নাটক । আর 'মহাশ্মশান ' (১৯০৪) হলো কায়কোবাদ রচিত মহাকাব্য-

' কার মাথায় হাত বুলিয়েছ' ----এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ ------

স্বভাব নষ্ট করা

স্পর্ধা বাড়া

ফাঁকি দেওয়া

কোনো উপায়ে

Description (বিবরণ) : একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে 'মাথা' শব্দটি আরো কিছু ব্যবহার হলো - অঙ্গবিশেষ -তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান -ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা- রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও , চিঠি দিতে ভুল করো না। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া - ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।

শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?

পথের দাবী

নিষ্কৃতি

চরিত্রহীন

দত্তা

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি রাজনৈতিক উপন্যাস ' পথের দাবী' বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগ ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় । তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪) ,বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬) ,দেবদাস (১৯১৭) চরিত্রহীন (১৯১৭) , শ্রীকান্ত (১ম পর্ব-১৯৩৩) ,দত্তা (১৯১৮) , গৃহদাহ (১৯২০) ,দেনাপাওনা (১৯২৩) ,শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ,বিপ্রদাস (১৯৩৫) নিস্কৃতি ইত্যাদি।

কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?

আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে

ভবিষ্যতের বাঙালি

উন্নত জীবন

সভ্যতা

Description (বিবরণ) : বিশিষ্ট সাহিত্যিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০-১৯৫১ খ্রি) রচিত 'ভবিষ্যতের বাঙালী' (১৯৪৩) একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ (প্রবন্ধ), গুলদাস্তা (১৯২৭) ,প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) ইত্যাদি।

নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?

কষ্ট

উপনিষৎ

কল্যাণীয়েষু

আষাঢ়

Description (বিবরণ) : ব্যাকরণের যে নিয়মানুযায়ী দন্ত্য-স মূর্ধন্য -ষ তে রুপান্তরিত হয়, সে নিয়মসমূহকে ষত্ব বিধান বলে। যেমন - সু +সম=সুষম ,এখানে 'সম' শব্দটি দন্ত্য-স মূর্ধন্য-ষ তে পরিবর্তিত হয়েছে। আবার সংস্কৃত ভাষায় আদিকাল থেকে কিছু শব্দে মূর্ধন্য-ষ চলে আসছে, এসব শব্দের বানানে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বর্তমান ।

' ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে,' বলেছেন----

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাজী নজরুল ইসলাম

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়

প্রমথ চৌধুরী

Description (বিবরণ) : বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী (১৮৬৮-১৯৪৬ খ্রি) কর্তৃক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পঙক্তি হলো 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।'

' অক্ষির সমীপে' --এর সংক্ষেপণ হলো -----

সমক্ষ

পরোক্ষ

প্রত্যক্ষ

নিরপেক্ষ

Description (বিবরণ) : 'অক্ষির সমীপে' - এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ। অন্যদিকে, 'অক্ষির সম্মুখে' হলো প্রত্যক্ষ, 'অক্ষির আগোচরে' হলো পরোক্ষ এবং 'পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন' হলো নিরপেক্ষ।

উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য ----

অব্যয় ও শব্দাংশ

নতুন শব্দ গঠনে

উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে

ভিন্ন অর্থ প্রকাশে

Description (বিবরণ) : যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) -ই যথার্থ উত্তর।

' তুমি এতক্ষণ কী করেছ?' ---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?

বিশেষণ

অব্যয়

সর্বনাম

ক্রিয়া

Description (বিবরণ) : বিশেষণ হলো যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন- ভালো , ছোট, বড়, পাঁচটি ইত্যাদি। অব্যয় হলো যে পদের কোনো পরিবর্তন নেই। যেমন - এবং, কিংবা ,কিন্তু অথবা ইত্যাদি। সর্বনাম হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে। যেমন - আমি , তুমি, সে, তাকে আমার ইত্যাদি। ক্রিয়া হলো যে পদ দ্বারা কার্য সম্পন্ন হয় । যেমন - করা, খাওয়া, যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'তুমি' ও 'কী' উভয়ই সর্বনাম।

' আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।' ----এই বাক্যে ' আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?

কর্তৃকারকে সপ্তমী

কর্মকারকে সপ্তমী

অপাদান কারকে তৃতীয়া

অধিকরণ কারকে সপ্তমী

Description (বিবরণ) : যে স্থানে বা যে কালে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - নদীতে পানি আছে। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে 'আকাশে' শব্দটি অধিকরণ কারক এবং এখানে 'এ' বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।