কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের ' অগ্নিবীণা' কাব্য নিষিদ্ধ হয়?

বিদ্রোহী

আনন্দময়ীর আগমনে

প্রলয়োল্লাস

রক্তাম্বরধারিনী মা

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের ' অগ্নিবীণা' কাব্য নিষিদ্ধ হয়?

ব্যাখ্যা: বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণাতে প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী এবং রক্তাম্বরধারিণী মা কবিতা তিনটি অন্তর্ভুক্ত। ধূমকেতুর ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯২২ সংখ্যায় নজরুলের রাজনৈতিক কবিতা 'আনন্দময়ীর আগমনে' প্রকাশ হলে ৮ নভেম্বর পত্রিকার ঐ সংখ্যা নিষিদ্ধ করা হয় এবং কবিতা রচনার জন্য ব্রিটিশ সরকার ঐ সংখ্যা নিষিদ্ধ করা হয় এবং কবিতা রচনার জন্য ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ১ বছর কারাদণ্ড দণ্ডিত হন। উল্লেখ্য, অনেকে লিখে থাকেন 'অগ্নিবীণা' ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। এ তথ্য সত্য নয়। গ্রন্থটি কোনোদিন নিষিদ্ধ হয়নি।


Related Question

'মৃন্ময়ী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন ছোটগল্পের নায়িকা?

সমাপ্তি

দেনা-পাওনা

পোস্ট-মাস্টার

মধ্যবর্তিনী

Description (বিবরণ) : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের নায়িকা 'মৃন্ময়ী' এবং নায়ক' অপূর্বকৃষ্ণ ' । অন্যদিকে তার 'দেনাপাওনা' ছোটগল্পের নায়িকা 'নিরু' পোস্টমাস্টার' গল্পের বালিকা চরিত্র 'রতন' এবং 'মধ্যবর্তিনী ' গল্পের নায়িকা 'হরসুন্দরী' ও 'শৈলবালা' এবং নায়ক 'নিবারণ'।

' উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?

শওকত ওসমান

জহির রায়হান

শহীদুল্লাহ কায়সার

রশীদ করিম

Description (বিবরণ) : রশীদ করিমের একটি অন্যতম উপন্যাস হলো 'উত্তম পুরুষ' । ১৯৬১ সালে প্রকাশিত এ উপন্যাসটি নগরজীবনের বৈশিষ্ট্য অবলম্বনে রচিত। তার অন্যান্য উল্লেখ্যযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে। প্রসন্ন পাষাণ (১৯৬৩) , আমার যত গ্লানি (১৯৭৩) , মায়ের কাছে যাচ্ছি- ইত্যাদি। শওকত ওসমান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - জননী (১৯৬৮) ,ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২) , জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭১) ইত্যাদি। জহির রায়হান রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস- হাজার বছর ধরে (১৯৬৪), আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮) , বরফ গলা নদী (১৯৬৯) ইত্যাদি। শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - সারেং বউ (১৯৬২) ও সংশপ্তক (১৯৬৫)।

' কাশবনের কন্যা' কোন জাতীয় রচনা?

নাটক

উপন্যাস

কাব্য

ছোটগল্প

Description (বিবরণ) : ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত অন্যতম উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' । এটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত (গ্রন্থাকারে) উপন্যাসটিতে বরিশাল অঞ্চলের মুখের ভাষা ও জীবনবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

কোনটি মুহম্মদ এনামুল হকের রচনা?

ভাষার ইতিবৃত্ত

আধুনিক ভাষাতত্ত্ব

মনীষা মঞ্জুষা

বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান

Description (বিবরণ) : 'মনীষা মঞ্জুষা' বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২)খ্রি রচিত এক সংকলন গ্রন্থ। দু খণ্ডের এ গ্রন্থের প্রথম খণ্ড ১৯৭৫ সালে এবং দ্বিতীয় খন্ড ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়। 'আধুনিক ভাষাতত্ত্ব 'গবেষণা গ্রন্থটি রচনা করেন আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ । 'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। উল্লেখ্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত আরেকটি ভাষাতত্ত্ব হলো 'বাংলা ভাষার ইতিবৃ্ত্ত।

বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক কে?

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

দেবেন্দ্রনাথ সেন

মোহিতলাল মজুমদার

Description (বিবরণ) : ইতালীয় সনেটো শব্দটি থেকে সনেট শব্দের উৎপত্তি। Sonnetto শব্দের অর্থ গীতি স্পন্দিত মৃদু ধ্বনি। বাংলা সনেট হলো গীতিকবিতার একটি শাখা । যে কবিতায় কবি হৃদয়ের একটিমাত্র ভাব বা অনুভূতি অখণ্ড থেকে চতুর্দশ অক্ষর ও চতুর্দশ চরণ দ্বারা একটি বিশেষ পদের মধ্য দিয়ে কবিতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ লাভ করে তাকে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট বলে। ইতালীয় রেনেসাঁর সন্ধিক্ষণে চতুর্দশ শতকে কবি পেত্রার্ক (Petrach) সনেটের উদ্ভাবক। বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে বাংলায় সনেট রচনা শুরু করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার হাতেই এসেছে সনেট রচনার যুগান্তর সাফল্য। এ কারণেই তাকে বাংলা সাহিত্যে সনেট রচনার প্রবর্তক বলা হয়। ১৮৬০ সালে তিনি সনেট রচনার পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও ১৮৬৫ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালেই প্রথম বাংলা সনেট রচনা করেন। তার রচিত ১০২ টি সনেটের সমন্বয়ে ১৮৬৬ সালের ১ আগস্ট 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' প্রকাশিত হয়। তিনি বাংলা সনেট ছাড়াও বেশ কয়েকটি ইংরেজি সনেট ও রচনা করেন। পরবর্তী সময়ে বাংলা সনেট রচনায় দেবেন্দ্রনাথ সেন, মোহিতলাল মজুমদার, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ আরো অনেকে সার্থকতার স্বাক্ষর রাখেন।

জসীমউদ্‌দীনের ' কবর' কবিতা কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা

ধূমকেতু

কল্লোল

কালি ও কলম

Description (বিবরণ) : পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের (১৯৩০-১৯৭৬) খ্রি একটি বিখ্যাত কবিতা 'কবর' প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লােল পত্রিকার ১৩৩২ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ সংখ্যায়। কবিতাটি তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' (১৯২৭) তে অন্তর্ভুক্ত হয়। তিনি যখন দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন তখন এ কবিতাটি রচনা করেছিলেন।

' ক্ষীয়মাণ' --এর বিপরীত শব্দ কি?

বৃহৎ

বর্ধিষ্ণু

বর্ধমান

বৃদ্ধিপ্রাপ্ত

Description (বিবরণ) : 'ক্ষীয়মান' শব্দটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে এমন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো বর্ধমান। অন্যদিকে 'বৃহৎ' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ ক্ষুদ্র, 'বর্ধিষ্ণু ' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ ক্ষয়িষ্ণু বা হ্রাসপ্রাপ্ত এবং 'বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হ্রাসপ্রাপ্ত।

' নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার' এক কথায় হবে ----

নিদাঘ

নশ্বর

নষ্টমান

বিনশ্বর

Description (বিবরণ) : 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার'-এর এক কথায় প্রকাশ হবে নশ্বর। নশ্বর-এর অপর অর্থ হলো নাশশীল, অনিত্য বা অস্থায়ী । অন্যদিকে নিদাঘ অর্থ গ্রীষ্মকাল বা উত্তাপ , নষ্টমান অর্থ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যা এবং বিনশ্বর অর্থ বিনাশধর্মী বা অনিত্য।

যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে?

দ্বন্দ্ব সমাস

রূপক সমাস

বহুব্রীহি সমাস

দ্বিগু সমাস

Description (বিবরণ) : যে সমাসে সমাহার অর্থাৎ সমষ্টি অর্থে সংখ্যাবাচক পূর্বপদের সাথে উত্তরপদের সমাস হয় এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন - সে (তিন) তারের সমাহার= সেতার।

কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

তাহার জীবন সংশয়পূর্ন

তাহার জীবন সংশয়ময়

তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ

তাহার জীবন সংশয়ভরা

Description (বিবরণ) : 'সংশয়' শব্দটি একটি বিশেষ্যপদ, যার বিশেষণ হলো 'সংশয়াপূর্ণ' । সংশয়াপূর্ণ শব্দটির অর্থ সন্দেহপূর্ণ বা দ্বিধাপূর্ণ। উপরিউক্ত বাক্যে 'তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ' দ্বারা গভীর অনিশ্চয়তা প্রকাশ করা হয়েছে।