কোনটি পোলার অনু?
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
H2O
পোলার অণু হল এমন অণু যাতে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক চার্জের মধ্যে একটি নেট মেরুতা থাকে।
CH4, CCl4, এবং HCl হল সমযোজী অণু, তবে এই অণুগুলিতে ইলেকট্রনগুলি সমানভাবে ভাগ করা হয়। তাই, এই অণুগুলি পোলার নয়।
H2O হল একটি সমযোজী অণু, তবে এই অণুতে অক্সিজেন পরমাণুর চারপাশে ইলেকট্রনগুলি অসমভাবে ভাগ করা হয়। অক্সিজেন পরমাণুর ইলেকট্রনগুলির ঘনত্ব বেশি থাকে, যা অণুতে একটি নেট ঋণাত্মক চার্জ তৈরি করে। হাইড্রোজেন পরমাণুগুলির ইলেকট্রনগুলির ঘনত্ব কম থাকে, যা অণুতে একটি নেট ধনাত্মক চার্জ তৈরি করে। এই চার্জের অসামঞ্জস্যতার কারণে, H2O একটি পোলার অণু।
পোলারায়ন বা আয়নের বিকৃতি
পোলারায়নের ধারণা
পোলারায়ন বলতে একটি আয়নের আকার পরিবর্তন বা বিকৃতিকে বোঝায়, যা একটি কেশিয়ন বা অ্যানিয়নের শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের কারণে ঘটে। এই প্রক্রিয়ায় অ্যানিয়ন বিকৃত হয়ে কেশিয়নের দিকে আকৃষ্ট হয়। এর ফলে আয়নের আকার এবং বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটে।
কেশিয়ন ও অ্যানিয়নের ভূমিকা
- কেশিয়নের প্রভাব:
কেশিয়নের আকার ছোট এবং চার্জ বেশি হলে তা অ্যানিয়নকে সহজে বিকৃত করতে পারে। ছোট আকার ও উচ্চ চার্জের কারণে কেশিয়নের পোলারাইজিং ক্ষমতা বেশি থাকে। উদাহরণ: : Al3+, যা Cl- অ্যানিয়নকে সহজেই বিকৃত করতে পারে। - অ্যানিয়নের প্রভাব:
অ্যানিয়নের আকার বড় এবং ইলেকট্রন ঘনত্ব বেশি হলে তা সহজেই বিকৃত হয়। বড় আকারের কারণে নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ কম থাকায় বাইরের ইলেকট্রন সহজে বিকৃত হয়। উদাহরণ: I-, যা একটি শক্তিশালী কেশিয়নের দ্বারা সহজেই বিকৃত হতে পারে।
পোলারায়নের গুরুত্ব
পোলারায়নের ফলে গঠিত যৌগের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আসে। যেমন:
- যৌগের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্কে পরিবর্তন।
- রাসায়নিক বন্ধনের প্রকারে পরিবর্তন।
- যৌগের দ্রাব্যতায় প্রভাব।
Related Question
View All-
ক
বিউটেন
-
খ
বিউটানল
-
গ
বিউটানোন
-
ঘ
বিউটানয়িক এসিড
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ঙ
-
ক
মোলার দ্রবণ
-
খ
নরমাল দ্রবণ
-
গ
মোলার দ্রবণ
-
ঘ
সম্পৃক্ত দ্রবণ
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
NaCl
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন