ওরে পাপাত্মা এজিদ' হোসেনের এ উক্তিতে যে মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে তা হলো- 

i. ক্ষোভ 

ii. রাগ 

iii. অহংকার 

নিচের কোনটি সঠিক?

Updated: 1 year ago
  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i ii ও iii
437
ব্যাখ্যাঃ

উক্তিটি হলো 'ওরে পাপাত্মা এজিদ'। এখানে 'পাপাত্মা' শব্দটি দ্বারা এজিদের অপকর্ম, অন্যায় ও নিষ্ঠুরতার প্রতি ঘৃণা এবং তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। হোসেনের এই উক্তিটি এজিদের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তার গভীর মানসিক যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ।

        
  • ক্ষোভ (i): ক্ষোভ হলো কোনো অন্যায় বা অবিচারের ফলে সৃষ্ট গভীর অসন্তোষ ও বিরক্তি। এজিদের কার্যকলাপ হোসেনের মনে যে তীব্র যন্ত্রণা ও অবিচারের অনুভূতি সৃষ্টি করেছিল, তা এই উক্তির 'ক্ষোভ' হিসেবে প্রকাশ পায়।
  •     
  • রাগ (ii): রাগ হলো তীব্র অসন্তোষের প্রকাশ যা প্রায়শই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে হয়। 'পাপাত্মা' শব্দটি ব্যবহার করে সরাসরি এজিদকে সম্বোধন করার মাধ্যমে হোসেনের তীব্র রাগ বা ক্রোধের প্রকাশ ঘটে। ক্ষোভ ও রাগ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত এবং প্রায়শই একইসাথে প্রকাশ পায়।
  •     
  • অহংকার (iii): অহংকার হলো নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবা বা অতিরিক্ত আত্মগরিমা। আলোচ্য উক্তিতে অহংকারের কোনো প্রকাশ ঘটেনি। বরং এটি এজিদের প্রতি ঘৃণা, ক্ষোভ এবং তীব্র রাগের বহিঃপ্রকাশ।

সুতরাং, 'ওরে পাপাত্মা এজিদ' উক্তিতে হোসেনের মনে যে মানসিকতার প্রকাশ ঘটেছে তা হলো ক্ষোভ ও রাগ।

Satt AI
Satt AI
2 months ago

“কারবালা-প্রান্তর” গদ্যাংশটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসের একটি অংশ। এখানে দেখা যাচ্ছে, ফোরাত নদীর উপকূলে কারবালার প্রান্তরে এজিদ-বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন হোসেন। তিনি নবি হযরত মোহাম্মদের (সা.) কন্যা হযরত ফাতিমা (রা.) ও জামাতা হযরত আলির (রা.) পুত্র। ক্ষমতালোভী এজিদ ষড়যন্ত্র করে হোসেনের ভাই হাসান, হাসানের পুত্র কাসেমসহ পরিবারের অনেক সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। ‘কারবালা-প্রান্তরে' দেখা যাচ্ছে হোসেন নিজেই যুদ্ধে নেমেছেন। যুদ্ধে এজিদ নিজে অনুপস্থিত দেখে হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। কারণ এজিদ পাঠিয়েছে নিরীহ সৈনিকদের। তবু যুদ্ধের প্রয়োজনে প্রচণ্ড লড়াই করে তিনি পরাজিত করলেন এজিদ-পক্ষের সেনাদের। এক সময় তৃষ্ণার্ত হয়ে ফোরাত নদীর পানি পান করতে গেলেন। তাঁর মনে পড়ল পানির অভাবে মৃত্যুবরণ করা পরিবার-স্বজনদের কথা। হোসেন আঁজলা তুলে নেয়া পানি ফেলে দিলেন। মগ্ন হয়ে ভাবছিলেন হারানো স্বজনদের কথা। সে সময় লুকিয়ে থাকা শত্রুরা তাঁকে আঘাত করল। সীমারের ছুঁড়ে দেয়া বিষাক্ত তিরে বিদ্ধ হলেন তিনি। গভীর যন্ত্রণায় কাতর হলেন। হোসেনের হাতে তখন কোনো অস্ত্র নেই। সে সুযোগে সীমার তাঁর গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করল । কিন্তু বারবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো । কেননা হযরত মোহাম্মদ (সা.) ছোট হোসেনকে আদর করে গলায় চুমু খেতেন । হোসেন সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে সীমারকে তাঁর পিঠের ওপর বসে ছুরি চালাতে বললেন। সীমারকে আশ্বাস দিলেন । মৃত্যুর পর সীমারকে না নিয়ে স্বর্গে যাবেন না। সীমার তা-ই করল । মর্মান্তিকভাবে শহিদ হলেন হোসেন। গল্পের এ অংশে প্রকাশিত হয়েছে হোসেনের বীরত্ব, স্বজনদের প্রতি ভালোবাসা, যুদ্ধনীতি ও আত্মত্যাগ ।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই