কারমাইকেলের অনুসন্ধানে রেশমি রুমাল তৈরির ক্ষেত্র হিসেবে কোন এলাকা আবিষ্কৃত হয়েছে?

Updated: 7 months ago
  • বীরভূম
  • B. বর্ধমান
  • রাজশাহী
  • মুর্শিদাবাদ
588
ব্যাখ্যাঃ

স্যার ফ্রান্সিস কারমাইকেল তাঁর অনুসন্ধানে রেশমি রুমাল তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে মুর্শিদাবাদকে আবিষ্কার করেন। ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার বস্ত্রশিল্প, বিশেষত রেশম শিল্প অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিল। মুর্শিদাবাদ ছিল সেই সময় রেশম উৎপাদন ও বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এখানকার উৎপাদিত রেশমি পণ্য ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি হতো। কারমাইকেলের অনুসন্ধান সেই ঐতিহাসিক গুরুত্বকেই তুলে ধরেছে।

        
  • মুর্শিদাবাদ: এটি বাংলার ইতিহাসে রেশম বস্ত্র শিল্পের জন্য সুপরিচিত। রেশমি রুমাল, শাড়ি ও অন্যান্য বস্ত্র উৎপাদনে এর দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে।
  •     
  • বীরভূম: যদিও বীরভূম একসময় তাঁত শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল, তবে রেশমি রুমালের নির্দিষ্ট উৎপাদন ক্ষেত্র হিসেবে কারমাইকেলের অনুসন্ধানে মুর্শিদাবাদের মতো প্রাধান্য পায়নি।
  •     
  • বর্ধমান: বর্ধমান বিভিন্ন কৃষি ও শিল্প পণ্যের জন্য পরিচিত হলেও, রেশমি রুমাল তৈরির প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব কম।
  •     
  • রাজশাহী: বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলও রেশমের জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে 'রাজশাহী সিল্ক'। তবে কারমাইকেলের সময়কালের প্রেক্ষাপটে এবং তৎকালীন প্রশাসনিক বিভাজনে, উল্লেখিত অনুসন্ধানের মূল কেন্দ্র হিসেবে মুর্শিদাবাদের নামই বিশেষভাবে উঠে আসে।
Satt AI
Satt AI
10 hours ago

১। যশের জন্য লিখিবেন না। তাহা হইলে যশও হইবে না, লেখাও ভালো হইবে না। লেখা ভালো হইলে যশ আপনি আসিবে।
২। টাকার জন্য লিখিবেন না। ইউরোপে এখন অনেক লোক টাকার জন্যই লেখে এবং টাকাও পায়; লেখাও ভালো হয়। কিন্তু আমাদের এখনও সে দিন হয় নাই। এখন অর্থের উদ্দেশ্যে লিখিতে গেলে, লোকরঞ্জন-প্রবৃত্তি প্রবল হইয়া পড়ে। এখন আমাদিগের দেশের সাধারণ পাঠকের রুচি ও শিক্ষা বিবেচনা করিয়া লোকরঞ্জন করিতে গেলে রচনা বিকৃত ও অনিষ্টকর হইয়া উঠে ।
৩। যদি মনে এমন বুঝিতে পারেন যে, লিখিয়া দেশের বা মনুষ্যজাতির কিছু মঙ্গল সাধন করিতে পারেন অথবা সৌন্দর্য সৃষ্টি করিতে পারেন, তবে অবশ্য লিখিবেন। যাঁহারা অন্য উদ্দেশ্যে লেখেন, তাঁহাদিগকে যাত্রাওয়ালা প্রভৃতি নীচ ব্যবসায়ীদিগের সঙ্গে গণ্য করা যাইতে পারে।
৪। যাহা অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ; পরনিন্দা বা পরপীড়ন বা স্বার্থসাধন যাহার উদ্দেশ্য, সে সকল প্রবন্ধ কখনও হিতকর হইতে পারে না, সুতরাং তাহা একেবারে পরিহার্য। সত্য ও ধর্মই সাহিত্যের উদ্দেশ্য । অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী-ধারণ মহাপাপ ।
৫। যাহা লিখিবেন, তাহা হঠাৎ ছাপাইবেন না। কিছু কাল ফেলিয়া রাখিবেন। কিছু কাল পরে উহা সংশোধন করিবেন। তাহা হইলে দেখিবেন, প্রবন্ধে অনেক দোষ আছে। কাব্য নাটক উপন্যাস দুই এক বৎসর ফেলিয়া
রাখিয়া তারপর সংশোধন করিলে বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে। যাঁহারা সাময়িক সাহিত্যের কার্যে ব্রতী, তাঁহাদের পক্ষে এই নিয়ম রক্ষাটি ঘটিয়া উঠে না। এজন্য সাময়িক সাহিত্য, লেখকের পক্ষে অবনতিকর।
৬। যে বিষয়ে যাহার অধিকার নাই, সে বিষয়ে তাহার হস্তক্ষেপ অকর্তব্য। এটি সোজা কথা কিন্তু সাময়িক সাহিত্যতে এ নিয়মটি রক্ষিত হয় না। ৭ । বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করিবেন না। বিদ্যা থাকিলে, তাহা আপনিই প্রকাশ পায়, চেষ্টা করিতে হয় না। বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা পাঠকের অতিশয় বিরক্তিকর এবং রচনার পরিপাট্যের বিশেষ হানিজনক। এখনকার প্রবন্ধে
ইংরাজি, সংস্কৃত, ফরাসি, জার্মান কোটেশন বড় বেশি দেখিতে পাই। যে ভাষা আপনি জানেন না, পরের গ্রন্থের
সাহায্যে সে ভাষা হইতে কদাচ উদ্ধৃত করিবেন না ।
৮। অলংকার-প্রয়োগ বা রসিকতার জন্য চেষ্টিত হইবেন না। স্থানে স্থানে অলংকার বা ব্যঙ্গের প্রয়োজন হয় বটে; লেখকের ভাণ্ডারে এ সামগ্রী থাকিলে, প্রয়োজন মতে আপনিই আসিয়া পৌঁছিবে- ভাণ্ডারে না থাকিলে মাথা কুটিলেও আসিবে না। অসময়ে বা শূন্য ভাণ্ডারে অলংকার প্রয়োগের বা রসিকতার চেষ্টার মতো কদর্য আর কিছুই নাই ৷
৯। যে স্থানে অলংকার বা ব্যঙ্গ বড় সুন্দর বলিয়া বোধ হইবে, সেই স্থানটি কাটিয়া দিবে, এটি প্রাচীন বিধি। আমি সে কথা বলি না। কিন্তু আমার পরামর্শ এই যে, সে স্থানটি বন্ধুবর্গকে পুনঃ পুনঃ পড়িয়া শুনাইবে। যদি ভালো না হইয়া থাকে, তবে দুই চারি বার পড়িলে লেখকের নিজেরই আর উহা ভালো লাগিবে না-বন্ধুবর্গের নিকট পড়িতে লজ্জা করিবে। তখন উহা কাটিয়া দিবে।
১০। সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার সরলতা। যিনি সোজা কথায় আপনার মনের ভাব সহজে পাঠককে বুঝাইতে পারেন, তিনিই শ্রেষ্ঠ লেখক। কেন না লেখার উদ্দেশ্য পাঠককে বুঝানো ।
১১। কাহারও অনুকরণ করিও না । অনুকরণে দোষগুলি অনুকৃত হয়, গুণগুলি হয় না। অমুক ইংরাজি বা সংস্কৃত বা বাঙ্গালা লেখক এইরূপ লিখিয়াছেন, আমিও এরূপ লিখিব, এ কথা কদাপি মনে স্থান দিও না ।
১২। যে কথার প্রমাণ দিতে পারিবে না, তাহা লিখিও না। প্রমাণগুলি সংযুক্ত করা সকল সময়ে প্রয়োজন হয় না, কিন্তু হাতে থাকা চাই ।
১৩। বাঙ্গালা সাহিত্য, বাঙ্গালার ভরসা। এই নিয়মগুলি বাঙ্গালার লেখকদিগের দ্বারা রক্ষিত হইলে, বাঙ্গালা সাহিত্যের উন্নতি বেগে হইতে থাকিবে।

Related Question

View All
  • আসামি : মোকদ্দমা : ফরিয়াাদি
  • ফরিয়াদি : আসামি : মোকদ্দমা
  • সাক্ষী : ফরিয়াদি : মোকদ্দমা
  • ফরিয়াদি : সাক্ষী : আসামি
84
  • ফারসি
  • তুর্কি
  • পর্তুগিজ
  • ফরাসি
131
Updated: 5 months ago
  • বাদি : বিবাদি : জামিন
  • জামিন : বাদি : বিবাদি
  • বিবাদি : জামিন : বাদি
  • বিবাদি : বাদি : জামিন
198
Updated: 4 months ago
  • গোয়ালঘর, সংস্কৃত
  • গোশালা, তুর্কি
  • গোচারণক্ষেত্র, সংস্কৃত
  • গোয়ালঘর, মারাঠি
73
  • স্বার্থতাড়িত লেখা পরিহার বাঞ্ছনীয়
  • বিদ্যা জাহিরের প্রবণতা নিন্দনীয়
  • অনুকরণবৃত্তি দূষণীয়
  • অনুকরণবৃত্তি দূষণীয় নীতি-নৈতিকতা বিরোধী লেখা বর্জনীয়
182
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই