কোন রচনাটি কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ?
কোন রচনাটি কৃষিসংক্রান্ত জ্ঞানে সমৃদ্ধ?
-
ক
ব্রতকথা
-
খ
খনার বচন
-
গ
মহুয়া
-
ঘ
হারামনি
খনার বচন মূলত কৃষিতত্ত্বভিত্তিক ছড়া। আনুমানিক ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত। অনেকের মতে, খনা নাম্নী জ্যোতির্বিদ্যায় পারদর্শী এক বিদুষী বাঙালি নারীর রচনা এই ছড়াগুলো। তবে এ নিয়ে মতভেদ আছে। অজস্র খনার বচন যুগ-যুগান্তর ধরে গ্রাম বাংলার জন-জীবনের সাথে মিশে আছে। জনশ্রুতি আছে যে, খনার নিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বারাসত সদর মহকুমার দেউলিয়া গ্রামে (বর্তমানে চন্দ্রকেতুগড় প্রত্নস্থল, যেটি খনামিহিরের ঢিবি নামে পরিচিত)। তিনি ছিলেন বৈদ্য বংশজাত । এমনকি, তিনি রাজা বিক্রমাদিত্যের সভার নবরত্নের দশম সদস্য ছিলেন বলে কথিত। বরাহমিহির বা বররুচি-এর পুত্র মিহির তার স্বামী ছিল বলেও কিংবদন্তি কথিত আছে। এই রচনাগুলো পাঁচ ভাগে বিভক্ত।
- কৃষিকাজের প্রথা ও কুসংস্কার
- কৃষিকাজ ফলিত
- জ্যোতির্বিজ্ঞান
- আবহাওয়া জ্ঞান এবং
- শস্যের যত্ন সম্পর্কিত উপদেশ
খনার বচনের কিছু উদাহরণ
- ষোল চাষে মূলা,
তার অর্ধেক তুলা;
তার অর্ধেক ধান,
বিনা চাষে পান।
(১৬ দিন চাষ করার পর সেই জমিতে মূলা চাষ করলে ভাল জাতের ফলন পাওয়া যায়। তুলা লাগানোর জমিতে ৮ দিন চাষ করতে হবে, ধানের জমিতে ৪ দিন চাষ করে ধান লাগালে ভাল ফলন পাওয়া যায়। পানের জমিতে চাষের প্রয়োজন হয় না।) - আগে খাবে মায়ে,
তবে পাবে পোয়ে।
- কলা রুয়ে না কেটো পাত,
তাতেই কাপড়, তাতেই ভাত।
(কলাগাছের ফলন শেষে গাছের গোড়া যেন না কাটে কৃষক, কেননা তাতেই সারা বছর ভাত-কাপড় জুটবে তাদের।)
সোর্সঃ উইকিপিডিয়া
Related Question
View All-
ক
পরার্থে
-
খ
পাছে লোকে কিছু বলে
-
গ
বড় কে
-
ঘ
সুখ
-
ক
চন্ডীদাস
-
খ
বিবেকানন্দ
-
গ
রামকৃষ্ণ পরমহংস
-
ঘ
জ্ঞানদাস
-
ক
চণ্ডীদাস
-
খ
বিদ্যাপতি
-
গ
রামকৃষ্ণ পরমহংস
-
ঘ
বিবেকানন্দ
-
ক
চণ্ডীদাস
-
খ
বিদ্যাপতি
-
গ
রামকৃষ্ণ পরমহংস
-
ঘ
বিবেকানন্দ
-
ক
চন্ডীদাস
-
খ
রামকৃষ্ণ পরমহংস
-
গ
বিদ্যাপতি
-
ঘ
বিবেকানন্দ
-
ক
রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
-
খ
হুতুম প্যাচার নয়া
-
গ
বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো
-
ঘ
বেহুলা পাঁচালী
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন