প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের নির্দেশে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল এম এ জি ওসমানী সুষ্ঠুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র যুদ্ধ ক্ষেত্রকে ১১টি সেক্টরে(২৯,২৩,২২,২০,১৯,১৫বিসিএস) এবং ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করেন। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্ব একজন সেক্টর কমান্ডারের উপর ন্যস্ত ছিল।
| সেক্টর | ১ |
| সাবসেক্টর | ৫টি |
| সদরদপ্তর | শিলং |
অঞ্চল |
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলার মুক্তিযুদ্ধের আওতাধীন নদী পর্যন্ত এলাকা। |
| সেক্টর | ২ |
| সাবসেক্টর | - |
| সদরদপ্তর | মেলাঘর |
| বৈশিষ্ট্য | ক্র্যাক প্লাটুন |
অঞ্চল |
নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা, ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।(১৮বিসিএস) |
| সেক্টর | ৩ |
| সাবসেক্টর | ১০টি |
| সদরদপ্তর | হেজামারা |
| বৈশিষ্ট্য | ১০০০০ গেরিলা ছিলো |
অঞ্চল |
আখাউড়া। ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা। সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ। |
| সেক্টর | ৪ |
| সদরদপ্তর | খোয়াই |
অঞ্চল |
সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল। খোয়াই - শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন পর্যন্ত। খোয়াই - শায়েস্তাগঞ্জের ডাউকি সড়ক পর্যন্ত। |
| সেক্টর | ৫ |
| সদরদপ্তর | শিলং |
অঞ্চল |
সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল। সিলেট- ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ- ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা। আজমেরীগঞ্জ ও লখাইয়ের পশ্চিমাঞ্চল। |
| সেক্টর | ৬ |
| সাবসেক্টর | ৫টি |
| সদরদপ্তর | পাটগ্রাম |
অঞ্চল |
রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)। |
| সেক্টর | ৭ |
| সাবসেক্টর | ৮টি |
| সদরদপ্তর | মুজিবনগর (মেহেরপুর) |
অঞ্চল |
দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা। |
| সেক্টর | ৮ |
| সাবসেক্টর | ৮টি |
অঞ্চল |
কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা। |
| সেক্টর | ৯ |
| সাবসেক্টর | ৩টি |
অঞ্চল |
দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরে ১৭টি জাহাজ ধ্বংস করে। প্রশিক্ষণ নেয় ৩৫৭ জন। |
| রুহুল আমিন |
| সেক্টর | ১০ |
| বৈশিষ্ট্য | প্রধান সেনাপতি বিশেষ বাহিনী |
অঞ্চল |
দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো,(৩৯বিসিএস) সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ। মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিংপ্রাপ্ত নৌ কমান্ডারগণ যখন যে সেক্টরে কাজ করেছেন, তখন সেসব সেক্টর কমান্ডারগণের নির্দেশ মোতাবেক কাজ করেছেন। |
| সেক্টর | ১১ |
| সদরদপ্তর | মহেন্দ্রগঞ্জ |
অঞ্চল |
কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা। |
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
২ নং সেক্টর।
২ নং সেক্টর।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধে সময় বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!