চর্যাপদের খন্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন-
চর্যাপদের খন্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন-
-
ক
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
খ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
গ
রাজেন্দ্রলাল মিত্র
-
ঘ
সুকুমার সেন
চর্যাপদের যে পদগুলো মূল পুঁথিতে খণ্ডিত বা অসম্পূর্ণ ছিল, সেগুলো তিব্বতি অনুবাদ থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর বা পুনর্গঠন করেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের
রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে তা প্রকাশ করেন। তবে, পুঁথির বেশ কিছু পদ (যেমন: ২৩ নং পদের শেষাংশ, ২৪, ২৫, ৪৮ নং পদ ইত্যাদি) ছিল খণ্ডিত বা মূল পুঁথিতে পাওয়া যায়নি। এই খণ্ডিত পদগুলো পূরণ করতে এবং পুঁথির মূল অর্থোদ্ধারে সহায়তা করতে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি ভাষায় চর্যাপদের যে অনুবাদ পাওয়া গিয়েছিল, সেগুলোর সাহায্য নেন। বিশেষত, তিব্বতি অনুবাদ থেকে বাংলা পদগুলোর পাঠ পুনর্গঠনের কাজটি গুরুত্বপূর্ণভাবে সম্পন্ন করেন ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) সুকুমার সেন।
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া পদাবলী। এই পদগুলো মূলত প্রাচীন বাংলা, মৈথিলি, ওড়িয়া, এবং অসমীয়ার মতো পূর্ব ভারতীয় ভাষার মিশ্রণে রচিত। চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি প্রথম আবিষ্কৃত হয় তিব্বতে, এবং এগুলো তিব্বতি ভাষায় অনুবাদিত বা টীকাকৃত আকারে পাওয়া যায়।
প্রেক্ষাপট:
- প্রশ্নটি স্পষ্টভাবে জিজ্ঞাসা করছে যে চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো (২৩, ২৪, ২৫, এবং ৪৮ নং) তিব্বতি অনুবাদ থেকে প্রাচীন বাংলায় কে রূপান্তর করেছেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, (অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়) অনুসারে, এই কাজটি করেছেন সুকুমার সেন। তিনি আনুমানিকভাবে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেছেন।
- ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন। এই পাণ্ডুলিপিতে ২৩ এর খণ্ডিত, ২৪, ২৫, এবং ৪৮ নং পদগুলো ছিল না।
অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত অনুসারে,
মূল পুথির চারখানা পাতা লুপ্ত। এই চর্যাটির শেষ চার পঙ্ক্তি ও টীকা, ২৪ নং চর্যার সমস্ত অংশ ও টীকা এবং তার পরের অর্থাৎ ২৫ নং চর্যার মূল ও টীকার প্রথম অংশ বিনষ্ট। তবে এই চর্যাগুলির তিব্বতী অনুবাদ পাওয়া গিয়েছে। ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী সেই অনুবাদ প্রকাশ করেন ১৯৪২ সালে। সেই অনুবাদ অবলম্বনে এই চর্যাগুলির মূল কী ছিল তা অনুমান করে একটি পাঠ-পরিকল্পনা দিয়েছেন ডক্টর সুকুমার সেন তাঁর 'চর্যাীতি পদাবলী' গ্রন্থের ৭৬ থেকে ৭৯ পৃষ্ঠায়।
Related Question
View All-
ক
ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুকুমার সেন
-
ক
পণ্ডিত
-
খ
বিদ্যাসাগর
-
গ
শাস্ত্রজ্ঞ
-
ঘ
মহামহোপাধ্যায়
-
ক
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
দীনেশ চন্দ্র সেন
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়
-
ক
সুকুমার রায়
-
খ
রমেশচন্দ্র মজুমদার
-
গ
শিবনারায়ণ রায়
-
ঘ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ক
বাবু
-
খ
অতি অগ্ন হইল
-
গ
শরৎ
-
ঘ
তৈল
-
ক
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
-
খ
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্য়ায়
-
গ
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
-
ঘ
বিজয়চন্দ্র মজুমদার
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
