নিচের কোনটি উৎকৃষ্ট লিগ্যান্ড ?
-
ক
C
-
খ
N
-
গ
BC
-
ঘ
P
নিচের বিকল্পগুলির মধ্যে NH3 (অ্যামোনিয়া) হলো উৎকৃষ্ট লিগ্যান্ড।
ব্যাখ্যা:
- লিগ্যান্ড হলো একটি পরমাণু বা আয়ন যা একটি কেন্দ্রীয় ধাতু পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে একটি সমন্বয় যৌগ তৈরি করে।
- লিগ্যান্ড দাতব্য ইলেকট্রন জোড়া ধাতু পরমাণুর কাছে দান করে।
- NH3 হলো একটি শক্তিশালী লিগ্যান্ড কারণ এতে একক ইলেকট্রন জোড়া থাকে যা ধাতু পরমাণুর সাথে দান করতে পারে।
- NH3 ধাতু পরমাণুর সাথে স্থিতিশীল সমন্বয় যৌগ তৈরি করে।
অন্যান্য বিকল্পগুলি উৎকৃষ্ট লিগ্যান্ড নয় কারণ:
- CH4 (মিথেন): মিথেনে দাতব্য ইলেকট্রন জোড়া নেই।
- BCl3 (বোরন ট্রাইক্লোরাইড): BCl3 একটি ইলেকট্রন-লোভী যৌগ এবং এটি লিগ্যান্ড হিসেবে কাজ করে না।
- PH3 (ফসফিন): PH3 NH3-এর তুলনায় দুর্বল লিগ্যান্ড।
উৎকৃষ্ট লিগ্যান্ডের বৈশিষ্ট্য:
- লিগ্যান্ডে দাতব্য ইলেকট্রন জোড়া থাকতে হবে।
- লিগ্যান্ডে ধাতু পরমাণুর সাথে স্থিতিশীল যৌগ তৈরি করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
- লিগ্যান্ডের আকার এবং আকৃতি ধাতু পরমাণুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
উদাহরণ:
- EDTA (ইথিলিনডাইঅ্যামিনেটেট্রাঅ্যাসিটিক অ্যাসিড) একটি শক্তিশালী লিগ্যান্ড।
- H2O (পানি) একটি দুর্বল লিগ্যান্ড।
- CO (কার্বন মনোক্সাইড) একটি লিগ্যান্ড।
গুণগত রসায়ন
গুণগত রসায়ন হল রসায়নের একটি শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের মধ্যে কোন উপাদান বা যৌগ উপস্থিত আছে তা নির্ণয় করার সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত একটি পদার্থের গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, কোনো পদার্থ কী দিয়ে তৈরি, তা জানার চেষ্টা করা।
গুণগত বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য
- পদার্থের পরিচয়: কোনো অজানা পদার্থ কী দিয়ে তৈরি তা নির্ণয় করা।
- শুদ্ধতা নিরূপণ: কোনো পদার্থ শুদ্ধ কিনা তা নির্ণয় করা।
- মিশ্রণের উপাদান নির্ণয়: কোনো মিশ্রণে কোন কোন উপাদান রয়েছে তা নির্ণয় করা।
- রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া বোঝা: বিভিন্ন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধরন বোঝা।
গুণগত বিশ্লেষণের পদ্ধতি
গুণগত বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- শিখা পরীক্ষা: বিভিন্ন ধাতুকে আগুনে পোড়ালে তারা নির্দিষ্ট রঙের আলো দেয়। এই রঙের উপর ভিত্তি করে ধাতু চিহ্নিত করা হয়।
- অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া: একটি দ্রবণে কোনো বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ যোগ করলে একটি অদ্রবণীয় পদার্থ তৈরি হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- গ্যাসীয় পরীক্ষা: কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নির্দিষ্ট গ্যাস উৎপন্ন হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- বর্ণালী বিশ্লেষণ: কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নির্গত করে। এই আলোকে বিশ্লেষণ করে পদার্থের উপাদান নির্ণয় করা হয়।
- ক্রোমাটোগ্রাফি: এই পদ্ধতিতে একটি মিশ্রণকে তার উপাদানে বিভক্ত করে বিশ্লেষণ করা হয়।
গুণগত বিশ্লেষণের ব্যবহার
গুণগত বিশ্লেষণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন:
- রসায়ন: নতুন যৌগ আবিষ্কার, মিশ্রণ বিশ্লেষণ, শিল্পে ব্যবহৃত পদার্থের শুদ্ধতা নির্ণয়।
- জীববিজ্ঞান: জৈব যৌগের বিশ্লেষণ, খাদ্য পদার্থের গুণগত বিশ্লেষণ।
- পরিবেশ বিজ্ঞান: পানি, বায়ু এবং মাটিতে বিভিন্ন ধরনের দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতি নির্ণয়।
- ফরেনসিক বিজ্ঞান: অপরাধের ঘটনাস্থলে পাওয়া নমুনা বিশ্লেষণ করে অপরাধী শনাক্ত করা।
Related Question
View All-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
1 neutron and 1 proton
-
খ
2 neutron and 2 proton
-
গ
1 neutron and 2 proton
-
ঘ
2 neutron and 1 proton
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
Agl
-
খ
AgBr
-
গ
AgCl
-
ঘ
Agf
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন