নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া
-
ক
α
-
খ
β
-
গ
γ
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনের ফলে নতুন মৌল বা আইসোটোপ তৈরি হতে পারে এবং সাথে শক্তিও নির্গত হয়।
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ধরন
মূলত দুই ধরনের নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া রয়েছে:
নিউক্লিয়ার ফিশন: এই প্রক্রিয়ায় একটি ভারী নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম) ছোট ছোট নিউক্লিয়াসে ভেঙে যায়। এই ভাঙার সময় প্রচুর পরিমাণে শক্তি এবং নিউট্রন নির্গত হয়। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
নিউক্লিয়ার ফিউশন: এই প্রক্রিয়ায় দুটি হালকা নিউক্লিয়াস (যেমন হাইড্রোজেন) একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায়ও প্রচুর পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়। সূর্যের মধ্যে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই শক্তি উৎপন্ন হয়।
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার কারণ
- অস্থির নিউক্লিয়াস: অনেক নিউক্লিয়াস অস্থির হয় এবং স্থিতিশীল অবস্থায় আসার জন্য নিজে থেকেই ভেঙে পড়ে বা অন্য কোনো নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়।
- বহিরাগত কণার আঘাত: নিউক্লিয়াসে কোনো কণা (যেমন নিউট্রন) আঘাত করলে নিউক্লিয়াস ভেঙে যেতে পারে।
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ফলাফল
- নতুন মৌল বা আইসোটোপ তৈরি: নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ফলে একটি মৌল অন্য মৌলে পরিণত হতে পারে বা একই মৌলের ভিন্ন আইসোটোপ তৈরি হতে পারে।
- শক্তি নির্গত: নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি নির্গত হয়। এই শক্তিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, চিকিৎসা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- নিউট্রন নির্গত: অনেক নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় নিউট্রন নির্গত হয়। এই নিউট্রনগুলি অন্য নিউক্লিয়াসের সাথে সংঘর্ষ ঘটিয়ে নতুন নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ব্যবহার
- পারমাণবিক শক্তি: নিউক্লিয়ার ফিশন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন করা হয়।
- চিকিৎসা: ক্যান্সার চিকিৎসায় নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়।
- অন্যান্য ক্ষেত্র: নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন: খাদ্য সংরক্ষণ, শিল্প, গবেষণা ইত্যাদি।
নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ঝুঁকি
- রেডিওএক্টিভ পদার্থ: নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার ফলে রেডিওএক্টিভ পদার্থ তৈরি হয়, যা পরিবেশ এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
- পারমাণবিক দুর্ঘটনা: পারমাণবিক পাওয়ার প্ল্যান্টে দুর্ঘটনা ঘটলে বিপুল পরিমাণ রেডিওএক্টিভ পদার্থ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
জন ডাল্টনের পরমাণু মতবাদের পরপরই পরমাণুর গঠন সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের মনে কৌতুহল সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮৯৭-১৯৩২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিভিন্ন বিজ্ঞানী পরমানুর উপর বিভিন্ন পরীক্ষা - নিরিক্ষার পর প্রাপ্ত তথ্য থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে প্রত্যেকেই নিজ নিজ মতবাদ উপস্থাপন করেন যা পরমাণুর মডেল নামে পরিচিত। এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো -
(১) থমসন পামপুডিং পরমাণু মডেল : ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত ।
(২) রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত ।
(৩)বোর পরমাণু মডেল : ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত
(৪) বোর - সমারফিল্ড পরমাণু মডেল ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত ।
(৫) তরঙ্গ বলবিদ্য পরমাণু মডেল : ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে লুইস দ্য ব্রগলি কর্তক প্রকাশিত
Related Question
View Allদূর্বল নিউক্লিয়ার বল সৃষ্টির জন্য দায়ী হল -
-
ক
বিটা ক্ষয়
-
খ
নিউট্রন ক্ষয়
-
গ
গামা ক্ষয়
-
ঘ
প্রোটন ক্ষয়
-
ক
16 ও 8
-
খ
14 ও 8
-
গ
15 ও 8
-
ঘ
17 ও 9
-
ঙ
17 ও 8
-
ক
11 : 62
-
খ
62 : 11
-
গ
206 : 82
-
ঘ
82 : 206
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
ধীরগতি সম্পন্ন
-
খ
দ্রুতগতি সম্পন্ন
-
গ
মধ্যম গতি সম্পন্ন
-
ঘ
কোনটাই নয়
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!