কোনটি ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য নয়?
-
ক
বংশগতির ধারক বস্তু শুধু DNA
-
খ
অতি আণুবীক্ষণিক
-
গ
জীবিত জীবকোষে বংশবৃদ্ধি ঘটে
-
ঘ
আকোষীয়
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য নয়: বংশগতির ধারক বস্তু শুধু DNA।
ব্যাখ্যা:
ভাইরাস অতি আণুবীক্ষণিক, বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় জীবাণু যা নিজেদের বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে:
- অতি আণুবীক্ষণিক: ভাইরাসগুলি কোষের চেয়ে অনেক ছোট, এবং সাধারণত ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করেই দেখা যায়।
- বাধ্যতামূলক অন্তঃকোষীয় জীবাণু: ভাইরাসগুলি জীবিত কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে। তারা নিজেদের কোষ তৈরি করতে পারে না এবং তাদের বংশবৃদ্ধির জন্য একটি হোস্ট কোষের উপর নির্ভর করে।
- জিনোম: ভাইরাসের জিনোম ডিএনএ বা আরএনএ হতে পারে। কিন্তু সব ভাইরাসের একই ধরনের জিনোম থাকে না। কিছু ভাইরাসে শুধুমাত্র ডিএনএ থাকে, অন্যদের শুধুমাত্র আরএনএ থাকে, এবং আবার কিছুতে ডিএনএ এবং আরএনএ উভয়ই থাকে।
- আবরণ: কিছু ভাইরাসের একটি আবরণ থাকে যা তাদের প্রোটিন এবং লিপিড দ্বারা তৈরি।
- ক্যাপসিড: ভাইরাসের জিনোম একটি ক্যাপসিড নামক প্রোটিন আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে।
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Virus)
ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যগুলোকে দুভাগে ভাগ করা যায়; যথা-জড়-রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য এবং জীব সদৃশ বৈশিষ্ট্য
জড়-রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যঃ
১ ভাইরাস অকোষীয়, অতিআণুবীক্ষণিক ও সাইটোপ্লাজমবিহীন রাসায়নিক পদার্থ ।
২. পোষক দেহের বাইরে এরা কোন জৈবনিক কার্যকলাপ ঘটায় না ।
৩. জীবকোষের বাইরে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে না।
৪. পরিসুত ও কেলাসিত করে ভাইরাসকে স্ফটিকে পরিণত করা যায়।
৫. ভাইরাস আকারে বৃদ্ধি পায় না এবং পরিবেশিক উদ্দীপনায় সাড়া দেয় না ।
৬. এদের নিজস্ব কোন বিপাকীয় এনজাইম নেই।
৭. ভাইরাস রাসায়নিকভাবে প্রোটিন ও নিউক্লিক এসিডের জীবীয় বৈশিষ্ট্য সমাহার মাত্র।
জীব সদৃশ বৈশিষ্ঠ্যঃ
১. গাঠনিকভাবে ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড (DNA বা RNA) আছে।
২. উপযুক্ত পোষক কোষের অভ্যন্তরে ভাইরাস সংখ্যাবৃদ্ধি (multiplication) করতে সক্ষম ।
৩. ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী।
৪. ভাইরাস জিনগত পুনর্বিন্যাস ঘটতে দেখা যায়।
৫. ভাইরাসে প্রকরণ (variation) ও পরিব্যক্তি (mutation) দেখা যায়।
৬. এদের অভিযোজন ক্ষমতা রয়েছে।
৭. নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মাতৃভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে, অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস সৃষ্টি করতে পারে।
পরিব্যক্তি (mutation) : নানাবিধ কারণে জীবের বংশগতি উপাদানের এক বা একাধিক জিনের হঠাৎ স্বতঃস্ফূর্ত পরিবর্তন। এ পরিবর্তন স্থায়ী তাই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরও পরিবর্তন ঘটে।
Related Question
View All-
ক
ইহা অকোষীয়
-
খ
ইহা অতি-আণুবীক্ষণিক
-
গ
ইহাতে প্রোটোপ্লাজম বিদ্যমান
-
ঘ
ইহা কেবলমাত্র-সজীব কোষে বংশ বৃদ্ধি করে
-
ক
ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট কোষ নেই
-
খ
ইহা অতি আণুবীক্ষণিক
-
গ
ইহাতে প্রোটোপ্লাজম বিদ্যমান
-
ঘ
ইহা কেবলমাত্র সজীব কোষে বংশবৃদ্ধি করে
-
ক
লিপিড এবং নিউক্লিক এসিড
-
খ
মাত্র নিউক্লিক এসিড
-
গ
প্রোটিন এবং লিপিড
-
ঘ
প্রোটিন এবং নিউক্লিক এসিড
-
ক
ইহাদের সাইটোপ্লাজম আছে
-
খ
DNA ও RNA একত্রে পাওয়া যাইতে পারে
-
গ
DNA ও RNA একত্রে থাকেনা
-
ঘ
সবগুলো
-
ক
এরা এককোষীয়
-
খ
এতে পরিব্যক্তি ঘটতে দেখা যায়
-
গ
এতে DNA বা RNA আছে
-
ঘ
প্রোটিন আবরণ এন্টিজেন গুণাবলি বহন করে
-
ক
এতে DNA বা RNA থাকে না
-
খ
এরা এককোষীয়
-
গ
এতে পরিব্যপ্তি ঘটতে দেখা যায়
-
ঘ
প্রোটিন আবরণ এন্টিজেন গুণাবলি বহন করে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন