মরুভূমিতে মরীচীকা সৃষ্টির কারণ, আলোর-
-
ক
প্রতিফলন
-
খ
প্রতিসরণ
-
গ
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
-
ঘ
বিচ্ছরণ
মরুভূমিতে মরীচীকা সৃষ্টির কারণ হল আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। মরুভূমিতে, ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি বাতাস সবচেয়ে উষ্ণ থাকে এবং এটি উপরে উঠার সাথে সাথে শীতল হয়। বায়ুর ঘনত্ব উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে হ্রাস পায়। যখন আলোর একটি রশ্মি ঘন বাতাস থেকে হালকা বাতাসে প্রবেশ করে, তখন এটি অভিলম্বের দিকে বেঁকে যায়। যদি আলোর রশ্মি ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয়, তাহলে এটি সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে যায়।
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হল এমন একটি ঘটনা যেখানে আলোর একটি রশ্মি ঘন মাধ্যমের একটি বিভেদতলে আপতিত হয় এবং সম্পূর্ণরূপে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। এটি তখন ঘটে যখন আলোর রশ্মির আপতিত কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বেশি হয়।
মরুভূমিতে, ভূপৃষ্ঠের কাছে বাতাস এতটাই গরম যে এর ঘনত্ব উপরে বাতাসের চেয়ে কম হয়। যখন আলোর একটি রশ্মি ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে উঠে যায়, তখন এটি ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় কোণে আপতিত হয় এবং সম্পূর্ণরূপে ভূপৃষ্ঠের দিকে ফিরে আসে। এই ঘটনাটি একটি উল্টানো চিত্র তৈরি করে যা দূর থেকে পানি বা অন্যান্য তরল পদার্থের মতো দেখায়।
মরুভূমির মরীচিকাগুলি সাধারণত দুটি রূপে দেখা যায়:
- নিম্নমানের মরীচিকা: এই ধরনের মরীচিকাগুলি ভূপৃষ্ঠের কাছাকাছি দেখা যায় এবং এগুলি সাধারণত পানি বা অন্যান্য তরল পদার্থের মতো দেখায়।
- উচ্চ-মানের মরীচিকা: এই ধরনের মরীচিকাগুলি ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক দূরে দেখা যায় এবং এগুলি সাধারণত গাছপালা, ভবন বা অন্যান্য দূরবর্তী বস্তুর মতো দেখায়।
গুণগত রসায়ন
গুণগত রসায়ন হল রসায়নের একটি শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের মধ্যে কোন উপাদান বা যৌগ উপস্থিত আছে তা নির্ণয় করার সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত একটি পদার্থের গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, কোনো পদার্থ কী দিয়ে তৈরি, তা জানার চেষ্টা করা।
গুণগত বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য
- পদার্থের পরিচয়: কোনো অজানা পদার্থ কী দিয়ে তৈরি তা নির্ণয় করা।
- শুদ্ধতা নিরূপণ: কোনো পদার্থ শুদ্ধ কিনা তা নির্ণয় করা।
- মিশ্রণের উপাদান নির্ণয়: কোনো মিশ্রণে কোন কোন উপাদান রয়েছে তা নির্ণয় করা।
- রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া বোঝা: বিভিন্ন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধরন বোঝা।
গুণগত বিশ্লেষণের পদ্ধতি
গুণগত বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- শিখা পরীক্ষা: বিভিন্ন ধাতুকে আগুনে পোড়ালে তারা নির্দিষ্ট রঙের আলো দেয়। এই রঙের উপর ভিত্তি করে ধাতু চিহ্নিত করা হয়।
- অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া: একটি দ্রবণে কোনো বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ যোগ করলে একটি অদ্রবণীয় পদার্থ তৈরি হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- গ্যাসীয় পরীক্ষা: কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নির্দিষ্ট গ্যাস উৎপন্ন হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
- বর্ণালী বিশ্লেষণ: কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নির্গত করে। এই আলোকে বিশ্লেষণ করে পদার্থের উপাদান নির্ণয় করা হয়।
- ক্রোমাটোগ্রাফি: এই পদ্ধতিতে একটি মিশ্রণকে তার উপাদানে বিভক্ত করে বিশ্লেষণ করা হয়।
গুণগত বিশ্লেষণের ব্যবহার
গুণগত বিশ্লেষণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন:
- রসায়ন: নতুন যৌগ আবিষ্কার, মিশ্রণ বিশ্লেষণ, শিল্পে ব্যবহৃত পদার্থের শুদ্ধতা নির্ণয়।
- জীববিজ্ঞান: জৈব যৌগের বিশ্লেষণ, খাদ্য পদার্থের গুণগত বিশ্লেষণ।
- পরিবেশ বিজ্ঞান: পানি, বায়ু এবং মাটিতে বিভিন্ন ধরনের দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতি নির্ণয়।
- ফরেনসিক বিজ্ঞান: অপরাধের ঘটনাস্থলে পাওয়া নমুনা বিশ্লেষণ করে অপরাধী শনাক্ত করা।
Related Question
View All-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
1 neutron and 1 proton
-
খ
2 neutron and 2 proton
-
গ
1 neutron and 2 proton
-
ঘ
2 neutron and 1 proton
-
ক
i ও ii
-
খ
i ও iii
-
গ
ii ও iii
-
ঘ
i, ii ও iii
-
ক
Agl
-
খ
AgBr
-
গ
AgCl
-
ঘ
Agf
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন