‘এই বনে (বাঘের) ভয় নাই’ বাক্যে কোটেশন শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

অপাদানে ষষ্ঠী

কর্মে ষষ্ঠী

কর্তায় সপ্তমী

করণে সপ্তমী

Description (বিবরণ) :

প্রশ্ন: ‘এই বনে (বাঘের) ভয় নাই’ বাক্যে কোটেশন শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

ব্যাখ্যা:

ভাষাবিজ্ঞানের পরিভাষায় অপাদান কারক (ইংরেজিAblative case) বলতে এমন একটি উপায় বোঝায়, যার সাহায্যে বাক্যস্থিত কোন শব্দের রূপ পরিবর্তন করে বা অন্য কোন উপায়ে শব্দটির সাথে বাক্যের অন্যান্য অংশের সাথে বিশেষ এক ধরনের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, উৎপন্ন, দূরীভূত ও রক্ষিত হয় এবং যা দেখে কেউ ভীত হয়, তাকেই অপাদান কারক বলে।  অপাদান কারক মূলত বিশেষ্য পদ এবং এর সাথে সম্পর্কিত পদ যেমন বিশেষণ বা সর্বনামের উপর প্রযুক্ত হয়।


Related Question

‘আমি (বই) পড়ি’ বাক্যে কটেশন শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

কর্তায় শন্য

অধিকরণে দ্বিতীয়া

কর্মে প্রথমা

অপাদানে পঞ্চমী

Description (বিবরণ) :

যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।

কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।

সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।

‘সপ্তর্ষি’ শব্দটি কোন সমাস?

দ্বিগু সমাস

বহুব্রীহি সমাস

তৎপুরুষ সমাস

দ্বন্দ্ব সমাস

Description (বিবরণ) :

সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।

তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধার‍য় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বৈয়াকরণ পাণিনি তাঁর 'অষ্টাধ্যায়ী' ব্যাকরণে দ্বিগু সমাসকে অর্থ ও পদ সন্নিবেশের ভিত্তিতে তিন ভাগে ভাগ করেছেন। দ্বিগু সমাসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- i) তদ্বিতার্থক দ্বিগু ii) সমাহার দ্বিগু

’কিরণ’- এর সমার্থক শব্দ নয়-

রবি

রশ্মি

প্রভা

কর

Description (বিবরণ) :

রবি - [বিশেষ্য পদ] সূর্য, ভাস্কর, দিবাকর, ভানু, আদিত্য।

‘উগ্র’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-

মেজাজ

সৌম্য

বিজ্ঞ

আলো

Description (বিবরণ) :

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:

উক্ত

অনুক্ত

উত্তরায়ণ

দক্ষিণায়ন

উন্নত

অবনত

উগ্র

সৌম্য

উত্তাপ

শৈত্য

উন্নতি

অবনতি

উচ্চ

নীচ

উত্তীর্ণ

অনুত্তীর্ণ

উন্নীত

অবনমিত

উজান

ভাটি

উত্থান

পতন

উন্নয়ন

অবনমন

উঠতি

পড়তি

উত্থিত

পতিত

উন্মুখ

বিমুখ

উঠন্ত

পড়ন্ত

উদয়

অস্ত

উন্মীলন

নিমীলন

উৎকৃষ্ট

নিকৃষ্ট

উদ্ধত

বিনীত/ নম্র

উপকর্ষ

অপকর্ষ

উৎকর্ষ

অপকর্ষ

উদ্বৃত্ত

ঘাটতি

উপচয়

অপচয়

উৎরাই

চড়াই

উদ্যত

বিরত

উপকারী

অপকারী

উত্তম

অধম

উদ্যম

বিরাম

উপকারিতা

অপকারিতা

উত্তমর্ণ

অধমর্ণ

উর্বর

ঊষর

উপচিকীর্ষা

অপচিকীর্ষা

উত্তর

দক্ষিণ

উষ্ণ

শীতল

 

 

 

‘উন্নয়ন’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ-

উৎ+নয়ন

উন্ন+য়ন

উৎ+য়ন

উৎ+অন

Description (বিবরণ) :

নাসিক্য ধ্বনির পরে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি আসলে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনিটি নিজ বর্গের ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি বা নাসিক্য ধ্বনি হয়ে যায়।

অর্থাৎ, ঙ, ঞ, ণ, ন, ম- এদের পরে ক, চ, ট, ত, প থাকলে ক, চ, ট, ত, প যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব অথবা ঙ, ঞ, ণ, ন, ম হয়ে যায়।
অর্থাৎ, বর্গের পঞ্চম/ শেষ ধ্বনির পরে বর্গের প্রথম ধ্বনি আসলে বর্গের প্রথম ধ্বনি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বা পঞ্চম/ শেষ ধ্বনি হয়ে যায়।

 

ক+ন = গ/ঙ+ন

দিক+নির্ণয় = দিগনির্ণয়/ দিঙনির্ণয়

 

 

ক+ম = গ/ঙ+ম

বাক+ময় = বাঙময়

 

 

ত+ন = দ/ন+ন

জগৎ+নাথ = জগন্নাথ

উৎ+নয়ন = উন্নয়ন

উৎ+নীত = উন্নীত

ত+ম = দ/ন+ম

তৎ+মধ্যে = তদমধ্যে/ তন্মধ্যে

মৃৎ+ময় = মৃন্ময়

তৎ+ময় = তন্ময়

চিৎ+ময় = চিন্ময়

 

উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়েই ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির চেয়ে নাসিক্য ধ্বনিই অধিক প্রচলিত।