বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী কোনটি?
বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী কোনটি?
-
ক
মেঘনা
-
খ
পদ্মা
-
গ
ব্রহ্মপুত্র
-
ঘ
যমুনা
বর্তমানে পদ্মা বৃহত্তম নদী ৩৪১ কি.মি।
মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী এবং পৃথিবীর বৃহৎ নদীগুলোর অন্যতম। মেঘনা হিমালয় বলয় বহির্ভূত (Non - Himalayan) নদী। সুরমা নদী আজমিরীগঞ্জের ভাটি থেকেই কোন কোন ক্ষেত্রে মেঘনা নামে পরিচিত।
২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী হল গঙ্গা (যা বাংলাদেশের সীমান্তে পদ্মা নামে পরিচিত)।
পদ্মা নদী বাংলাদেশের প্রধান নদী এবং এটি গঙ্গার একটি প্রধান শাখা যা ভারত থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবাহিত হয় এবং দেশের বৃহত্তম নদী হিসেবে বিবেচিত।
বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী হিসেবে পদ্মা (যা গঙ্গার একটি শাখা) বিবেচিত হয়। বিস্তারিতভাবে:
পদ্মা নদীর পরিচিতি
উৎস: পদ্মা নদী ভারতীয় গঙ্গার একটি শাখা। গঙ্গার মূল প্রবাহ ভারতে বিহার রাজ্যে গঙ্গার ধারা হিসেবে শুরু হয় এবং পরে বাংলার মধ্যে পদ্মা নদীতে পরিণত হয়।
প্রবাহ: পদ্মা নদী বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এটি পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের মধ্যভাগে পৌঁছায় এবং গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের চরিত্রের নদী মিশ্রণ সৃষ্টি করে।
প্রধান শাখা: পদ্মা নদী বাংলাদেশে ঢুকলে, এটি বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয় এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। এটি বাংলাদেশের কিছু বড় শহরের পাশাপাশি কৃষি জমির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত গুরুত্ব: পদ্মা নদী বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নদীটি কৃষি, মৎস্য উৎপাদন এবং স্থানীয় পরিবহন সিস্টেমের জন্য অপরিহার্য।
বৃহত্তম নদী হিসেবে পরিচিতি: বাংলাদেশের অন্যান্য প্রধান নদীর মধ্যে ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা এবং যমুনা উল্লেখযোগ্য। তবে পদ্মা নদী তার বিস্তৃতি এবং নদীর উপত্যকার কারণে বৃহত্তম হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই তথ্যের ভিত্তিতে, পদ্মা নদী (গঙ্গার শাখা) বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী হিসেবে বিবেচিত।
- যৌথ নদী কমিশন (Joint River Commission) গঠিত হয়- ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা- ৫৭টি।
- বাংলাদেশে ও ভারত এর মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা- ৫৪টি।
- মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী নদী - ৩টি (নাফ, মাতামুহুরী, সাঙ্গু) ।
- বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী- ১টি (কুলিক)।
- বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে পুনরায় ফিরে এসেছে- আত্রাই, মহানন্দা, পুনর্ভবা ও ট্যাঙ্গন।
- বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা।
- বাংলার দুঃখ বলা হয়- দামোদার নদীকে। কুমিল্লার দুঃখ বলা হয়- গোমতী নদীকে।
- চট্টগ্রামের দুঃখ বলা হয়- চকতাই খালকে।
- পশ্চিমাঞ্চলের লাইফ লাইন বলা হয়- গড়াই নদীকে।
- পশ্চিমা বাহিনীর নদী বলা হয়- বিল ডাকাতিয়াকে।
- বাংলার সুয়েজ খাল বলা হয়- গাবখান নদীকে (ঝালকাঠি)।
- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত হারুকান্দি, ফরিদপুর।
- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৭৭ সালে।
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের নদী- ১টি (পদ্মা)।
- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট নদী যমুনা।
- বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ (দৈর্ঘ্য ৫৬/৬২ কি.মি)।
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র নদী- হালদা।
- বাংলাদেশের জলসীমায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি - হালদা নদী ।
- ব্রহ্মপুত্র নদের বর্তমান প্রবাহ যে নামে পরিচিত- যমুনা।
- ব্রহ্মপুত্র নদের ভারতীয় অংশের নাম- ডিহি।
- ব্রহ্মপুত্র নদের তিব্বতীয় অংশের নাম- ইয়ারলাভ সাংপো ।
- বাংলাদেশের প্রধান নদীবন্দর - নারায়ণগঞ্জ ।
- বাংলাদেশের একমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম নদী - কর্ণফুলী।
- কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যে নদীতে অবস্থিত- কর্ণফুলী।
- যে নদীটির নামকরণ করা হয়েছে একজন ব্যক্তির নামে- রূপসা।
- যে নদীটির নামে জেলার নামকরণ করা হয়েছে ফেনী (ফেনী জেলা) ।
- চলন বিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদী- আত্রাই।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনা নদীর নাম - বরাক।
- জীবন্ত সত্ত্বা (লিভিং এনটিটি) মর্যাদা পাওয়া দেশের প্রথম নদী- তুরাগ।
- নদী ভাঙ্গনে সর্বস্বান্ত জনগণকে বলা হয়- সিকন্তি।
- নদীর চর জাগলে যারা চাষাবাদ শুরু করে তাদের বলা হয়- পয়স্তী।
Related Question
View All-
ক
৫২টি
-
খ
৫৪টি
-
গ
৫৭টি
-
ঘ
৫৮টি
-
ক
ফোরাত
-
খ
নীলনদ
-
গ
দজলা
-
ঘ
টাইগ্রিস
-
ক
পুরাতন বক্ষপুত্র
-
খ
সুরমা
-
গ
তিস্তা
-
ঘ
যমুনা
-
ক
বুড়িগঙ্গা
-
খ
হোয়াংহো
-
গ
শীতললক্ষ্যা
-
ঘ
সিন্ধু
-
ক
সাঙ্গু
-
খ
মাতামুহুরী
-
গ
নাফ
-
ঘ
কর্ণফুলী
-
ক
শীতললক্ষ্যা
-
খ
সিন্ধু
-
গ
বুড়িগঙ্গা
-
ঘ
হোয়াংহো
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন