গুরুচন্ডালী দোষ কিসের সঙ্গে সম্পর্কিত?

Updated: 7 months ago
  • বানান
  • উচ্চারণ
  • ভাষারীতি
  • রূপতত্ত্ব
  • অর্থতত্ত্ব
654
ব্যাখ্যাঃ

গুরুচন্ডালী দোষ হলো বাংলা ভাষার একটি অশুদ্ধ রীতি, যেখানে সাধু ভাষা (formal/classical language) এবং চলিত ভাষা (colloquial/modern language) একই বাক্যে বা অনুচ্ছেদে মিশিয়ে ফেলা হয়। এটি ভাষারীতির সামঞ্জস্য ও প্রমিত ব্যবহারের পরিপন্থী। যেমন - "তাহার গ্রামে একটি পুকুর ছিল এবং আমি সেখানে গোসল করিয়াছি।" এখানে 'তাহার', 'ছিল', 'করিয়াছি' সাধু ভাষার এবং 'আমি', 'সেখানে' চলিত ভাষার শব্দ। এই মিশ্রণই গুরুচন্ডালী দোষ। তাই এটি ভাষারীতির সঙ্গে সম্পর্কিত।


অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ:

        
  • বানান (Spelling): এটি শব্দের সঠিক বর্ণবিন্যাস সংক্রান্ত বিষয়। গুরুচন্ডালী দোষ বানানের ভুল নয়।
  •     
  • উচ্চারণ (Pronunciation): এটি শব্দের ধ্বনিগত প্রকাশ সংক্রান্ত বিষয়। গুরুচন্ডালী দোষ উচ্চারণের ভুল নয়।
  •     
  • রূপতত্ত্ব (Morphology): এটি শব্দের গঠন, বিভক্তি ও পদ পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়। সাধু ও চলিত ভাষার নিজস্ব রূপতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য থাকলেও তাদের মিশ্রণ রূপতত্ত্বের সরাসরি ভুল নয়, বরং ভাষারীতির ভুল।
  •     
  • অর্থতত্ত্ব (Semantics): এটি শব্দের বা বাক্যের অর্থ সংক্রান্ত বিষয়। গুরুচন্ডালী দোষ বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করে না, বরং ভাষার প্রকাশভঙ্গি বা শৈলীকে ত্রুটিপূর্ণ করে তোলে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago

সাধু ভাষা প্রাচীনকাল থেকেই সাহিত্যের ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের শুরু থেকেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সাধু ভাষা ছিল সাহিত্যিক ও চাষা। প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যিক নিদর্শনে সাধুভাষার প্রভাব দিল স্পষ্ট। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষা'র প্রচলন শুরু হতে থাকে। তৎকালীন সময়ের কিছু দোলেখক পণ্ডিতি সাহিত্যের বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে আগামর জনসাধারণের 'কথ্য ভাষা'য় সাহিত্য রচনায় ব্রতী হন এবং সফল হন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন প্রমথ চৌধুরী। তিনিই প্রথম চলিত ভাষায় সাহিত্য রচনা শুরু করেন এবং 'সবুজপত্র' (১৯১৪) সাহিত্য পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতিকে সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেন।

বাংলা ভাষার মৌলিক রূপ / রীতি দুইটি । যথা: কথ্য ভাষা রীতি ও লেখ্য ভাষা রীতি।

কথ্য ভাষা রীতি:

কথ্য ভাষা রীতি ভাষার মূল রূপ। কথ্য ভাষা রীতির উপরে ভিত্তি করে লেখ্য ভাষা রীতির রূপ তৈরি হয়। স্থান ও কালভেদে ভাষার যে পরিবর্তন ঘটে তা মূলত কথ্য ভাষা রীতির পরিবর্তন। তাই কথ্য ভাষা রীতির পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন ভাষা ও উপভাষার জন্ম হয়।

আঞ্চলিক কথ্য রীতি:

কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়। এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা। ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে। বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা বলে। আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। আক্ষরিক অর্থে উপভাষা বলতে 'ভাষা'র চেয়ে একটু নিম্ন বা কিছুটা কম মর্যাদাসম্পন্ন ভাষাকে বোঝায়। পৃথিবীর সব ভাষারই উপভাষা আছে। সাধারণত ভৌগোলিক এলাকাভেদে বাংলা ভাষার নানা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ভাষার এ আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে বলা হয় উপভাষা।

Related Question

View All
Updated: 10 months ago
  • দুই
  • তিন
  • চার
  • পাঁচ
3.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই