'চাচা কাহিনীর' লেখক------
-
ক
সৈয়দ শামসুল হক
-
খ
সৈয়দ মুজতবা আলী
-
গ
শওকত ওসমান
-
ঘ
ফররুখ আহমেদ
শান্তিনিকেতনে পড়ার সময় সেখানের বিশ্বভারতী নামের হস্তলিখিত ম্যাগাজিনে মুজতবা আলী লিখতেন। পরবর্তীতে তিনি ‘সত্যপীর’, ‘ওমর খৈয়াম’, ‘টেকচাঁদ’, ‘প্রিয়দর্শী’ প্রভৃতি ছদ্মনামে বিভিন্ন পত্রিকায়, যেমন: দেশ, আনন্দবাজার, বসুমতী, সত্যযুগ, মোহাম্মদী প্রভৃতিতে কলাম লিখেন। তাঁর বহু দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন ভ্রমণলিপি। এছাড়াও লিখেছেন ছোটগল্প, উপন্যাস, রম্যরচনা। বিবিধ ভাষা থেকে শ্লোক ও রূপকের যথার্থ ব্যবহার, হাস্যরস সৃষ্টিতে পারদর্শিতা এবং এর মধ্য দিয়ে গভীর জীবনবোধ ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ মর্যাদার আসনে বসিয়েছে। অনেকের মতে, ১৯৫০ - ৬০ দশকে মুজতবা আলী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক। তাঁর একটি বিখ্যাত উক্তি হলো: “ বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না। ” তুলনাত্মক ভাষাতত্ত্বের অধ্যাপক মুজতবার ধর্মদর্শন নিয়ে বড় ভাই সৈয়দ মুর্তাজা আলী মন্তব্য করেন: তাঁর (মুজতবা আলীর) সাহিত্যে বিন্দুমাত্র ধর্মীয় সংকীর্ণতা ছিল না। কিন্তু তাঁর এই উদারতার জন্য গোঁড়া স্বধর্মীরা তাঁকে কোনোদিন ক্ষমা করেননি। তাঁর রচিত বইয়ের সংখ্যা ৩০। প্রকাশনা উপন্যাস অবিশ্বাস্য (১৯৫৪) শবনম (১৯৬০) শহর - ইয়ার (১৯৬৯) ভ্রমণকাহিনী দেশে বিদেশে (১৯৪৯) (কাবুল শহরের কাহিনী নিয়ে লেখা। ) জলে ডাঙ্গায় (১৯৬০) ছোটগল্প চাচা কাহিনী (১৯৫২) টুনি মেম (১৯৬৪) পঞ্চতন্ত্র (১৯৫২) ময়ূরকন্ঠী (১৯৫৭)
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস 'লালসালু' (১৯৪৮), শওকত উসমানের উপন্যাস ' ক্রীতদাসের হাসি ' (১৯৬২)
প্রখ্যাত রম্য রচয়িতা, আজিজুল হক কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সৈয়দ মুজতবা আলী কর্মসূত্রে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের স্ফূরণ ঘটিয়েছেন তাঁর বিভিন্ন রচনায়। সাহিত্যিক রসবোধ, বিচিত্র জীবনপ্রবাহের নানা অনুষঙ্গ কৌতুক ও ব্যঙ্গ রসাবৃত করে উপস্থাপন তাঁর রচনার মূখ্য প্রবণতা। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে তাঁর ছিল বিশেষ পাণ্ডিত্য। তিনি প্রায় ১৮টি ভাষা জানতেন। ফলে তাঁর রচনায় প্রচুর আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করতেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯০৪ সালে করিমগঞ্জ, সিলেটে ব্রিটিশ ভারতে সিলেট আসামের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সুতরাং পরীক্ষায় জন্মস্থানের নাম আসামও থাকতে পারে। সূত্র: বাংলা একাডেমি চরিতাভিধান। জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস- হবিগঞ্জের (মৌলভীবাজার) উত্তরসূর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন মধ্যযুগের কবি সৈয়দ সুলতানের বংশধর।
- তিনি কাবুলের কৃষিবিজ্ঞান কলেজে ফারসি ও ইংরেজি ভাষার প্রভাষক (১৯২৭) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে বরোদা কলেজের তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক পদে যোগদান (১৯৩৫), বগুড়া আজিজুল হক কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান (১৯৪৯), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান (১৯৫০) এবং সর্বশেষ বিশ্বভারতীর রিডার হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৬৫ সালের ৩০ জুন অধ্যাপনার কর্ম থেকেঅবসর গ্রহণ করেন।
- আনন্দবাজার পত্রিকায় 'সত্যপীর' ও হিন্দুস্থান স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় 'রায়পিথোরা' নামে উপসম্পাদকীয় রচনা করতেন।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লেখেন।
- তিনি ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে ঢাকায় মারা যান।
মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনির নাম 'দেশে-বিদেশে' (১৯৪৯): এটি তাঁর প্রথম গ্রন্থ। এতে কাবুল শহরের কাহিনি স্থান পেয়েছে। এ গ্রন্থের অন্যতম পরিচ্ছেদ 'প্রবাস বন্ধু' ও 'গন্তব্য কাবুল'।
'জলে ডাঙায়' (১৯৬০): এটি একাধারে ভ্রমণকাহিনি ও শিশু-কিশোর উপন্যাস। এ গ্রন্থের অংশবিশেষ কাহিনি 'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ'।
মুজতবা আলীর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মসমূহঃ
উপন্যাস: 'অবিশ্বাস্য' (১৯৫৪), 'শবনম' (১৯৬০), 'শহর-ইয়ার' (১৯৬৯), 'তুলনাহীনা'।
রম্যরচনা:
'পঞ্চতন্ত্র' (১৯৫২), 'ময়ূরকণ্ঠী' (১৯৫২), 'বড়বাবু' (১৯৬৫), 'কত না অশ্রুজল' (১৯৭১)।
ছোটগল্প: 'চাচা-কাহিনী' (১৯৫২), 'টুনিমেম' (১৯৬৩), 'রসগোল্লা' [মূলগল্প: ইংরেজি Custom Housel. 'পাদটীকা', 'রাজা-উজির', 'ধূপছায়া'।]
| দেশে-বিদেশে (ভ্রমণকাহিনি) | সৈয়দ মুজতবা আলী |
| পথে-প্রবাসে (ভ্রমণকাহিনি) | অন্নদাশঙ্কর রায় |
| পঞ্চতন্ত্র (রম্যগল্প) | সৈয়দ মুজতবা আলী |
| পঞ্চভূত (প্রবন্ধ) | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Question
View All-
ক
আজিজুল হক কলেজে
-
খ
বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে
-
গ
বরোদা কলেজে
-
ঘ
আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে
-
ক
দিল্লী
-
খ
লাহোর
-
গ
কাবুল
-
ঘ
তেহরান
-
ক
২
-
খ
৩
-
গ
৪
-
ঘ
৫
-
ক
লাহোর
-
খ
কাবুল
-
গ
দিল্লি
-
ঘ
বাগদাদ
-
ক
শরৎচন্দ্র
-
খ
আনিসুজ্জামান
-
গ
সেলিনা
-
ঘ
মোমেন
-
ক
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
-
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
গ
দীনবন্ধু মিত্র
-
ঘ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!