'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা?
-
ক
সত্যেন সেন
-
খ
আবুল ফজল
-
গ
সৈয়দ মুজতবা আলী
-
ঘ
সমরেশ বসু
উত্তর: C. সৈয়দ মুজতবা আলী
'পঞ্চতন্ত্র' রম্যরচনার বরপুত্র সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কালজয়ী প্রবন্ধগ্রন্থ। ১৯৫২ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে লেখকের পাণ্ডিত্য, রসবোধ এবং বিশ্বভ্রমণের অভিজ্ঞতার এক চমৎকার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি তাঁর চিরাচরিত রসালো ও সাবলীল ভাষায় সমকালীন সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা খণ্ডচিত্র এই গ্রন্থে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাংলা সাহিত্যে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধের বাইরেও যে কত সহজ ও হাস্যরসের মাধ্যমে গভীর জীবনবোধ প্রকাশ করা যায়, 'পঞ্চতন্ত্র' তার এক সার্থক উদাহরণ। মুজতবা আলীর বহুমাত্রিক জ্ঞান ও সূক্ষ্ম রসবোধ এই গ্রন্থটিকে পাঠকদের কাছে আজও সমানভাবে প্রিয় করে রেখেছে।
প্রখ্যাত রম্য রচয়িতা, আজিজুল হক কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সৈয়দ মুজতবা আলী কর্মসূত্রে বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের স্ফূরণ ঘটিয়েছেন তাঁর বিভিন্ন রচনায়। সাহিত্যিক রসবোধ, বিচিত্র জীবনপ্রবাহের নানা অনুষঙ্গ কৌতুক ও ব্যঙ্গ রসাবৃত করে উপস্থাপন তাঁর রচনার মূখ্য প্রবণতা। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে তাঁর ছিল বিশেষ পাণ্ডিত্য। তিনি প্রায় ১৮টি ভাষা জানতেন। ফলে তাঁর রচনায় প্রচুর আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করতেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯০৪ সালে করিমগঞ্জ, সিলেটে ব্রিটিশ ভারতে সিলেট আসামের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সুতরাং পরীক্ষায় জন্মস্থানের নাম আসামও থাকতে পারে। সূত্র: বাংলা একাডেমি চরিতাভিধান। জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস- হবিগঞ্জের (মৌলভীবাজার) উত্তরসূর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন মধ্যযুগের কবি সৈয়দ সুলতানের বংশধর।
- তিনি কাবুলের কৃষিবিজ্ঞান কলেজে ফারসি ও ইংরেজি ভাষার প্রভাষক (১৯২৭) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে বরোদা কলেজের তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক পদে যোগদান (১৯৩৫), বগুড়া আজিজুল হক কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান (১৯৪৯), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান (১৯৫০) এবং সর্বশেষ বিশ্বভারতীর রিডার হিসেবে যোগদান করেন এবং ১৯৬৫ সালের ৩০ জুন অধ্যাপনার কর্ম থেকেঅবসর গ্রহণ করেন।
- আনন্দবাজার পত্রিকায় 'সত্যপীর' ও হিন্দুস্থান স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় 'রায়পিথোরা' নামে উপসম্পাদকীয় রচনা করতেন।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লেখেন।
- তিনি ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে ঢাকায় মারা যান।
মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনির নাম 'দেশে-বিদেশে' (১৯৪৯): এটি তাঁর প্রথম গ্রন্থ। এতে কাবুল শহরের কাহিনি স্থান পেয়েছে। এ গ্রন্থের অন্যতম পরিচ্ছেদ 'প্রবাস বন্ধু' ও 'গন্তব্য কাবুল'।
'জলে ডাঙায়' (১৯৬০): এটি একাধারে ভ্রমণকাহিনি ও শিশু-কিশোর উপন্যাস। এ গ্রন্থের অংশবিশেষ কাহিনি 'নীল নদ আর পিরামিডের দেশ'।
মুজতবা আলীর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মসমূহঃ
উপন্যাস: 'অবিশ্বাস্য' (১৯৫৪), 'শবনম' (১৯৬০), 'শহর-ইয়ার' (১৯৬৯), 'তুলনাহীনা'।
রম্যরচনা:
'পঞ্চতন্ত্র' (১৯৫২), 'ময়ূরকণ্ঠী' (১৯৫২), 'বড়বাবু' (১৯৬৫), 'কত না অশ্রুজল' (১৯৭১)।
ছোটগল্প: 'চাচা-কাহিনী' (১৯৫২), 'টুনিমেম' (১৯৬৩), 'রসগোল্লা' [মূলগল্প: ইংরেজি Custom Housel. 'পাদটীকা', 'রাজা-উজির', 'ধূপছায়া'।]
| দেশে-বিদেশে (ভ্রমণকাহিনি) | সৈয়দ মুজতবা আলী |
| পথে-প্রবাসে (ভ্রমণকাহিনি) | অন্নদাশঙ্কর রায় |
| পঞ্চতন্ত্র (রম্যগল্প) | সৈয়দ মুজতবা আলী |
| পঞ্চভূত (প্রবন্ধ) | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
Related Question
View All-
ক
সৈয়দ মুজতবা আলী
-
খ
মীয় মোশাররফ হোসেন
-
গ
সৈয়দ শামসুল হক
-
ঘ
শওকত ওসমান
-
ক
ফররুখ আহমেদ
-
খ
সৈয়দ মুজতবা আলী
-
গ
আবুল ফজল
-
ঘ
সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
-
ক
শওকত ওসমান
-
খ
গোপাল
-
গ
সৈয়দ মুজতবা আলী
-
ঘ
নজরুল ইসলাম
-
ক
জলে ডাঙ্গায়
-
খ
তীর্থহীনা
-
গ
ময়ূরকণ্ঠী
-
ঘ
টুনি মেম
-
ক
প্রমথ চৌধুরী
-
খ
সৈয়দ মুজতবা আলী
-
গ
অন্নদাশঙ্কর রায়
-
ঘ
ফররুখ আহমদ
-
ঙ
কোনটিই নয়
-
ক
দেশে-বিদেশে
-
খ
ময়ূরকণ্ঠী
-
গ
শবনম
-
ঘ
পঞ্চতন্ত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন