অবস্থান্তর ধাতু ও এদের আয়নে কোনটি থাকার কারণে এরা রঙিন হয়?

Updated: 7 months ago
  • সম্পূর্ণ d-অরবিটাল
  • অসম্পূর্ণ d-অরবিটাল
  • সম্পূর্ণ p-অরবিটাল
  • অসম্পূর্ণ p-অরবিটাল
869
উত্তরঃ

অসম্পূর্ণ d-অরবিটাল

ব্যাখ্যা:

অবস্থান্তর ধাতু এবং এদের আয়ন রঙিন হওয়ার কারণ হলো তাদের d-অরবিটালে ইলেকট্রনের অবস্থান। যখন d-অরবিটাল সম্পূর্ণ থাকে, তখন ইলেকট্রনগুলো একই শক্তির স্তরে থাকে এবং আলো শোষণ করে না। কিন্তু যখন d-অরবিটাল অসম্পূর্ণ থাকে, তখন ইলেকট্রনগুলো বিভিন্ন শক্তির স্তরে থাকে এবং আলো শোষণ করে। আলো শোষণ করার ফলে ইলেকট্রনগুলো উচ্চ শক্তির স্তরে উঠে যায়। যখন ইলেকট্রনগুলো আবার নিম্ন শক্তির স্তরে ফিরে আসে, তখন আলো নির্গত হয়। এই আলোর রঙ নির্ভর করে ইলেকট্রনগুলো যে শক্তির স্তর থেকে কোন শক্তির স্তরে লাফিয়েছে তার উপর।

উদাহরণ:

  • Cu2+ আয়নে একটি অসম্পূর্ণ d-অরবিটাল থাকে। এই আয়নটি নীল রঙের আলো শোষণ করে এবং হলুদ রঙের আলো নির্গত করে।
  • Fe3+ আয়নে দুটি অসম্পূর্ণ d-অরবিটাল থাকে। এই আয়নটি বাদামী রঙের আলো শোষণ করে এবং হলুদ রঙের আলো নির্গত করে।
Sakib Uddin Rony
Sakib Uddin Rony
2 years ago

প্রশ্ন-১. তড়িৎ রসায়ন কি?

উত্তর : তড়িৎ রসায়ন হলো রসায়নের একটি শাখা, যেখানে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থের তড়িৎ পরিবাহী ধর্ম, তড়িৎ পরিবাহিতার প্রকারভেদ, তড়িৎ বিশ্লেষণ ও এর কার্যনীতি এবং এর সাথে জড়িত বিষয়গুলো পর্যালোচনা ও ব্যবহারিক প্রয়োগসমূহ আলোচনা করা হয়।

 

প্রশ্ন-২. গ্রাফাইট কী ধরনের পরিবাহী?

উত্তর : সুপরিবাহী।

প্রশ্ন-৩. কাচ, রাবার, পেট্রোল, চিনি কী ধরনের পরিবাহী?

উত্তর : অপরিবাহী।

প্রশ্ন-৪. লবণ সেতু ব্যবহারের উদ্দেশ্য কি?

উত্তর : তড়িৎ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।

প্রশ্ন-৫. উভমুখী তড়িৎদ্বার কয় ধরনের?

উত্তর : তিন ধরনের।

প্রশ্ন-৬. ভোল্টায়িক সেল কত সালে সর্বপ্রথম আবিষ্কার করা হয়?

উত্তর : ১৮০০ সালে সর্বপ্রথম ভোল্টায়িক সেল আবিষ্কার করা হয়।

প্রশ্ন-৭. তড়িৎ রাসায়নিক কোষ কাকে বলে?

উত্তর : যে তড়িৎ কোষে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিকে রূপান্তরিত হয়, তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। যেমন- ডেনিয়েল কোষ।

প্রশ্ন-৮. সেকেন্ডারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার কাকে বলে?

উত্তর : যে তড়িৎদ্বারের বিভব সরাসরি নির্ণয় করা যায় না, প্রাইমারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার ব্যবহার করে নির্ণয় করা হয় তাকে সেকেন্ডারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার বলে। যেমন– ক্যালোমোল ইলেকট্রোড।

প্রশ্ন-৯. প্রাইমারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার কাকে বলে?

উত্তর : যে তড়িৎদ্বারের বিভব সরাসরি নির্ণয় করা যায় তাকে প্রাইমারি নির্দেশক তড়িৎদ্বার বলে। যেমনঃ প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বার।

প্রশ্ন-১০. তড়িৎ বিশ্লেষণ কী?

উত্তর : বিগলিত বা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় সে যৌগের বিয়োজন বা রাসায়নিক পরিবর্তনকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলা হয়।

প্রশ্ন-১১. তড়িৎ রাসায়নিক তুল্যাঙ্ক কাকে বলে?

উত্তর : কোন তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে এক কুলম্ব বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে বা এক অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ এক সেকেন্ড যাবৎ প্রবাহিত করলে তড়িৎদ্বারে যে পরিমাণ জমা হবে বা দ্রবীভূত হবে তাকে তড়িৎ রাসায়নিক তুল্যাঙ্ক বলে।

প্রশ্ন-১২. তড়িৎ বিশ্লেষ্য কি?

উত্তর : যে সব যৌগ বিগলিত বা পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে এবং সেই সাথে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলা হয়।

প্রশ্ন-১৩. তড়িৎ পরিবাহী কাকে বলে?

উত্তর : যে সমস্ত পদার্থের মধ্যদিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে তড়িৎ পরিবাহী বলে।

প্রশ্ন-১৪. ফুয়েল সেল কী?

উত্তর : রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ তৈরির যান্ত্রিক কৌশলকে জ্বালানি বা ফুয়েল সেল বলে।

প্রশ্ন-১৫. কোষের তড়িচ্চালক বল কী?

উত্তর : তড়িৎ রাসায়নিক কোষের বর্তনী খোলা থাকা অবস্থায় তড়িৎদ্বার দুটির মধ্যে যে বিভব পার্থক্য হয়, তাকে কোষের তড়িচ্চালক বল (EMF) বলে। EMF এর একক ভোল্ট।

প্রশ্ন-১৬. জারণ অর্ধ বিক্রিয়া কাকে বলে?

উত্তর : জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার যে অংশে জারণ বিক্রিয়া ঘটে, তাকে জারণ অর্ধ বিক্রিয়া বলে।

প্রশ্ন-১৭. বিজারণ অর্ধ বিক্রিয়া কাকে বলে?

উত্তর : জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার যে অংশে বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে, তাকে জারণ অর্ধ বিক্রিয়া বলে।

প্রশ্ন-১৮. ফ্যারাডের ১ম সূত্র কি?

উত্তর : তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে কোন তড়িৎদ্বারে সংঘটিত রাসায়নিক বিক্রিয়ার পরিমাণ তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মোট তড়িতের সমানুপাতিক।

প্রশ্ন-১৯. করোসান কি?

উত্তর : করোসান হলো ধাতুর সঙ্গে পরিবেশে উপস্থিত বস্তুসমূহের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ধাতুর ক্ষয় হওয়ার প্রক্রিয়া।

কোটিং কাকে বলে?

উত্তর : কোন বস্তুকে পরিবেশ থেকে রক্ষা, তার গুণাগুণ ও সৌন্দর্য এবং স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য, পণ্য তলে যে পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়, তাকে আস্তরণ বা কোটিং (Coating) বলে। যেমন- রং এর কোটিং।

প্লেটিং কাকে বলে?

উত্তর : কোন ধাতব পদার্থের পণ্যকে পরিবেশ থেকে রক্ষা, দীর্ঘ স্থায়িত্ব , ক্রেতার আকর্ষণ বৃদ্ধিসহ অন্যান্য গুণাবলি বৃদ্ধি ও অর্জনের লক্ষ্যে অন্য কোন ধাতব পদার্থের সাহায্যে পণ্য পৃষ্ঠে যে প্রলেপ বা আস্তরণ দেয়া হয়, তাকে প্লেটিং (Plating) বলে।

Related Question

View All
Updated: 8 months ago
  • -0.42V
  • – 1.20 V
  • +0.42 V
  • +1.20 V
349
Updated: 10 months ago
  • + 0.42 V
  • + 1.10 V
  • + 0.42 V
  • 1.0 V
335
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই