' ক্ষীয়মাণ' --এর বিপরীত শব্দ কি?

বৃহৎ

বর্ধিষ্ণু

বর্ধমান

বৃদ্ধিপ্রাপ্ত

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: ' ক্ষীয়মাণ' --এর বিপরীত শব্দ কি?

ব্যাখ্যা: 'ক্ষীয়মান' শব্দটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে এমন। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো বর্ধমান। অন্যদিকে 'বৃহৎ' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ ক্ষুদ্র, 'বর্ধিষ্ণু ' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ ক্ষয়িষ্ণু বা হ্রাসপ্রাপ্ত এবং 'বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ' শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হ্রাসপ্রাপ্ত।


Related Question

' নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার' এক কথায় হবে ----

নিদাঘ

নশ্বর

নষ্টমান

বিনশ্বর

Description (বিবরণ) : 'নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার'-এর এক কথায় প্রকাশ হবে নশ্বর। নশ্বর-এর অপর অর্থ হলো নাশশীল, অনিত্য বা অস্থায়ী । অন্যদিকে নিদাঘ অর্থ গ্রীষ্মকাল বা উত্তাপ , নষ্টমান অর্থ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যা এবং বিনশ্বর অর্থ বিনাশধর্মী বা অনিত্য।

যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে?

দ্বন্দ্ব সমাস

রূপক সমাস

বহুব্রীহি সমাস

দ্বিগু সমাস

Description (বিবরণ) : যে সমাসে সমাহার অর্থাৎ সমষ্টি অর্থে সংখ্যাবাচক পূর্বপদের সাথে উত্তরপদের সমাস হয় এবং উত্তরপদের অর্থ প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন - সে (তিন) তারের সমাহার= সেতার।

কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

তাহার জীবন সংশয়পূর্ন

তাহার জীবন সংশয়ময়

তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ

তাহার জীবন সংশয়ভরা

Description (বিবরণ) : 'সংশয়' শব্দটি একটি বিশেষ্যপদ, যার বিশেষণ হলো 'সংশয়াপূর্ণ' । সংশয়াপূর্ণ শব্দটির অর্থ সন্দেহপূর্ণ বা দ্বিধাপূর্ণ। উপরিউক্ত বাক্যে 'তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ' দ্বারা গভীর অনিশ্চয়তা প্রকাশ করা হয়েছে।

'চাঁদমুখ' ---এর ব্যাসবাক্য হলো -----

চাঁদমুখের ন্যায়

চাঁদের মত মুখ

চাঁদ মুখ যার

চাঁদরূপ মুখ

Description (বিবরণ) : সাধারণ গুণের উল্লেখ ব্যতীত উপমেয়র সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়। তাকে বলে উপমিত কর্মধারয় সমাস। 'চাঁদমুখ -এর ব্যাসবাক্য হলো 'মুখ চাঁদের ন্যায়।' এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত।

' সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দিব কোথা' ---এই বাক্যে ' ঔষধ' শব্দ কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?

কর্ম কারকে শূন্য

সম্প্রদানে সপ্তমী

অধিকরণে শূন্য

কর্তৃকারকে শূন্য

Description (বিবরণ) : কর্তা যা করে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে কর্মকারক বলে। যেমন - তুমি বই পড় ; এখানে 'বই' কর্মকারক । যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দান করা হয় তাকে সম্প্রদান কারক বলে। যেমন - দরিদ্রকে ধন দাও । ক্রিয়ার সময়, বিষয় ও স্থানকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন - শিশুরা খেলা করছে। সুতরাং প্রশ্নে 'ঔষধ'কর্মকে কেন্দ্র করে দেয়া ক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ায় 'ঔষধ' শব্দটি কর্মকারক (শূন্য বিভক্তি)।

'যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে' কোন ধরনের বাক্য?

সরল

জটিল

যৌগিক

অনুজ্ঞামূলক

Description (বিবরণ) : দুই বা ততোধিক বাক্য যখন ও , এবং ,আর, কিন্তু, সুতরাং তথাপি ইত্যাদি অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত থাকে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। উল্লেখ্য, যৌগিক বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য থাকে। যেমন - তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি। অতএব উপরিউক্ত বাক্যটি একটি যৌগিক বাক্য।

' সন্ধ্যারাগে ঝিলিমিলি ঝিলমের স্রোতখানি বাঁকা' রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যের কবিতা?

বলাকা

সোনারতরী

চিত্রা

পুনশ্চ

Description (বিবরণ) : প্রদত্ত পংক্তিটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১ খ্রি) 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থের 'বলাকা' নামক কবিতার প্রথম পঙক্তি। বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে।

বাংলা ছন্দ কত রকমের?

এক রকমের

দুই রকমের

তিন রকমের

চার রকমের

Description (বিবরণ) : বাক্য পরম্পরায় ভাষাগত ধ্বনি প্রবাহের সুসামঞ্জস্য, সঙ্গীত-মধুর ও তরঙ্গ -ঝঙ্কৃত ভঙ্গি রচনা করা হয় যে পরিমিত পদবিন্যাস রীতিতে তাকেই বলে ছন্দ। বাংলাছন্দকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয় -মাত্রাবৃত্ত ছন্দ (Moric Metre) , স্বরবৃত্ত ছন্দ ( Stressed Maetre) এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ ( Mixed or composite Meter)।

কোনটি শুদ্ধ বানান?

দন্দ

দ্বন্দ

দ্বন্দ্ব

দনব

Description (বিবরণ) : 'দ্বন্দ্ব' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ ঝগড়া, বিবাদ, যুদ্ধ ইত্যাদি। শব্দটির বিশ্লেষণকৃত রুপ হলো - দ্বি+দ্বি।

' অমিত্রাক্ষর' ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো ----

অন্ত্যমিল আছে

অন্ত্যমিল নেই

চরণের প্রথমে মিল থাকে

বিশ মাত্রার পর্ব থাকে

Description (বিবরণ) : 'অমিত্রাক্ষর ছন্দ' হলো অন্ত্যমিলনহীন এবং যতির বাধাধরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী ছন্দবিশেষ। এর ইংরেজি পরিভাষা Blank verse । অমিত্রাক্ষরে ভাবের প্রবহমানতা নেই এবং ১৪ মাত্রার চরণ থাকে এবং চরণ শেষে অন্ত্যমিল থাকে না।