কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ?
কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ?
-
ক
রেডিয়াম
-
খ
ম্যাঙ্গানিজ
-
গ
জিংক
-
ঘ
ক্লোরিন
তেজস্ক্রিয় পদার্থ হলো এমন মৌল যাদের পরমাণুর নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলফা, বিটা বা গামা রশ্মি বিকিরণ করে। প্রধান তেজস্ক্রিয় পদার্থগুলো হলো ইউরেনিয়াম (U), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), প্লুটোনিয়াম (Pu), পোলোনিয়াম (Po), রেডন (Rn) এবং অ্যাক্টিনিয়াম (Ac) । এগুলো সাধারণত ৮২-এর বেশি পারমাণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট ভারী মৌল ।
তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity)
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। যে সকল মৌল হতে তেজষ্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়, তাকে তেজস্ক্রিয় মৌল বলে। যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি, সাধারণত সে সকল মৌল তেজস্ক্রিয় হয়। যেমন: ইউরেনিয়াম, প্লুটোনিয়াম, নেপচুনিয়াম, রেডিয়াম, রেডন, থোরিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। আন্তর্জাতিক (SI) পদ্ধতিতে তেজস্ক্রিয়তার একক পরিমাপের একক বেকেরেল (Bq)। হেরি বেকরেল ১৯০৩ সালে তেজষ্ক্রিয়তা আবিষ্কারের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (Radioactive Isotopes)
অস্থিত আইসোটোপগুলো স্বতঃস্ফুর্তভাবে বিভিন্ন ধরনের রশ্মি বিকিরণ করে নিজের নিউক্লিয়াসে পরিবর্তন এনে অন্য মৌলের স্থিত আইসোটোপে পরিণত হয়, এই ধরনের আইসোটোপ গুলোকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে। যেমন; Carbon-14, ইউরেনিয়াম-২৩৬, আয়োডিন-১৩০ ইত্যাদি রেডিও আইসোটোপ। Carbon-14 এর অর্ধায়ু ৫৭৩০ বছর। গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। রেডিও আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা রশ্মি টিউমার, ক্যান্সার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি (Alfa, Beta and Gamma rays)
আলফা (): এটি একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস বা দ্বি-আয়নিত হিলিয়াম পরমাণু। আলফা রশ্মি ধনাত্মক আধানযুক্ত। এই রশ্মি চৌম্বক ও তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।
বিটা (): এই রশ্মি অতি উচ্চ দ্রুতি সম্পন্ন ইলেকট্রনের প্রবাহ। বিটা রশ্মির ঋণাত্মক আধানযুক্ত। এই রশ্মি চৌম্বক ও তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
গামা (): গামা রশ্মি অত্যন্ত ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর কোনো চার্জ বা ভর নেই এবং ইহা চৌম্বক ক্ষে দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। এটি জীবজগতের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকারক। তবে টিউমার, ক্যান্সার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় এ রশ্মি ব্যবহার করা হয়। ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো -আইসোটোপ।
Related Question
View All-
ক
এম.আর.আই
-
খ
এনজিওগ্রাফি
-
গ
কেমোথেরাপি
-
ঘ
আল্ট্রাসনোগ্রাফি
-
ক
আলফা
-
খ
বিটা
-
গ
গামা
-
ঘ
আল্ট্রাভায়োলেট
-
ক
এক্সয়ে
-
খ
লেন্সের ক্ষমতা
-
গ
তেজস্ক্রিয়তা
-
ঘ
দীপন ক্ষমতা
-
ক
আলফা রশ্মি
-
খ
বিটা রশ্মি
-
গ
গামা রশ্মি
-
ঘ
আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি
-
ক
আলফা রশ্মি
-
খ
বিটা বশ্বি
-
গ
গামা রশ্মি
-
ঘ
আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি
-
ক
আইসোটোন
-
খ
আইসোটোপ
-
গ
আইসোবার
-
ঘ
রাসায়নিক পদার্থ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন